ডেট্রয়েট, ২৬ মার্চ : যুক্তরাষ্ট্রের আদমশুমারি দপ্তরের সদ্য প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে মিশিগান অঙ্গরাজ্যের মধ্যে গ্র্যান্ড র্যাপিডস এবং কেন্ট কাউন্টি জনসংখ্যা বৃদ্ধির শীর্ষে রয়েছে।
তুলনামূলকভাবে, দক্ষিণ-পূর্ব মিশিগানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে; এই পাঁচ বছরের সময়কালে ওয়েইন কাউন্টি এবং মেট্রো ডেট্রয়েট উভয় এলাকাতেই জনসংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। তবে ডেট্রয়েটের সাবেক মেয়র মাইক ডুগান এই পরিসংখ্যান তৈরির পদ্ধতি ও কার্যপ্রণালীর সমালোচনা করেছেন।
‘ডেটা ড্রিভেন ডেট্রয়েট’ এর প্রতিষ্ঠাতা ও ইমেরিটাস পরিচালক কার্ট মেটজগার জানিয়েছেন, পশ্চিম মিশিগানের কাউন্টিগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধারা কয়েক বছর ধরে অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, "এর মূল কারণ হলো অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা; পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি বৈচিত্র্যময় এবং প্রবৃদ্ধিশীল।"
তিনি বলেন, "এর মূল কারণ হলো সেখানকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা; তাদের অর্থনীতি অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় এবং নিঃসন্দেহে তারা প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়েছে।"
মেটজগার এই সাফল্যের আংশিক কৃতিত্ব দিয়েছেন কেন্ট কাউন্টির গৃহীত 'এডস অ্যান্ড মেডস' (শিক্ষা ও চিকিৎসা) কৌশলকে, যার আওতায় শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, পশ্চিমাঞ্চল গাড়ি শিল্পের উপর খুব বেশি নির্ভরশীল নয়; ফলে সাম্প্রতিক অটোমোবাইল শিল্পের চ্যালেঞ্জ থেকেও তারা তুলনামূলকভাবে সুরক্ষিত।
২০২০ সালের তুলনায় বর্তমানে মিশিগানে প্রায় ৫০,০০০ বেশি বাসিন্দা বসবাস করছেন। ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ০.৫ শতাংশ, যা যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য ও ওয়াশিংটন ডি.সি.-এর মধ্যে ৪১তম স্থানে অবস্থান করছে। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিম অঞ্চলের সামগ্রিক ১ শতাংশ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের তুলনায় মিশিগানের এই হার কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।
জাতীয়ভাবে, ২০২৪-২০২৫ সালে অধিকাংশ এলাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির গতি মন্থর হয়েছে, যার প্রধান কারণ আন্তর্জাতিক অভিবাসনের হ্রাস। সবচেয়ে বেশি পতন দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তবর্তী এলাকায়, অন্যদিকে ফ্লোরিডা ও জর্জিয়া অঞ্চলে জনসংখ্যা বৃদ্ধি সর্বাধিক।
যুক্তরাষ্ট্রের আদমশুমারি দপ্তর প্রতি বছর সমগ্র দেশ ও অঙ্গরাজ্য, কাউন্টি এবং মেট্রোপলিটন ও মাইক্রোপলিটন এলাকার জনসংখ্যার প্রাক্কলন প্রকাশ করে। এই প্রাক্কলনে পূর্ণাঙ্গ আদমশুমারির তথ্যের পাশাপাশি জন্ম, মৃত্যু ও অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ক তথ্য সংযোজন করা হয়।
Source & Photo: http://detroitnews.com
নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

সুপ্রভাত মিশিগান ডেস্ক :