শ্যানেল লাকিশা কোহেন/ Oakland County Sheriff's Office
পন্টিয়াক, ২ অক্টোবর : গত সপ্তাহান্তে মারামারির সময় এক কিশোরীর গায়ে ফুটন্ত পানি ছুড়ে মারার অভিযোগে পন্টিয়াকের এক নারীর বিরুদ্ধে গুরুতর হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।
ওকল্যান্ড কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার পন্টিয়াকের ৫০তম ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে ৩১ বছর বয়সী শ্যানেল লাকিশা কোহেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। তার বিরুদ্ধে গুরুতর শারীরিক ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ অভিযোগ হত্যা বা শ্বাসরোধের অভিযোগের আওতাভুক্ত নয়।
অভিযোগ প্রমাণিত হলে কোহেনের সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
আদালতের একজন ম্যাজিস্ট্রেট তার জামিনের পরিমাণ ৭৫ হাজার ডলার নির্ধারণ করেছেন। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।
শুক্রবার পর্যন্ত আদালতের নথিতে কোহেনের পক্ষে কোনো আইনজীবীর নাম উল্লেখ করা হয়নি।
কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, গত সপ্তাহান্তে একটি মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে লিওনার্ড লেনের একটি এলাকায় বড় একটি দল মারামারিতে জড়িয়ে পড়েছে—এমন খবর পেয়ে ডেপুটিদের সেখানে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে কর্মকর্তারা একটি পার্কিং লটে ৫০ থেকে ১০০ জনের মধ্যে মারামারি দেখতে পান।
তদন্তকারীরা জানান, ওই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে বিবাদী শ্যানেল লাকিশা কোহেন এবং ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর মধ্যে মারামারি হচ্ছিল বলে তারা জানতে পারেন।
গোয়েন্দাদের তথ্যমতে, মারামারি থেমে যাওয়ার পর কোহেন তার বাড়িতে যান। পরে চুলা থেকে এক পাত্র ফুটন্ত পানি নিয়ে তিনি আবার বাইরে ফিরে আসেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ জানায়, ওই সময় ভুক্তভোগী কিশোরী আরও কয়েকজনের সঙ্গে মারামারিতে জড়িত ছিল। একপর্যায়ে কোহেন কিশোরীর কাছে গিয়ে তার পিঠে ফুটন্ত পানি ছুড়ে মারেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় কিশোরীকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তার আঘাতের তীব্রতার কারণে তাকে ডেট্রয়েটের ‘চিলড্রেনস হসপিটাল অব মিশিগান’-এ স্থানান্তর করা হয়।
কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, কিশোরীর ঘাড় ও পিঠের বেশিরভাগ অংশ তৃতীয় মাত্রার (থার্ড-ডিগ্রি) দগ্ধ হয়েছে। তিনি এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কর্মকর্তারা জানান, বৃহস্পতিবার কোহেন ওকল্যান্ড কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের পন্টিয়াক সাবস্টেশনে উপস্থিত হন। গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি কিশোরীর গায়ে ফুটন্ত পানি ছুড়ে মারার কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এরপর ডেপুটিরা তাকে গ্রেপ্তার করে ওকল্যান্ড কাউন্টি কারাগারে নিয়ে যান।
ওকল্যান্ড কাউন্টির শেরিফ মাইকেল বুচার্ড এক বিবৃতিতে বলেন, “মৌখিক বিরোধ থেকে বিপজ্জনক শারীরিক সহিংসতায় রূপ নেওয়ার এটি আরেকটি দুঃখজনক ঘটনা। যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।”
Source & Photo: http://detroitnews.com
পন্টিয়াক, ২ অক্টোবর : গত সপ্তাহান্তে মারামারির সময় এক কিশোরীর গায়ে ফুটন্ত পানি ছুড়ে মারার অভিযোগে পন্টিয়াকের এক নারীর বিরুদ্ধে গুরুতর হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।
ওকল্যান্ড কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার পন্টিয়াকের ৫০তম ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে ৩১ বছর বয়সী শ্যানেল লাকিশা কোহেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। তার বিরুদ্ধে গুরুতর শারীরিক ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ অভিযোগ হত্যা বা শ্বাসরোধের অভিযোগের আওতাভুক্ত নয়।
অভিযোগ প্রমাণিত হলে কোহেনের সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
আদালতের একজন ম্যাজিস্ট্রেট তার জামিনের পরিমাণ ৭৫ হাজার ডলার নির্ধারণ করেছেন। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।
শুক্রবার পর্যন্ত আদালতের নথিতে কোহেনের পক্ষে কোনো আইনজীবীর নাম উল্লেখ করা হয়নি।
কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, গত সপ্তাহান্তে একটি মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে লিওনার্ড লেনের একটি এলাকায় বড় একটি দল মারামারিতে জড়িয়ে পড়েছে—এমন খবর পেয়ে ডেপুটিদের সেখানে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে কর্মকর্তারা একটি পার্কিং লটে ৫০ থেকে ১০০ জনের মধ্যে মারামারি দেখতে পান।
তদন্তকারীরা জানান, ওই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে বিবাদী শ্যানেল লাকিশা কোহেন এবং ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর মধ্যে মারামারি হচ্ছিল বলে তারা জানতে পারেন।
গোয়েন্দাদের তথ্যমতে, মারামারি থেমে যাওয়ার পর কোহেন তার বাড়িতে যান। পরে চুলা থেকে এক পাত্র ফুটন্ত পানি নিয়ে তিনি আবার বাইরে ফিরে আসেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ জানায়, ওই সময় ভুক্তভোগী কিশোরী আরও কয়েকজনের সঙ্গে মারামারিতে জড়িত ছিল। একপর্যায়ে কোহেন কিশোরীর কাছে গিয়ে তার পিঠে ফুটন্ত পানি ছুড়ে মারেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় কিশোরীকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তার আঘাতের তীব্রতার কারণে তাকে ডেট্রয়েটের ‘চিলড্রেনস হসপিটাল অব মিশিগান’-এ স্থানান্তর করা হয়।
কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, কিশোরীর ঘাড় ও পিঠের বেশিরভাগ অংশ তৃতীয় মাত্রার (থার্ড-ডিগ্রি) দগ্ধ হয়েছে। তিনি এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কর্মকর্তারা জানান, বৃহস্পতিবার কোহেন ওকল্যান্ড কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের পন্টিয়াক সাবস্টেশনে উপস্থিত হন। গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি কিশোরীর গায়ে ফুটন্ত পানি ছুড়ে মারার কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এরপর ডেপুটিরা তাকে গ্রেপ্তার করে ওকল্যান্ড কাউন্টি কারাগারে নিয়ে যান।
ওকল্যান্ড কাউন্টির শেরিফ মাইকেল বুচার্ড এক বিবৃতিতে বলেন, “মৌখিক বিরোধ থেকে বিপজ্জনক শারীরিক সহিংসতায় রূপ নেওয়ার এটি আরেকটি দুঃখজনক ঘটনা। যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।”
Source & Photo: http://detroitnews.com