হ্যামট্রাম্যাক, ২০ অক্টোবর: শারদীয় দুর্গাপূজার আজ বিজয়া দশমী। প্রতিমা নিরঞ্জনের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের। পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেবী দুর্গার বিদায়বেলায় ভক্তদের হৃদয়ে বাজবে বিষাদের সুর। আবারও একটি বছরের অপেক্ষায় থাকবেন মিশিগানের প্রবাসী বাঙালিরা।
গতকাল সোমবার সকালে কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয় মহানবমীর আনুষ্ঠানিকতা। পূজা শেষে ভক্তরা দেবীর চরণে অঞ্জলি নিবেদন করেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মিশিগানের বিভিন্ন মন্দিরে ভক্তদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পূজামণ্ডপ। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ছিল আরতি, নাচ, গান, ধামাইল ও নাটকসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
এসব আয়োজনে অংশ নেন স্থানীয় শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা। পূজা উপলক্ষে প্রবাসী বাঙালিদের মিলনমেলায় পরিণত হয় মন্দির প্রাঙ্গণ।

দেবীবন্দনা, আরাধনা আর সাংস্কৃতিক আয়োজনে মন্দিরগুলোতে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের বাইরে পরিবার-পরিজন ও পরিচিতজনদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগে দুর্গোৎসব হয়ে ওঠে বাঙালির মিলনমেলায়। পূজার আনন্দ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আর পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র।
তবে উৎসবের শেষলগ্নে আনন্দের পাশাপাশি ভক্তদের মনে ভর করে দেবীকে বিদায়ের আবেগ। ঢাকের বাদ্য, ধূপের সুবাস আর দেবীর বন্দনায় মুখর পূজামণ্ডপে একদিকে যেমন ছিল উৎসবের উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে তেমনি অনুভূত হয়েছে বিদায়ের সুর।

আজ বিজয়া দশমী উপলক্ষে মিশিগানের বিভিন্ন মন্দিরে রয়েছে নানা ধর্মীয় ও আনুষ্ঠানিক আয়োজন। সিঁদুর খেলা, শান্তির জল গ্রহণ, প্রশস্তি বন্ধন ও ধুনুচি নাচের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাবেন ভক্তরা। পাশাপাশি বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় ও মিষ্টিমুখের মাধ্যমে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেবেন তাঁরা।
প্রতিমা নিরঞ্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব। উৎসবের আনন্দঘন স্মৃতি ও সম্প্রীতির বন্ধন সঙ্গে নিয়ে আগামী বছরের দুর্গাপূজার অপেক্ষায় থাকবেন মিশিগানের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
গতকাল সোমবার সকালে কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয় মহানবমীর আনুষ্ঠানিকতা। পূজা শেষে ভক্তরা দেবীর চরণে অঞ্জলি নিবেদন করেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মিশিগানের বিভিন্ন মন্দিরে ভক্তদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পূজামণ্ডপ। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ছিল আরতি, নাচ, গান, ধামাইল ও নাটকসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
এসব আয়োজনে অংশ নেন স্থানীয় শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা। পূজা উপলক্ষে প্রবাসী বাঙালিদের মিলনমেলায় পরিণত হয় মন্দির প্রাঙ্গণ।

দেবীবন্দনা, আরাধনা আর সাংস্কৃতিক আয়োজনে মন্দিরগুলোতে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের বাইরে পরিবার-পরিজন ও পরিচিতজনদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগে দুর্গোৎসব হয়ে ওঠে বাঙালির মিলনমেলায়। পূজার আনন্দ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আর পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র।
তবে উৎসবের শেষলগ্নে আনন্দের পাশাপাশি ভক্তদের মনে ভর করে দেবীকে বিদায়ের আবেগ। ঢাকের বাদ্য, ধূপের সুবাস আর দেবীর বন্দনায় মুখর পূজামণ্ডপে একদিকে যেমন ছিল উৎসবের উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে তেমনি অনুভূত হয়েছে বিদায়ের সুর।

আজ বিজয়া দশমী উপলক্ষে মিশিগানের বিভিন্ন মন্দিরে রয়েছে নানা ধর্মীয় ও আনুষ্ঠানিক আয়োজন। সিঁদুর খেলা, শান্তির জল গ্রহণ, প্রশস্তি বন্ধন ও ধুনুচি নাচের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাবেন ভক্তরা। পাশাপাশি বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় ও মিষ্টিমুখের মাধ্যমে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেবেন তাঁরা।
প্রতিমা নিরঞ্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব। উৎসবের আনন্দঘন স্মৃতি ও সম্প্রীতির বন্ধন সঙ্গে নিয়ে আগামী বছরের দুর্গাপূজার অপেক্ষায় থাকবেন মিশিগানের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।