ওয়ারেন, ৭ অক্টোবর: মর্টগেজ জালিয়াতি ও মিথ্যা ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের দায়ে ওয়ারেনের এক নারীকে ৫১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মিশিগানের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় জানিয়েছে, সোমবার ওয়েইন কাউন্টি সার্কিট কোর্টের একজন বিচারক রবিন ইয়াংকে এ সাজা দেন।
আদালতের নথি অনুযায়ী, ইয়াংকে ২০১৯ মডেলের একটি বিএমডব্লিউ এক্স৪ গাড়ি এবং ওয়ারেনে অবস্থিত একটি বাড়ি সমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৫২ বছর বয়সী ইয়াং ট্যাক্স রিফান্ড হিসেবে পাওয়া অর্থ দিয়ে বাড়িটি কিনেছিলেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গাড়ি ও বাড়িটি বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ ক্ষতিপূরণ ও বকেয়া পরিশোধে ব্যবহার করা হবে।
ইয়াং অভিযোগের বিষয়ে দোষ স্বীকার করার পর মিশিগানের অ্যাটর্নি জেনারেল ডানা নেসেল এক বিবৃতিতে বলেন, “আমার কার্যালয়ের প্রসিকিউটরদের নিয়ে আমি গর্বিত, যারা এমন একজনকে বিচারের আওতায় এনেছেন, যিনি ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের ট্যাক্স রিটার্ন ব্যবস্থায় কারচুপি করেছেন।”
তিনি বলেন, কর ও মর্টগেজ জালিয়াতি জনসেবার জন্য বরাদ্দ সময় ও সম্পদের অপচয় করে এবং মিশিগানের কঠোর পরিশ্রমী ও আইন মেনে চলা বাসিন্দাদের ক্ষতিগ্রস্ত করে। এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ট্রেজারি বিভাগের সঙ্গে কাজ করে যাবে বলেও তিনি জানান।
বুধবার এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য ইয়াংয়ের আইনজীবী অ্যাডাম ক্লিমেন্টসের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
মামলাটি যেভাবে এগিয়েছে
কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ২০২৪ সালে ইয়াং ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে একটি ভুয়া ‘মিশিগান ইন্ডিভিজুয়াল ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন’ (ব্যক্তিগত আয়কর বিবরণী) দাখিল করেন। এতে তিনি ৩ লাখ ৭৪ হাজার ডলারের বেশি কর ফেরত পাওয়ার মিথ্যা দাবি করেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, পরে ইয়াং কর ফেরত হিসেবে পাওয়া অর্থের মধ্যে ১ লাখ ডলারের বেশি দিয়ে একটি বাড়ি কেনেন। তদন্তকারীরা জানান, বাড়িটির মর্টগেজ আবেদনের সময় ঋণদাতাদের কাছে অর্থের উৎস সম্পর্কে তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন।
প্রসিকিউটররা গত মে মাসে ইয়াংয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। আগস্টে তিনি ১ লাখ ডলারের বেশি মূল্যের আবাসিক মর্টগেজ জালিয়াতি, অপরাধ সংঘটনে কম্পিউটার ব্যবহারের পাশাপাশি মিথ্যা ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন।
আবাসিক মর্টগেজ জালিয়াতির অভিযোগে তার সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড, অপরাধ সংঘটনে কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য সর্বোচ্চ ২০ বছর এবং মিথ্যা ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হতে পারত।
Source & Photo: http://detroitnews.com
মিশিগানের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় জানিয়েছে, সোমবার ওয়েইন কাউন্টি সার্কিট কোর্টের একজন বিচারক রবিন ইয়াংকে এ সাজা দেন।
আদালতের নথি অনুযায়ী, ইয়াংকে ২০১৯ মডেলের একটি বিএমডব্লিউ এক্স৪ গাড়ি এবং ওয়ারেনে অবস্থিত একটি বাড়ি সমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৫২ বছর বয়সী ইয়াং ট্যাক্স রিফান্ড হিসেবে পাওয়া অর্থ দিয়ে বাড়িটি কিনেছিলেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গাড়ি ও বাড়িটি বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ ক্ষতিপূরণ ও বকেয়া পরিশোধে ব্যবহার করা হবে।
ইয়াং অভিযোগের বিষয়ে দোষ স্বীকার করার পর মিশিগানের অ্যাটর্নি জেনারেল ডানা নেসেল এক বিবৃতিতে বলেন, “আমার কার্যালয়ের প্রসিকিউটরদের নিয়ে আমি গর্বিত, যারা এমন একজনকে বিচারের আওতায় এনেছেন, যিনি ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের ট্যাক্স রিটার্ন ব্যবস্থায় কারচুপি করেছেন।”
তিনি বলেন, কর ও মর্টগেজ জালিয়াতি জনসেবার জন্য বরাদ্দ সময় ও সম্পদের অপচয় করে এবং মিশিগানের কঠোর পরিশ্রমী ও আইন মেনে চলা বাসিন্দাদের ক্ষতিগ্রস্ত করে। এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ট্রেজারি বিভাগের সঙ্গে কাজ করে যাবে বলেও তিনি জানান।
বুধবার এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য ইয়াংয়ের আইনজীবী অ্যাডাম ক্লিমেন্টসের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
মামলাটি যেভাবে এগিয়েছে
কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ২০২৪ সালে ইয়াং ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে একটি ভুয়া ‘মিশিগান ইন্ডিভিজুয়াল ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন’ (ব্যক্তিগত আয়কর বিবরণী) দাখিল করেন। এতে তিনি ৩ লাখ ৭৪ হাজার ডলারের বেশি কর ফেরত পাওয়ার মিথ্যা দাবি করেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, পরে ইয়াং কর ফেরত হিসেবে পাওয়া অর্থের মধ্যে ১ লাখ ডলারের বেশি দিয়ে একটি বাড়ি কেনেন। তদন্তকারীরা জানান, বাড়িটির মর্টগেজ আবেদনের সময় ঋণদাতাদের কাছে অর্থের উৎস সম্পর্কে তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন।
প্রসিকিউটররা গত মে মাসে ইয়াংয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। আগস্টে তিনি ১ লাখ ডলারের বেশি মূল্যের আবাসিক মর্টগেজ জালিয়াতি, অপরাধ সংঘটনে কম্পিউটার ব্যবহারের পাশাপাশি মিথ্যা ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন।
আবাসিক মর্টগেজ জালিয়াতির অভিযোগে তার সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড, অপরাধ সংঘটনে কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য সর্বোচ্চ ২০ বছর এবং মিথ্যা ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হতে পারত।
Source & Photo: http://detroitnews.com