খুলনা, ১১ সেপ্টেম্বর: আওয়ামী লীগকে ‘রিফাইন’ করে নতুন রূপে রাজনীতিতে ফেরানোর চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তাঁর দাবি, সরকারের ভেতরের কিছু ব্যক্তি ও দিল্লির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মহল এ প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখছে। তবে ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকলে আওয়ামী লীগের পক্ষে সহজে রাজনীতিতে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে না। শুক্রবার সকালে খুলনা মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে নগরীর আল ফারুক সোসাইটি মিলনায়তনে আয়োজিত রুকন সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি বা দলের একক কৃতিত্ব নয় উল্লেখ করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এটি আল্লাহর রহমত ও ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের ফল। দীর্ঘ ১৫ বছরের রাজনৈতিক অন্ধকারের পর মানুষ পরিবর্তনের প্রত্যাশা করেছিল। গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগের বিনিময়ে যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তার লক্ষ্য ছিল দুর্নীতি, দমন-পীড়ন, বৈষম্য, দলীয়করণ ও অর্থপাচারমুক্ত একটি মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জামায়াতের এই নেতা। তাঁর দাবি, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে থাকা কয়েকজনের অতীতে বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ছিল এবং কয়েকজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। অতীতের বিএনপি সরকারের সময়ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার উদাহরণ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেন, শুধু দল ক্ষমতায় গেলেই হবে না, প্রত্যেক ব্যক্তিরও ‘বিজয়’ নিশ্চিত করতে হবে। তাঁর মতে, দলের বিজয় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অর্জন হলেও ব্যক্তির বিজয় হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত লাভ। তাই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আখিরাতের মুক্তির জন্যও কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, শুধু মুখে ইসলামের কথা বললে হবে না; জীবনে তার বাস্তব প্রয়োগ থাকতে হবে। মাওলানা মওদুদীর ‘সত্যের সাক্ষ্য’ প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, মৌখিক সাক্ষ্যের পাশাপাশি বাস্তব জীবনেও ইসলামের সাক্ষ্য দিতে হবে এবং কথা ও কাজের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকতে হবে।
মুসলমানদের বর্তমান অবস্থার সমালোচনা করে আজহারুল ইসলাম বলেন, সংখ্যায় বিপুল হলেও বিশ্বের অনেক ক্ষেত্রে মুসলমানরা পিছিয়ে রয়েছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে তিনি মুসলমানদের মধ্যে ঈমানের শক্তি ও বাস্তব চেতনার ঘাটতির কথা উল্লেখ করেন।
ইসলামের প্রাথমিক যুগের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, মসজিদে নববী প্রতিষ্ঠার সময় মুসলমানদের জীবনযাপন ছিল অত্যন্ত সাধারণ। তখন পারস্য ও রোমের মতো শক্তিশালী সাম্রাজ্য মুসলমানদের ভয় করত। অথচ বর্তমানে অনেক মসজিদ অত্যাধুনিক এবং জীবনযাপনে আড়ম্বর থাকলেও সেই ঈমানি শক্তির ঘাটতি রয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য খুলনা মহানগরী আমীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মহানগরী সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল এমপির পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী সদস্য ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এমপি ও সহকারী পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি। সম্মেলনে শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী সভাপতি রাকিব হাসান। এতে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য মাস্টার শফিকুল আলম, মহানগরী নায়েবে আমীর অধ্যাপক নজিবুর রহমান, খুলনা জেলা সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট শাহ আলম, প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম ও আজিজুল ইসলাম ফারাজী, খুলনা জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, মহানগরী অফিস সেক্রেটারি মীম মিরাজ হোসাইন, কর্মপরিষদ সদস্য ড. আবু রুবাবা, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আ ন ম আব্দুল কুদ্দুস ও মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, মহানগরী যুব বিভাগের সভাপতি মুকারম বিল্লাহ, তারবিয়াত বিভাগের সেক্রেটারি মাওলানা শেখ মোহাম্মদ অলিউল্লাহ, সমাজ কল্যাণ বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, দাওয়া ও প্রকাশনা সেক্রেটারি মাওলানা শাহারুল ইসলাম, পেশাজীবী বিভাগীয় সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মোল্লা আলমগীর, এডভোকেট শফিকুল ইসলাম লিটন, খুলনা সদর থানা আমীর এস এম হাফিজুর রহমান, সোনাডাঙ্গা থানা আমীর জি এম শহীদুল ইসলাম, খালিশপুর থানা আমীর আব্দুল্লাহ আল মামুন, দৌলতপুর থানা আমীর মুশাররফ আনসারী, আড়ংঘাটা থানা আমীর মনোয়ার আনসারী, ব্যবসায়ী থানা সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, হাফেজ ইমরান খালিদ, খুলনা সদর থানা সেক্রেটারি আব্দুস সালাম, সোনাডাঙ্গা থানা সেক্রেটারি জাহিদুর রহমান নাঈম, খালিশপুর থানা আব্দুল আউয়াল, দৌলতপুর থানা মাওলানা মহিউদ্দীন, আড়ংঘাটা থানা সেক্রেটারি শেখ ফিরোজ আহমেদ তুহিন, জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী হেফজুর রহমান প্রমুখ ।
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি বা দলের একক কৃতিত্ব নয় উল্লেখ করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এটি আল্লাহর রহমত ও ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের ফল। দীর্ঘ ১৫ বছরের রাজনৈতিক অন্ধকারের পর মানুষ পরিবর্তনের প্রত্যাশা করেছিল। গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগের বিনিময়ে যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তার লক্ষ্য ছিল দুর্নীতি, দমন-পীড়ন, বৈষম্য, দলীয়করণ ও অর্থপাচারমুক্ত একটি মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জামায়াতের এই নেতা। তাঁর দাবি, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে থাকা কয়েকজনের অতীতে বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ছিল এবং কয়েকজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। অতীতের বিএনপি সরকারের সময়ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার উদাহরণ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেন, শুধু দল ক্ষমতায় গেলেই হবে না, প্রত্যেক ব্যক্তিরও ‘বিজয়’ নিশ্চিত করতে হবে। তাঁর মতে, দলের বিজয় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অর্জন হলেও ব্যক্তির বিজয় হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত লাভ। তাই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আখিরাতের মুক্তির জন্যও কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, শুধু মুখে ইসলামের কথা বললে হবে না; জীবনে তার বাস্তব প্রয়োগ থাকতে হবে। মাওলানা মওদুদীর ‘সত্যের সাক্ষ্য’ প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, মৌখিক সাক্ষ্যের পাশাপাশি বাস্তব জীবনেও ইসলামের সাক্ষ্য দিতে হবে এবং কথা ও কাজের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকতে হবে।
মুসলমানদের বর্তমান অবস্থার সমালোচনা করে আজহারুল ইসলাম বলেন, সংখ্যায় বিপুল হলেও বিশ্বের অনেক ক্ষেত্রে মুসলমানরা পিছিয়ে রয়েছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে তিনি মুসলমানদের মধ্যে ঈমানের শক্তি ও বাস্তব চেতনার ঘাটতির কথা উল্লেখ করেন।
ইসলামের প্রাথমিক যুগের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, মসজিদে নববী প্রতিষ্ঠার সময় মুসলমানদের জীবনযাপন ছিল অত্যন্ত সাধারণ। তখন পারস্য ও রোমের মতো শক্তিশালী সাম্রাজ্য মুসলমানদের ভয় করত। অথচ বর্তমানে অনেক মসজিদ অত্যাধুনিক এবং জীবনযাপনে আড়ম্বর থাকলেও সেই ঈমানি শক্তির ঘাটতি রয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য খুলনা মহানগরী আমীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মহানগরী সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল এমপির পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী সদস্য ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এমপি ও সহকারী পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি। সম্মেলনে শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী সভাপতি রাকিব হাসান। এতে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য মাস্টার শফিকুল আলম, মহানগরী নায়েবে আমীর অধ্যাপক নজিবুর রহমান, খুলনা জেলা সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট শাহ আলম, প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম ও আজিজুল ইসলাম ফারাজী, খুলনা জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, মহানগরী অফিস সেক্রেটারি মীম মিরাজ হোসাইন, কর্মপরিষদ সদস্য ড. আবু রুবাবা, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আ ন ম আব্দুল কুদ্দুস ও মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, মহানগরী যুব বিভাগের সভাপতি মুকারম বিল্লাহ, তারবিয়াত বিভাগের সেক্রেটারি মাওলানা শেখ মোহাম্মদ অলিউল্লাহ, সমাজ কল্যাণ বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, দাওয়া ও প্রকাশনা সেক্রেটারি মাওলানা শাহারুল ইসলাম, পেশাজীবী বিভাগীয় সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মোল্লা আলমগীর, এডভোকেট শফিকুল ইসলাম লিটন, খুলনা সদর থানা আমীর এস এম হাফিজুর রহমান, সোনাডাঙ্গা থানা আমীর জি এম শহীদুল ইসলাম, খালিশপুর থানা আমীর আব্দুল্লাহ আল মামুন, দৌলতপুর থানা আমীর মুশাররফ আনসারী, আড়ংঘাটা থানা আমীর মনোয়ার আনসারী, ব্যবসায়ী থানা সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, হাফেজ ইমরান খালিদ, খুলনা সদর থানা সেক্রেটারি আব্দুস সালাম, সোনাডাঙ্গা থানা সেক্রেটারি জাহিদুর রহমান নাঈম, খালিশপুর থানা আব্দুল আউয়াল, দৌলতপুর থানা মাওলানা মহিউদ্দীন, আড়ংঘাটা থানা সেক্রেটারি শেখ ফিরোজ আহমেদ তুহিন, জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী হেফজুর রহমান প্রমুখ ।