শরতের রঙে সেজেছে নর্থভিলের একটি এলাকা। গাছের পাতায় লাল, কমলা ও হলুদের বর্ণিল ছটায় ফুটে উঠেছে মিশিগানের শরতের সৌন্দর্য। ছবিটি ধারণ করা হয় ১৯ অক্টোবর ২০২৩।/David Guralnick, The Detroit News
মেট্রো ডেট্রয়েট, ১৭ সেপ্টেম্বর: শরৎকাল প্রায় দোরগোড়ায়। আর শরতের আগমনের সঙ্গে মিশিগানজুড়ে শুরু হতে যাচ্ছে প্রকৃতির বর্ণিল উৎসব। গাছের পাতায় ফুটে উঠবে লাল, কমলা ও হলুদের নানা রঙ।
ইতোমধ্যে মিশিগানের বিভিন্ন এলাকায় গাছের সবুজ পাতা ধীরে ধীরে লাল, কমলা ও হলুদ রঙ ধারণ করতে শুরু করেছে। মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি (MSU) এক্সটেনশনের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণত সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত শরতের পাতার সবচেয়ে আকর্ষণীয় রঙ দেখা যায়। এ রঙের তীব্রতা অনেকটাই নির্ভর করে শীতল রাত ও রৌদ্রোজ্জ্বল উষ্ণ দিনের আবহাওয়াচক্রের ওপর।
এ ধরনের আবহাওয়ায় পাতায় সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকে এবং রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে পাতায় বেশি পরিমাণে শর্করা তৈরি হয়। রাতের শীতল তাপমাত্রা ও পাতার শিরাগুলো ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে আসার ফলে উৎপাদিত শর্করার একটি বড় অংশ পাতার ভেতরে আটকে যায়।
এই শর্করা ‘অ্যান্থোসায়ানিন’ নামের এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ তৈরিতে ভূমিকা রাখে। এর ফলেই পাতায় লাল, বেগুনি ও গাঢ় লাল রঙের আবির্ভাব ঘটে। যেসব পাতা সরাসরি বেশি সূর্যালোক পায়, সেগুলোর রঙ সাধারণত আরও উজ্জ্বল হয়। অ্যান্থোসায়ানিন তীব্র সূর্যালোকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পাতার সালোকসংশ্লেষণকারী অংশকে সুরক্ষিত রাখতেও ভূমিকা রাখে।
মিশিগানের শরতের এই বর্ণিল রূপ শুধু প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করে না, রাজ্যের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মিশিগান পর্যটন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, শরতের পাতার রঙ পরিবর্তনের দৃশ্য দেখতে পর্যটকদের আগমন থেকে রাজ্যের অর্থনীতিতে প্রতিবছর প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার যোগ হয়।
এবারের শরতের পাতার রঙ পরিবর্তনের মৌসুম কখন শুরু হবে, কোন এলাকায় সবচেয়ে আগে রঙ বদলাবে এবং কোথায় দেখা মিলবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় দৃশ্য এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য নিচে দেওয়া হলো।
শরৎকাল কখন শুরু হয়?
শরৎকাল শুরু হচ্ছে ২২ সেপ্টেম্বর। যুক্তরাষ্ট্রের তাপমাত্রার পূর্বাভাস মানচিত্র অনুযায়ী, শরৎ মৌসুমের শুরুতে দেশটির অধিকাংশ এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাস প্রদানকারী ফেডারেল সংস্থা ক্লাইমেট প্রেডিকশন সেন্টার-এর তথ্য অনুযায়ী, মিশিগানের দক্ষিণাঞ্চলে—মেট্রো ডেট্রয়েট থেকে গ্র্যান্ড র্যাপিডস পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায়—মৌসুমের গড় তাপমাত্রা থাকার সম্ভাবনা এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বা কম তাপমাত্রা থাকার সম্ভাবনা প্রায় সমান।
ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, মেট্রো ডেট্রয়েটে সেপ্টেম্বরে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা গড়ে ৭৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট এবং সর্বনিম্ন ৬২ ডিগ্রি থাকে। অক্টোবরের দিকে তাপমাত্রা আরও কমে দিনের সর্বোচ্চ গড় ৬২ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ৪৪ ডিগ্রিতে নেমে আসে।
শরতের শেষভাগে, অর্থাৎ নভেম্বরে, মিশিগানে ঠান্ডার প্রকোপ আরও বাড়ে। এ সময় মেট্রো ডেট্রয়েটে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা গড়ে ৪৯ ডিগ্রি এবং রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ৩৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটে নেমে আসে।
গাছের পাতার রঙ কখন
বদলাতে শুরু করে?
ফারমার্স অ্যালম্যানাক এবং এক্সপ্লোর ফল এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, মিশিগানের আপার পেনিনসুলার কিছু এলাকায় পাতার রঙ পরিবর্তনের প্রাথমিক পর্যায় ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। কোথাও কোথাও গাছের পাতায় হালকা হলুদ ও অন্যান্য শরৎকালীন রঙের আভাও দেখা যাচ্ছে।
সাধারণত সেপ্টেম্বরের শেষভাগ থেকে শুরু করে নভেম্বরের শুরুর দিক পর্যন্ত মিশিগানে শরতের পাতার পূর্ণ রঙের বিকাশ বা ‘পিক ফল কালার’ দেখা যায়। তবে অঞ্চলভেদে সময়ের কিছুটা তারতম্য হতে পারে। আপার পেনিনসুলায় সেপ্টেম্বরের শেষদিকে সবার আগে রঙ পরিবর্তন শুরু হয়। এরপর অক্টোবরের শুরুতে রঙের উৎসব ছড়িয়ে পড়ে লোয়ার পেনিনসুলার উত্তরাঞ্চলে। অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে শেষভাগে তা আরও দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে মেট্রো ডেট্রয়েটসহ মিশিগানের দক্ষিণাঞ্চলে পৌঁছায়।
মিশিগানের বিভিন্ন এলাকায় শরতের
পাতার রঙ দেখার উপযুক্ত সময়
এক্সপ্লোর ফল-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, মিশিগানের বিভিন্ন অঞ্চলে পাতার রঙ পরিবর্তনের সময় এক নয়। উত্তরাঞ্চল থেকে দক্ষিণের দিকে ধীরে ধীরে রঙের বিস্তার ঘটে। সম্ভাব্য সময়সূচি হলো—
১৪ সেপ্টেম্বর: পশ্চিম আপার পেনিনসুলার কিছু এলাকায় পাতার রঙ পরিবর্তনের প্রাথমিক পর্যায় শুরু হতে পারে।
২২ সেপ্টেম্বর: আপার পেনিনসুলার অধিকাংশ এলাকায় পাতার রঙ পরিবর্তন হালকা থেকে মাঝারি পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। একই সময়ে উত্তর লোয়ার পেনিনসুলার কিছু এলাকায় সামান্য রঙের পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।
৭ অক্টোবর: পশ্চিম আপার পেনিনসুলার অধিকাংশ এলাকায় পাতার রঙ ‘পিক কালার’ বা পূর্ণ বিকাশের পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। উত্তর লোয়ার পেনিনসুলায় মাঝারি মাত্রার রঙ দেখা যাবে এবং রাজ্যের অন্যান্য এলাকায় পরিবর্তন থাকবে তুলনামূলক কম।
২৩ অক্টোবর: লোয়ার পেনিনসুলার অধিকাংশ এলাকায় পাতার রঙ পূর্ণ বিকাশ বা গাঢ় পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। এ সময় মেট্রো ডেট্রয়েটে রঙ পরিবর্তন হালকা থেকে মাঝারি পর্যায়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
২ নভেম্বর: মেট্রো ডেট্রয়েট এলাকায় শরতের পাতার রঙ ‘পিক কালার’ বা পূর্ণ বিকাশে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com
মেট্রো ডেট্রয়েট, ১৭ সেপ্টেম্বর: শরৎকাল প্রায় দোরগোড়ায়। আর শরতের আগমনের সঙ্গে মিশিগানজুড়ে শুরু হতে যাচ্ছে প্রকৃতির বর্ণিল উৎসব। গাছের পাতায় ফুটে উঠবে লাল, কমলা ও হলুদের নানা রঙ।
ইতোমধ্যে মিশিগানের বিভিন্ন এলাকায় গাছের সবুজ পাতা ধীরে ধীরে লাল, কমলা ও হলুদ রঙ ধারণ করতে শুরু করেছে। মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি (MSU) এক্সটেনশনের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণত সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত শরতের পাতার সবচেয়ে আকর্ষণীয় রঙ দেখা যায়। এ রঙের তীব্রতা অনেকটাই নির্ভর করে শীতল রাত ও রৌদ্রোজ্জ্বল উষ্ণ দিনের আবহাওয়াচক্রের ওপর।
এ ধরনের আবহাওয়ায় পাতায় সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকে এবং রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে পাতায় বেশি পরিমাণে শর্করা তৈরি হয়। রাতের শীতল তাপমাত্রা ও পাতার শিরাগুলো ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে আসার ফলে উৎপাদিত শর্করার একটি বড় অংশ পাতার ভেতরে আটকে যায়।
এই শর্করা ‘অ্যান্থোসায়ানিন’ নামের এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ তৈরিতে ভূমিকা রাখে। এর ফলেই পাতায় লাল, বেগুনি ও গাঢ় লাল রঙের আবির্ভাব ঘটে। যেসব পাতা সরাসরি বেশি সূর্যালোক পায়, সেগুলোর রঙ সাধারণত আরও উজ্জ্বল হয়। অ্যান্থোসায়ানিন তীব্র সূর্যালোকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পাতার সালোকসংশ্লেষণকারী অংশকে সুরক্ষিত রাখতেও ভূমিকা রাখে।
মিশিগানের শরতের এই বর্ণিল রূপ শুধু প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করে না, রাজ্যের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মিশিগান পর্যটন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, শরতের পাতার রঙ পরিবর্তনের দৃশ্য দেখতে পর্যটকদের আগমন থেকে রাজ্যের অর্থনীতিতে প্রতিবছর প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার যোগ হয়।
এবারের শরতের পাতার রঙ পরিবর্তনের মৌসুম কখন শুরু হবে, কোন এলাকায় সবচেয়ে আগে রঙ বদলাবে এবং কোথায় দেখা মিলবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় দৃশ্য এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য নিচে দেওয়া হলো।
শরৎকাল কখন শুরু হয়?
শরৎকাল শুরু হচ্ছে ২২ সেপ্টেম্বর। যুক্তরাষ্ট্রের তাপমাত্রার পূর্বাভাস মানচিত্র অনুযায়ী, শরৎ মৌসুমের শুরুতে দেশটির অধিকাংশ এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাস প্রদানকারী ফেডারেল সংস্থা ক্লাইমেট প্রেডিকশন সেন্টার-এর তথ্য অনুযায়ী, মিশিগানের দক্ষিণাঞ্চলে—মেট্রো ডেট্রয়েট থেকে গ্র্যান্ড র্যাপিডস পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায়—মৌসুমের গড় তাপমাত্রা থাকার সম্ভাবনা এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বা কম তাপমাত্রা থাকার সম্ভাবনা প্রায় সমান।
ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, মেট্রো ডেট্রয়েটে সেপ্টেম্বরে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা গড়ে ৭৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট এবং সর্বনিম্ন ৬২ ডিগ্রি থাকে। অক্টোবরের দিকে তাপমাত্রা আরও কমে দিনের সর্বোচ্চ গড় ৬২ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ৪৪ ডিগ্রিতে নেমে আসে।
শরতের শেষভাগে, অর্থাৎ নভেম্বরে, মিশিগানে ঠান্ডার প্রকোপ আরও বাড়ে। এ সময় মেট্রো ডেট্রয়েটে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা গড়ে ৪৯ ডিগ্রি এবং রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ৩৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটে নেমে আসে।
গাছের পাতার রঙ কখন
বদলাতে শুরু করে?
ফারমার্স অ্যালম্যানাক এবং এক্সপ্লোর ফল এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, মিশিগানের আপার পেনিনসুলার কিছু এলাকায় পাতার রঙ পরিবর্তনের প্রাথমিক পর্যায় ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। কোথাও কোথাও গাছের পাতায় হালকা হলুদ ও অন্যান্য শরৎকালীন রঙের আভাও দেখা যাচ্ছে।
সাধারণত সেপ্টেম্বরের শেষভাগ থেকে শুরু করে নভেম্বরের শুরুর দিক পর্যন্ত মিশিগানে শরতের পাতার পূর্ণ রঙের বিকাশ বা ‘পিক ফল কালার’ দেখা যায়। তবে অঞ্চলভেদে সময়ের কিছুটা তারতম্য হতে পারে। আপার পেনিনসুলায় সেপ্টেম্বরের শেষদিকে সবার আগে রঙ পরিবর্তন শুরু হয়। এরপর অক্টোবরের শুরুতে রঙের উৎসব ছড়িয়ে পড়ে লোয়ার পেনিনসুলার উত্তরাঞ্চলে। অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে শেষভাগে তা আরও দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে মেট্রো ডেট্রয়েটসহ মিশিগানের দক্ষিণাঞ্চলে পৌঁছায়।
মিশিগানের বিভিন্ন এলাকায় শরতের
পাতার রঙ দেখার উপযুক্ত সময়
এক্সপ্লোর ফল-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, মিশিগানের বিভিন্ন অঞ্চলে পাতার রঙ পরিবর্তনের সময় এক নয়। উত্তরাঞ্চল থেকে দক্ষিণের দিকে ধীরে ধীরে রঙের বিস্তার ঘটে। সম্ভাব্য সময়সূচি হলো—
১৪ সেপ্টেম্বর: পশ্চিম আপার পেনিনসুলার কিছু এলাকায় পাতার রঙ পরিবর্তনের প্রাথমিক পর্যায় শুরু হতে পারে।
২২ সেপ্টেম্বর: আপার পেনিনসুলার অধিকাংশ এলাকায় পাতার রঙ পরিবর্তন হালকা থেকে মাঝারি পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। একই সময়ে উত্তর লোয়ার পেনিনসুলার কিছু এলাকায় সামান্য রঙের পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।
৭ অক্টোবর: পশ্চিম আপার পেনিনসুলার অধিকাংশ এলাকায় পাতার রঙ ‘পিক কালার’ বা পূর্ণ বিকাশের পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। উত্তর লোয়ার পেনিনসুলায় মাঝারি মাত্রার রঙ দেখা যাবে এবং রাজ্যের অন্যান্য এলাকায় পরিবর্তন থাকবে তুলনামূলক কম।
২৩ অক্টোবর: লোয়ার পেনিনসুলার অধিকাংশ এলাকায় পাতার রঙ পূর্ণ বিকাশ বা গাঢ় পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। এ সময় মেট্রো ডেট্রয়েটে রঙ পরিবর্তন হালকা থেকে মাঝারি পর্যায়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
২ নভেম্বর: মেট্রো ডেট্রয়েট এলাকায় শরতের পাতার রঙ ‘পিক কালার’ বা পূর্ণ বিকাশে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com