মাধবপুর (হবিগঞ্জ), ১০ সেপ্টেম্বর : হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, মাধবপুর পৌরসভার একাধিকবার নির্বাচিত সাবেক মেয়র ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মো. মুসলিমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে মাধবপুর পৌর এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চেক ডিজঅনারের পৃথক তিনটি মামলায় শাহ মো. মুসলিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। মামলাগুলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সরাইল ও ঢাকার বিভিন্ন আদালতে দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার রাতে এসব গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে মাধবপুর থানা-পুলিশ অভিযান চালায়। পরে পৌর এলাকার স্বপন মিয়ার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা বলেন, শাহ মো. মুসলিমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এসব পরোয়ানার ভিত্তিতেই মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শাহ মো. মুসলিম দীর্ঘদিন ধরে মাধবপুরের রাজনীতি ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি মাধবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি একাধিকবার মাধবপুর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেও তিনি এলাকায় পরিচিত। তার গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে মাধবপুর পৌর এলাকায় আলোচনা শুরু হয়। তবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও মামলাগুলোর বিষয়ে শাহ মো. মুসলিমের পরিবারের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চেক ডিজঅনারের পৃথক তিনটি মামলায় শাহ মো. মুসলিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। মামলাগুলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সরাইল ও ঢাকার বিভিন্ন আদালতে দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার রাতে এসব গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে মাধবপুর থানা-পুলিশ অভিযান চালায়। পরে পৌর এলাকার স্বপন মিয়ার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা বলেন, শাহ মো. মুসলিমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এসব পরোয়ানার ভিত্তিতেই মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শাহ মো. মুসলিম দীর্ঘদিন ধরে মাধবপুরের রাজনীতি ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি মাধবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি একাধিকবার মাধবপুর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেও তিনি এলাকায় পরিচিত। তার গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে মাধবপুর পৌর এলাকায় আলোচনা শুরু হয়। তবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও মামলাগুলোর বিষয়ে শাহ মো. মুসলিমের পরিবারের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।