আটলান্টিক সিটি, ৭ অক্টোবর: যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথ জার্সির (বিএএসজে) ঐতিহ্যবাহী মেজবান।
মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশ কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এ মেজবানকে ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। রান্নার আয়োজন থেকে শুরু করে অতিথি আপ্যায়ন—সব মিলিয়ে কমিউনিটি সেন্টারজুড়ে ছিল প্রাণচাঞ্চল্য। ঐতিহ্যবাহী মেজবানি খাবারের ঘ্রাণে যেন প্রবাসের মাটিতেই ফিরে আসে বাংলাদেশের চেনা আবহ।
আটলান্টিক সিটি ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে মেজবানে অংশ নেন। খাবারের পাশাপাশি চলে গল্প, আড্ডা ও শুভেচ্ছা বিনিময়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় ও মূলধারার রাজনৈতিক নেতারাও অংশ নেন।
প্রবাসে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী মেজবানের এমন আয়োজনকে ঘিরে বাংলাদেশ কমিউনিটি সেন্টার পরিণত হয় এক টুকরো বাংলাদেশে। মেজবানি খাবারের স্বাদ, মানুষের উচ্ছ্বাস ও আন্তরিক মিলনমেলায় সৃষ্টি হয় আনন্দঘন পরিবেশ।
আয়োজকরা বলেন, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে দেশের শেকড়ের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।
মেজবানের আয়োজনে দীর্ঘদিন পর পরিচিতজনদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় অনেকের মধ্যে তৈরি হয় আবেগঘন মুহূর্ত। খাবারের পাশাপাশি আড্ডা ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের মধ্য দিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পারস্পরিক সম্পর্কও আরও সুদৃঢ় হয়।
বিএএসজের সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক জাকিরুল ইসলাম খোকা এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি আব্দুর রফিক মেজবানে অংশগ্রহণ ও আয়োজন সফল করতে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশ কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এ মেজবানকে ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। রান্নার আয়োজন থেকে শুরু করে অতিথি আপ্যায়ন—সব মিলিয়ে কমিউনিটি সেন্টারজুড়ে ছিল প্রাণচাঞ্চল্য। ঐতিহ্যবাহী মেজবানি খাবারের ঘ্রাণে যেন প্রবাসের মাটিতেই ফিরে আসে বাংলাদেশের চেনা আবহ।
আটলান্টিক সিটি ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে মেজবানে অংশ নেন। খাবারের পাশাপাশি চলে গল্প, আড্ডা ও শুভেচ্ছা বিনিময়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় ও মূলধারার রাজনৈতিক নেতারাও অংশ নেন।
প্রবাসে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী মেজবানের এমন আয়োজনকে ঘিরে বাংলাদেশ কমিউনিটি সেন্টার পরিণত হয় এক টুকরো বাংলাদেশে। মেজবানি খাবারের স্বাদ, মানুষের উচ্ছ্বাস ও আন্তরিক মিলনমেলায় সৃষ্টি হয় আনন্দঘন পরিবেশ।
আয়োজকরা বলেন, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে দেশের শেকড়ের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।
মেজবানের আয়োজনে দীর্ঘদিন পর পরিচিতজনদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় অনেকের মধ্যে তৈরি হয় আবেগঘন মুহূর্ত। খাবারের পাশাপাশি আড্ডা ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের মধ্য দিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পারস্পরিক সম্পর্কও আরও সুদৃঢ় হয়।
বিএএসজের সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক জাকিরুল ইসলাম খোকা এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি আব্দুর রফিক মেজবানে অংশগ্রহণ ও আয়োজন সফল করতে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।