আমেরিকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬ , ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশকে তাবেদার রাষ্ট্র  হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী স্টার্লিং হাইটস থেকে ডেট্রয়েট পর্যন্ত যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর উদ্যোগ নভেম্বরের মিশিগানে ঠান্ডা-উষ্ণের খেলা মনরো কাউন্টিতে গাড়ির ধাক্কায় পথচারী নিহত, বন্ধ I-75-এর একাংশ মিশিগানে মাটিতে জমল মৌসুমের প্রথম তুষার লোকসানের বোঝায় মিশিগানে বন্ধ হচ্ছে একের পর এক ইন্ডিপেন্ডেন্টস ফার্মেসি সিনেট থেকে এবার ববলহেডে এল-সায়েদ ডেট্রয়েটে ফের গুলিবর্ষণ,  প্রাণ গেল একজনের আরবি নাম, প্রগতিশীল রাজনীতি সব বাধা পেরিয়ে এল-সায়েদের জয় মিশিগানে ডেমোক্র্যাটদের ঐতিহাসিক  বিজয় : নির্বাচনে বইল ‘নীল ঢেউ’ ডেট্রয়েটে বড়দিনের উৎসবের প্রস্তুতি, ২০ নভেম্বর জমকালো ট্রি লাইটিং ইতিহাসের পাতায় আল-সায়েদ, গর্বিত মিশিগানের ভোটাররা মিশিগানে সিনেট নির্বাচনে আল-সায়েদের বাজিমাত জেমসকে হারিয়ে মিশিগানের গভর্নর বেনসন ডেট্রয়েটে বাড়ির ভেতর গুলিতে দুই বছরের শিশু গুরুতর আহত আই-৯৬ মহাসড়কে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা, নিহত ১ হ্যামট্রাম্যাকের মেয়রের চেয়ারে বসছেন মুহিত, ৮ নভেম্বর শপথ মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে এগিয়ে এল-সায়েদ, পিছিয়ে রজার্স আজ মিশিগানে ভোট,  ভাগ্য পরীক্ষায় দুই দল ট্রাম্পের আরব আমেরিকান বিষয়ক দূত ও উপদেষ্টা হলেন আমের গালিব

পৃথিবীকে লোহার জালে বাঁধছে যুক্তরাষ্ট্র! ভয়ানক চক্রব্যূহে চীন রাশিয়া

  • আপলোড সময় : ১৪-১১-২০২৩ ০১:২২:৩২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৪-১১-২০২৩ ০১:২২:৩২ পূর্বাহ্ন
পৃথিবীকে লোহার জালে বাঁধছে যুক্তরাষ্ট্র! ভয়ানক চক্রব্যূহে চীন রাশিয়া
কলকাতা, ১৪ নভেম্বর : হামাসকে ঘায়েল করতে যুক্তরাষ্ট্র একাই একশো? গোটা বিশ্বকে কোন অদৃশ্য মায়াজালে বাঁধছে আমেরিকা? পৃথিবীর মাটিতে কোন ভয়ানক লোহার জাল বিছিয়ে দিচ্ছে বাইডেনের দেশ? ইসরাইলের বড় সাপোর্ট, চীনের স্ট্রিং অফ পার্লস কী ডাহা ফেইল করছে? রাশিয়া আষ্টেপৃষ্ঠে যাচ্ছে আমেরিকার সামরিক জালে? পৃথিবীর বুকে কত বড় ট্র্যাপ বানাচ্ছে পশ্চিমা বিশ্ব। গোটা পৃথিবীতে এতো গোপন ডেরা? একটা সুইচেই সবটা অপারেট করে যুক্তরাষ্ট্র? রাশিয়া চীনকে সবক শেখাতে কি করছে বাইডেনের দেশ। খেলাটা একবার দেখুন।যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের যে কোনো দেশকে পেছনে ফেলে দিচ্ছে। পৃথিবীর ইতিহাসে অন্য কোনো দেশ বা সাম্রাজ্য বিশ্বজুড়ে এতো সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেনি, যতটি করেছে করছে যুক্তরাষ্ট্র। সারা বিশ্বে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির বেশিরভাগই তৈরি হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর। ওই সময় সবাইকে হটিয়ে বিশ্ব নেতায় পরিণত হয় আমেরিকা। যুদ্ধে জয়ী শক্তি হিসেবে জাপান ও জার্মানিতে শান্তিরক্ষীর দায়িত্ব পালন করে দেশটা।
সেই সময় দুটো দেশে ১০ এর বেশি মার্কিন ঘাঁটিতৈরি করা হয়। মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বিস্তারের কাজ উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ে ২০১১ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে। পৃথিবীর অন্তত ৮০টি দেশে প্রায় ৭৫০টি আমেরিকার সেনাঘাঁটি রয়েছে। যদিও আসল সংখ্যাটা আরও অনেক বেশি বলেই ধারণা বিশ্লেষকদের কারণ মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন দেশটির সঠিক সামরিক ইনফো কখনোই প্রকাশ করে না। এটা খুবই কনফিডেন্সিয়াল। এ ছাড়া বিশ্বের ১৫৯টি দেশে মার্কিন সেনা উপস্থিতি রয়েছে। মোতায়েন রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৭৩ হাজার সেনা। এসব সামরিক ঘাঁটি ও হাজার হাজার সেনা পরিচালনায় যুক্তরাষ্ট্র যে পরিমাণ টাকা ইনভেস্ট করে, তা বিশ্বের শীর্ষ ১০ টা দেশের মোট খরচের চেয়েও বেশি। যে জার্মানি আর জাপানের কথা আগেই উল্লেখ করেছি সেখানে যুক্তরাষ্ট্র রীতিমতো তলে তলে সামরিক জাল বিছিয়ে দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চসংখ্যক ঘাঁটি রয়েছে অন্যতম প্রধান মিত্র দেশ জাপানে, ১২০টি। এরপরই রয়েছে ইউরোপের দেশ জার্মানি। সেখানে মোট ১১৯টি মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। ৭৩টি মার্কিন ঘাঁটির জায়গা দিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের আরেক মিত্র দক্ষিণ কোরিয়া। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার ৭০ বছর পরও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের এখনো অনেক ঘাঁটি রয়েছে। এর মধ্যে ব্রিটেনে ২৫টি, ইতালিতে ৪৪ টি, স্পেনে ৪টি ঘাঁটি।তুরস্কেও বেশ কয়েকটি মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে আমেরিকার। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘাঁটি রয়েছে কুয়েত ও সৌদি আরবে। দেশ দুটিতে ১০টি করে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। এই মুহূর্তে যে মধ্যপ্রাচ্যে এত বড় যুদ্ধটা চলছে হামাস এবং ইসরাইলের মধ্যে। যে যুদ্ধে ইসরাইলকে সাপোর্ট করছে যুক্তরাষ্ট্র।
সবচেয়ে বড় ঘাঁটিটি রয়েছে কাতারের দোহায়। ওই ঘাঁটিতে সবসময় ১১ হাজার মার্কিন সেনার পাশাপাশি অসংখ্য ড্রোন ও প্রায় ১০০টি যুদ্ধবিমান রাখা থাকে। এ ছাড়া ইরানের দু পাশে মার্কিন বাহিনীর অন্তত ১৯টি ঘাঁটি সহজেই চোখে পড়ে।এসব ঘাঁটির জন্য মার্কিনিদের প্রয়োজন পড়েছে ৮ লাখ ৪৫ হাজার ৪১১টি ভবন, তিন কোটি একর ভূমি। চাট্টিখানি কথা কিন্তু নয়। সে হিসাবে পেন্টাগন হচ্ছে, বিশ্বের অন্যতম প্রধান ভূমি-মালিক। বলার অপেক্ষা রাখে না এসব সামরিক ঘাঁটির মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে একচেটিয়া কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করাই আমেরিকার এক এবং একমাত্র বড় লক্ষ্য।আর সেই রাস্তায় পথের কাঁটা চীন এবং রাশিয়া, দুই দেশ। যাদেরকে সবক শেখাতে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ যুক্তরাষ্ট্র।
সূত্র : প্রথম কলকাতা

নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম ‘ফিরিয়ে  নেওয়ার’ দাবি বিজেপি এমপির

নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম ‘ফিরিয়ে  নেওয়ার’ দাবি বিজেপি এমপির