২১ সেপ্টেম্বর সোমবার ডেট্রয়েটে ছুরিকাঘাতের শিকার জ্যাকোয়া উইক্সের স্মরণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘চিপোটলে’ (Chipotle)-এর বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন তাঁর পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা/Carlos Osorio/Special to The Detroit News
ডেট্রয়েট, ২২ সেপ্টেম্বর : কান্না আর একে অপরকে জড়িয়ে ধরে সোমবার জ্যাকোয়া উইক্সের জন্য শোক পালন করেন তাঁর পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও এলাকাবাসী। শহরের কেন্দ্রস্থলের সেই সরু গলিতেই এ শোক আয়োজন করা হয়, যেখানে মাত্র একদিন আগে ছুরিকাঘাতে নিহত হন ৩৪ বছর বয়সী উইক্স।
২১ সেপ্টেম্বর উডওয়ার্ড এভিনিউতে অবস্থিত ‘চিপোটল’ (Chipotle) রেস্তোরাঁর বাইরে স্বজন ও এলাকাবাসী সমবেত হন। হামলার সময় উইক্স সেখানেই কর্মরত ছিলেন। তাঁরা সেখানে মোমবাতি জ্বালিয়ে, প্রার্থনা করে এবং স্মৃতিচারণের মাধ্যমে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো উসকানি ছাড়াই চালানো এক হামলায় উইক্সকে ছুরিকাঘাত করা হয় এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু ঘটে।
উইক্সের খালা অ্যানা সলিস ভাতিজিকে স্মরণ করে বলেন, তিনি ছিলেন ‘ভেতরে-বাইরে—দুই দিক থেকেই একজন চমৎকার মানুষ।’
সলিস বলেন, “তিনি যেকোনো মানুষের জন্য যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত থাকতেন। গৃহহীন মানুষদের তিনি সিগারেট কিংবা নিজের কাছে থাকা শেষ ডলারটিও দিয়ে দিতেন।”
উইক্সের বোন অ্যালিসিয়া উইক্স জানান, জ্যাকোয়া ছিলেন এমন একজন মানুষ, যিনি “যেকোনো মানুষের সঙ্গেই বন্ধুত্ব গড়ে তুলতে পারতেন—এমনকি ফুটপাতে দেখা হওয়া অপরিচিত মানুষের সঙ্গেও।”
পরিবারের সদস্যরা কালো রঙের হুডি পরেছিলেন। এসব হুডিতে উইক্সের ছবি এবং পালক ও ফুলের নকশা ছিল, যা তাঁর নেটিভ আমেরিকান ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়।
উইক্সের চাচা ডেভিড রোল্যান্ড জানান, পরিবার চার দিনের জন্য একটি আগুন জ্বালিয়ে রেখেছে। এটি নেটিভ আমেরিকান একটি ঐতিহ্য। তাঁদের বিশ্বাস অনুযায়ী, মৃত্যুর পর আত্মার পরলোকে বা আধ্যাত্মিক জগতে যাত্রার জন্য চার দিনের একটি সময়কাল রয়েছে। সেই বিশ্বাস থেকেই স্মরণ ও শ্রদ্ধার অংশ হিসেবে আগুনটি জ্বালিয়ে রাখা হয়েছে।
রোল্যান্ড বলেন, “তাঁর সঙ্গে যা ঘটেছে, তা অত্যন্ত মর্মান্তিক। এই কঠিন সময়ে তাঁর পরিবারকে আপনাদের হৃদয়ে রাখবেন।”
অ্যালিসিয়া উইক্স জানান, তাঁর বোনের স্বপ্ন ছিল একদিন ‘টিকটক তারকা’ হওয়া। গোলাপ ও মোমবাতি হাতে শোকার্ত মানুষের ভিড়ে পূর্ণ সেই গলির দিকে অশ্রুসজল চোখে তাকিয়ে অ্যালিসিয়া বলেন, এত মানুষের উপস্থিতি দেখে তাঁর বোন নিশ্চয়ই গভীরভাবে আপ্লুত হতেন।
অ্যালিসিয়া বলেন, “ভাষায় এর অনুভূতি প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এত মানুষ, এত ভালোবাসার কথা, এত সমর্থন এবং যারা অনুদান দিয়েছেন—সবার প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।”
Source & Photo: http://detroitnews.com
ডেট্রয়েট, ২২ সেপ্টেম্বর : কান্না আর একে অপরকে জড়িয়ে ধরে সোমবার জ্যাকোয়া উইক্সের জন্য শোক পালন করেন তাঁর পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও এলাকাবাসী। শহরের কেন্দ্রস্থলের সেই সরু গলিতেই এ শোক আয়োজন করা হয়, যেখানে মাত্র একদিন আগে ছুরিকাঘাতে নিহত হন ৩৪ বছর বয়সী উইক্স।
২১ সেপ্টেম্বর উডওয়ার্ড এভিনিউতে অবস্থিত ‘চিপোটল’ (Chipotle) রেস্তোরাঁর বাইরে স্বজন ও এলাকাবাসী সমবেত হন। হামলার সময় উইক্স সেখানেই কর্মরত ছিলেন। তাঁরা সেখানে মোমবাতি জ্বালিয়ে, প্রার্থনা করে এবং স্মৃতিচারণের মাধ্যমে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো উসকানি ছাড়াই চালানো এক হামলায় উইক্সকে ছুরিকাঘাত করা হয় এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু ঘটে।
উইক্সের খালা অ্যানা সলিস ভাতিজিকে স্মরণ করে বলেন, তিনি ছিলেন ‘ভেতরে-বাইরে—দুই দিক থেকেই একজন চমৎকার মানুষ।’
সলিস বলেন, “তিনি যেকোনো মানুষের জন্য যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত থাকতেন। গৃহহীন মানুষদের তিনি সিগারেট কিংবা নিজের কাছে থাকা শেষ ডলারটিও দিয়ে দিতেন।”
উইক্সের বোন অ্যালিসিয়া উইক্স জানান, জ্যাকোয়া ছিলেন এমন একজন মানুষ, যিনি “যেকোনো মানুষের সঙ্গেই বন্ধুত্ব গড়ে তুলতে পারতেন—এমনকি ফুটপাতে দেখা হওয়া অপরিচিত মানুষের সঙ্গেও।”
পরিবারের সদস্যরা কালো রঙের হুডি পরেছিলেন। এসব হুডিতে উইক্সের ছবি এবং পালক ও ফুলের নকশা ছিল, যা তাঁর নেটিভ আমেরিকান ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়।
উইক্সের চাচা ডেভিড রোল্যান্ড জানান, পরিবার চার দিনের জন্য একটি আগুন জ্বালিয়ে রেখেছে। এটি নেটিভ আমেরিকান একটি ঐতিহ্য। তাঁদের বিশ্বাস অনুযায়ী, মৃত্যুর পর আত্মার পরলোকে বা আধ্যাত্মিক জগতে যাত্রার জন্য চার দিনের একটি সময়কাল রয়েছে। সেই বিশ্বাস থেকেই স্মরণ ও শ্রদ্ধার অংশ হিসেবে আগুনটি জ্বালিয়ে রাখা হয়েছে।
রোল্যান্ড বলেন, “তাঁর সঙ্গে যা ঘটেছে, তা অত্যন্ত মর্মান্তিক। এই কঠিন সময়ে তাঁর পরিবারকে আপনাদের হৃদয়ে রাখবেন।”
অ্যালিসিয়া উইক্স জানান, তাঁর বোনের স্বপ্ন ছিল একদিন ‘টিকটক তারকা’ হওয়া। গোলাপ ও মোমবাতি হাতে শোকার্ত মানুষের ভিড়ে পূর্ণ সেই গলির দিকে অশ্রুসজল চোখে তাকিয়ে অ্যালিসিয়া বলেন, এত মানুষের উপস্থিতি দেখে তাঁর বোন নিশ্চয়ই গভীরভাবে আপ্লুত হতেন।
অ্যালিসিয়া বলেন, “ভাষায় এর অনুভূতি প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এত মানুষ, এত ভালোবাসার কথা, এত সমর্থন এবং যারা অনুদান দিয়েছেন—সবার প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।”
Source & Photo: http://detroitnews.com