আমেরিকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ , ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিনেট থেকে এবার ববলহেডে এল-সায়েদ ডেট্রয়েটে ফের গুলিবর্ষণ,  প্রাণ গেল একজনের আরবি নাম, প্রগতিশীল রাজনীতি সব বাধা পেরিয়ে এল-সায়েদের জয় মিশিগানে ডেমোক্র্যাটদের ঐতিহাসিক  বিজয় : নির্বাচনে বইল ‘নীল ঢেউ’ ডেট্রয়েটে বড়দিনের উৎসবের প্রস্তুতি, ২০ নভেম্বর জমকালো ট্রি লাইটিং ইতিহাসের পাতায় আল-সায়েদ, গর্বিত মিশিগানের ভোটাররা মিশিগানে সিনেট নির্বাচনে আল-সায়েদের বাজিমাত জেমসকে হারিয়ে মিশিগানের গভর্নর বেনসন ডেট্রয়েটে বাড়ির ভেতর গুলিতে দুই বছরের শিশু গুরুতর আহত আই-৯৬ মহাসড়কে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা, নিহত ১ হ্যামট্রাম্যাকের মেয়রের চেয়ারে বসছেন মুহিত, ৮ নভেম্বর শপথ মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে এগিয়ে এল-সায়েদ, পিছিয়ে রজার্স আজ মিশিগানে ভোট,  ভাগ্য পরীক্ষায় দুই দল ট্রাম্পের আরব আমেরিকান বিষয়ক দূত ও উপদেষ্টা হলেন আমের গালিব নভেম্বরের শুরুতে উষ্ণ মিশিগান, সপ্তাহান্তে কমবে তাপমাত্রা রচেস্টার হিলসে ম্যাসাজের সময় নারীকে নিপীড়নের অভিযোগ লজ ফ্রিওয়েতে গাড়ি দুর্ঘটনায় তিন নারী নিহত মিশিগানে বেকারত্ব ভাতার সেবায় প্রযুক্তির ছোঁয়া, চালু ৯ নভেম্বর হ্যালোউইনের রাতে ডেট্রয়েটে নিজ বাড়িতে গুলিবিদ্ধ ৫ বছরের শিশু জনসমর্থন নিয়ে বিদায় নিচ্ছেন মিশিগানের গভর্নর হুইটমার

খুলনায় সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য নিহত

  • আপলোড সময় : ০২-০৮-২০২৪ ১২:৪১:০৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-০৮-২০২৪ ১২:৪১:০৭ অপরাহ্ন
খুলনায় সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য নিহত
ইনসেটে নিহত পুলিশ সদস্য সুমন কুমার ঘরামী

খুলনা, ২ আগস্ট (ঢাকা পোস্ট) : খুলনায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে সুমন কুমার ঘরামী নামে এক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। তিনি পুলিশ লাইন্সে কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার (২ আগস্ট) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খুলনার জিরো পয়েন্ট, গল্লামারী মোড় এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের এ সংঘর্ষ হয়। রাত পৌনে ৯টার দিকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 
তিনি বলেন, সংঘর্ষে আমাদের ২০-২৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং পুলিশ লাইন্সের কনস্টেবল সুমন নিহত হয়েছেন। মোজাম্মেল হক বলেন, পুলিশ সর্বোচ্চ ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়েছে। অথচ আমার এক ভাইকে পিটিয়ে মেরে ফেলল।
এদিকে সংঘর্ষের সময় অসংখ্য টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট, সাউন্ড গ্রেনেড ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ সময় বিক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা পুলিশের একটি পিকআপে আগুন ধরিয়ে দেন ও একটি ট্রাক ভাঙচুর করেন। সংঘর্ষের কারণে বিকেল ৪টা থেকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক ও রূপসা সেতু বাইপাস সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে দুই পাশে আটকা পড়েছে শতাধিক যানবাহন।
শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত গুলিবিদ্ধ (রাবার বুলেট ও শর্টগানের ছররা) অবস্থায় চারজনসহ ২২ জনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর। এ ঘটনায় পুলিশেরও অন্তত ২০ জন সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শুক্রবার বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা নিউমার্কেটের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। পুলিশ তাদেরকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও পরে পিছু হটে। এরপর তারা মিছিলসহকারে মজিদ সরণি হয়ে সোনাডাঙ্গা থানার দিকে যায়। এ সময় আন্দোলনকারীরা সোনাডাঙ্গা থানায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। তখন পুলিশ সদস্যরা থানার ভেতরে গিয়ে অবস্থান নেন। পরে হরিণটানা থানায়ও ইটপাটকেল ও খালি বোতল নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় থানার প্রধান ফটক বন্ধ ছিল।
শিক্ষার্থীরা বিকেল সোয়া ৩টার দিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছানোর পর পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং পুলিশ তাদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। প্রায় ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় নগরীর গল্লামারী থেকে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিকেল ৪টার দিকে পুলিশ কিছুটা পিছু হটে। কিছু পুলিশ জিরো পয়েন্ট এলাকায় এবং কিছু পুলিশ গল্লামারী মোড়ে অবস্থান নেয়। কয়েক দফা শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পুলিশ কিছুটা পেছনে সরে আসতে বাধ্য হয়। পরে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশের পর শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে নগরীর শিববাড়ি মোড়ের দিকে যেতে চাইলে সন্ধ্যা ৬টায় গল্লামারী মোড়ে আরেক দফা সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ মুর্হুমুর্হু টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সংঘর্ষের পর আহত হয়ে নাবিল, মিজান, সৌরভ, আব্দুল্লাহ, আবির, রুবিনা ইয়াসমিন, মিজান, ফাইয়াস, রুহুল আমিন, আল শাহরিয়ার নিরব, সিরাজুল ইসলাম, রাবেয়া সুলতানা রাইবা, রাশিদা পারভীন, তানিয়া আক্তার, আবিদ, মিতু, শেখ তানিক ও হোসাইন রাসেলসহ অন্তত ২২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্তত ৪ জনের শরীরে রাবার বুলেট ও শর্টগানের ছররা গুলি লেগেছে। অন্যরা টিয়ারশেলে শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি হয়েছেন।
নগরীর সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীরা থানার গেটে কিছু ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছিল। এতে কেউ আহত হয়নি।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পক্ষে আল শাহরিয়ার দাবি করেন, তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ অহেতুক টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুড়েছে। এতে অনেকে আহত হয়েছেন। কয়েকজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক জানান, প্রথমবার সংঘর্ষের পরে ছাত্রদের বুঝিয়ে নিবৃত্ত করা হয়েছিল। কিন্তু ৬টার দিকে গল্লামারীতে তারা আবারও পুলিশের ওপর হামলা করে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

কমেন্ট বক্স
২০২৭ সালের গ্রীষ্মে খুলবে না ট্রয় অ্যাকুয়াটিক সেন্টার

২০২৭ সালের গ্রীষ্মে খুলবে না ট্রয় অ্যাকুয়াটিক সেন্টার