ঝং জিয়াং/Michigan State Police
এসকানাবা, ২২ অক্টোবর : মিশিগানের আপার পেনিনসুলার এক বাসিন্দার কাছ থেকে ৬ লাখ ডলারের বেশি অর্থ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ইলিনয়ের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
মিশিগান স্টেট পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার এসকানাবার ৯৪তম ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে ঝং জিয়াংকে হাজির করা হয়। ইলিনয়ের অরল্যান্ড হিলসের ৩৪ বছর বয়সী এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১ লাখ ডলার বা তার বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
আদালত তাঁর জামিনের পরিমাণ ৪ লাখ ডলার নির্ধারণ করেছেন। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ২৯ অক্টোবর।
প্রতারণাটি যেভাবে ঘটেছে
কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, জিয়াং এসকানাবার এক বাসিন্দার কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ৬ লাখ ৬৫ হাজার ডলার হাতিয়ে নিয়েছেন। মিশিগান স্টেট পুলিশ জানায়, গত জুলাইয়ে বিটকয়েনে বিনিয়োগের নামে কয়েক লাখ ডলার প্রতারণার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেন ওই ব্যক্তি। এরপর গোয়েন্দারা তদন্ত শুরু করেন।
তদন্তকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী পুলিশকে জানিয়েছেন, ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগের বিষয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছিল। ওই ব্যক্তির সঙ্গে তিনি অন্তত একবার সরাসরি দেখা করেন এবং নগদ ৫ লাখ ডলারের বেশি অর্থ দেন। এ ছাড়া, ওই ব্যক্তির দেওয়া অন্য একটি অঙ্গরাজ্যের ঠিকানায় ফেডেক্সের (FedEx) মাধ্যমে আরও ১ লাখ ৬৫ হাজার ডলার পাঠান।
তদন্তের একপর্যায়ে গোয়েন্দারা জানতে পারেন, কথিত বিনিয়োগকারী কোনো বৈধ ব্রোকার নন। পরে তাঁকে ঝং জিয়াং হিসেবে শনাক্ত করা হয়।
মিশিগান স্টেট পুলিশ আরও জানিয়েছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি অন্য এলাকাতেও একই ধরনের অপরাধে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের যোগসূত্র থাকতে পারে বলেও ধারণা করছেন তদন্তকারীরা।
মিশিগান স্টেট পুলিশের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট বেন একোলা এক বিবৃতিতে বলেন, তদন্তে গোয়েন্দা, পুলিশ সদস্য এবং সহযোগীদের ভূমিকা প্রশংসনীয়। তবে এ ধরনের প্রতারণা যেকোনো জায়গায় ঘটতে পারে এবং যে কেউ এর শিকার হতে পারেন।
তিনি বলেন, কোনো আর্থিক লেনদেনের বৈধতা নিয়ে সন্দেহ থাকলে অর্থ পাঠানোর আগে স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। এ ধরনের প্রতারণা প্রতিরোধে পুলিশ তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করতে প্রস্তুত।
মিশিগানে প্রতারণার ঘটনা
মিশিগানে সাম্প্রতিক সময়ে প্রতারণার একাধিক ঘটনায় সাজা ঘোষণার ধারাবাহিকতায় এ মামলাটি সামনে এসেছে। গত সপ্তাহে ওয়েস্ট মিশিগানের এক বাসিন্দাসহ বহু মানুষের সঙ্গে প্রতারণার দায়ে দোষী সাব্যস্ত এক জ্যামাইকান নাগরিককে ৭২ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
একই সপ্তাহে, ডেট্রয়েটের এক ফেডারেল বিচারক প্রতারণার দায়ে দোষী সাব্যস্ত এফবিআইয়ের সাবেক এক এজেন্টকে ৭১ মাসের কারাদণ্ড দেন।
এ ছাড়া, চলতি মাসের শুরুতে মর্টগেজ জালিয়াতি ও মিথ্যা আয়কর রিটার্ন দাখিলের দায়ে দোষী সাব্যস্ত ওয়ারেনের এক নারীকে ৫১ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
Source & Photo: http://detroitnews.com
এসকানাবা, ২২ অক্টোবর : মিশিগানের আপার পেনিনসুলার এক বাসিন্দার কাছ থেকে ৬ লাখ ডলারের বেশি অর্থ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ইলিনয়ের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
মিশিগান স্টেট পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার এসকানাবার ৯৪তম ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে ঝং জিয়াংকে হাজির করা হয়। ইলিনয়ের অরল্যান্ড হিলসের ৩৪ বছর বয়সী এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১ লাখ ডলার বা তার বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
আদালত তাঁর জামিনের পরিমাণ ৪ লাখ ডলার নির্ধারণ করেছেন। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ২৯ অক্টোবর।
প্রতারণাটি যেভাবে ঘটেছে
কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, জিয়াং এসকানাবার এক বাসিন্দার কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ৬ লাখ ৬৫ হাজার ডলার হাতিয়ে নিয়েছেন। মিশিগান স্টেট পুলিশ জানায়, গত জুলাইয়ে বিটকয়েনে বিনিয়োগের নামে কয়েক লাখ ডলার প্রতারণার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেন ওই ব্যক্তি। এরপর গোয়েন্দারা তদন্ত শুরু করেন।
তদন্তকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী পুলিশকে জানিয়েছেন, ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগের বিষয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছিল। ওই ব্যক্তির সঙ্গে তিনি অন্তত একবার সরাসরি দেখা করেন এবং নগদ ৫ লাখ ডলারের বেশি অর্থ দেন। এ ছাড়া, ওই ব্যক্তির দেওয়া অন্য একটি অঙ্গরাজ্যের ঠিকানায় ফেডেক্সের (FedEx) মাধ্যমে আরও ১ লাখ ৬৫ হাজার ডলার পাঠান।
তদন্তের একপর্যায়ে গোয়েন্দারা জানতে পারেন, কথিত বিনিয়োগকারী কোনো বৈধ ব্রোকার নন। পরে তাঁকে ঝং জিয়াং হিসেবে শনাক্ত করা হয়।
মিশিগান স্টেট পুলিশ আরও জানিয়েছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি অন্য এলাকাতেও একই ধরনের অপরাধে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের যোগসূত্র থাকতে পারে বলেও ধারণা করছেন তদন্তকারীরা।
মিশিগান স্টেট পুলিশের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট বেন একোলা এক বিবৃতিতে বলেন, তদন্তে গোয়েন্দা, পুলিশ সদস্য এবং সহযোগীদের ভূমিকা প্রশংসনীয়। তবে এ ধরনের প্রতারণা যেকোনো জায়গায় ঘটতে পারে এবং যে কেউ এর শিকার হতে পারেন।
তিনি বলেন, কোনো আর্থিক লেনদেনের বৈধতা নিয়ে সন্দেহ থাকলে অর্থ পাঠানোর আগে স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। এ ধরনের প্রতারণা প্রতিরোধে পুলিশ তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করতে প্রস্তুত।
মিশিগানে প্রতারণার ঘটনা
মিশিগানে সাম্প্রতিক সময়ে প্রতারণার একাধিক ঘটনায় সাজা ঘোষণার ধারাবাহিকতায় এ মামলাটি সামনে এসেছে। গত সপ্তাহে ওয়েস্ট মিশিগানের এক বাসিন্দাসহ বহু মানুষের সঙ্গে প্রতারণার দায়ে দোষী সাব্যস্ত এক জ্যামাইকান নাগরিককে ৭২ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
একই সপ্তাহে, ডেট্রয়েটের এক ফেডারেল বিচারক প্রতারণার দায়ে দোষী সাব্যস্ত এফবিআইয়ের সাবেক এক এজেন্টকে ৭১ মাসের কারাদণ্ড দেন।
এ ছাড়া, চলতি মাসের শুরুতে মর্টগেজ জালিয়াতি ও মিথ্যা আয়কর রিটার্ন দাখিলের দায়ে দোষী সাব্যস্ত ওয়ারেনের এক নারীকে ৫১ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
Source & Photo: http://detroitnews.com