ল্যান্সিং, ১ নভেম্বর : মিশিগানের গভর্নর গ্রেচেন হুইটমারের গত আট বছরের কার্যকালকে ৫৩ শতাংশ ভোটার ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেছেন, বিপরীতে ৪৩ শতাংশ ভোটার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অর্থাৎ তাঁর পক্ষে ও বিপক্ষে জনমতের ব্যবধান ১০ শতাংশ পয়েন্ট। ২০১৮ ও ২০২২ সালের নির্বাচনে তাঁর জয়ের ব্যবধানও ছিল প্রায় একই।
রাজনৈতিক মতাদর্শ অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাট সমর্থকদের মধ্যে হুইটমারের গ্রহণযোগ্যতার হার সবচেয়ে বেশি। দৃঢ়ভাবে ডেমোক্র্যাট সমর্থন করেন এমন ভোটারদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ৮৮ শতাংশ এবং এবং কিছুটা ডেমোক্র্যাট সমর্থন করেন এমন ভোটারদের মধ্যে ৯৫ শতাংশ।। স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যে এ হার ৫৯ শতাংশ। অন্যদিকে, দৃঢ়ভাবে রিপাবলিকান সমর্থকদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা মাত্র ১০ শতাংশ এবং কিছুটা রিপাবলিকান সমর্থকদের মধ্যে ২১ শতাংশ।
জনমত জরিপ বিশেষজ্ঞ রিচার্ড জুবা জানান, হুইটমারের আগে দায়িত্ব পালন করা পাঁচ গভর্নর—রিক স্নাইডার, জেনিফার গ্র্যানহোম, জন এংলার, জিম ব্ল্যানচার্ড ও উইলিয়াম মিলিকেন—কেউই ৫০ শতাংশের বেশি জনসমর্থন নিয়ে দায়িত্ব ছাড়তে পারেননি।
জুবা বলেন, “সত্যি বলতে, এত বেশি জনপ্রিয়তা নিয়ে দায়িত্ব থেকে বিদায় নেওয়া অত্যন্ত বিরল ঘটনা।”
তবে ‘দ্য নিউজ-ডব্লিউডিআইভি’ (The News-WDIV)-এর জরিপে মিশিগানের সড়কব্যবস্থা নিয়ে ভোটারদের ভিন্ন মনোভাব উঠে এসেছে। জরিপে মাত্র ৩৪ শতাংশ ভোটার মনে করেন, হুইটমারের আট বছরের শাসনামলে রাস্তার অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বিপরীতে ১৭ শতাংশ মনে করেন, পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। আর ৪৫ শতাংশ ভোটারের মতে, রাস্তার অবস্থা আগের মতোই রয়েছে।
নির্বাচনের আগে নির্দিষ্ট সময়ে নেওয়া এই জনমত জরিপের ফল রাজ্যের ‘ট্রান্সপোর্টেশন অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কাউন্সিল’ (TAMC)-এর পরিসংখ্যানের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। রাজ্যের এই সংস্থাটি বিভিন্ন প্রশাসনের সময়ে সড়কের পিচ বা অ্যাসফল্টের অবস্থা মূল্যায়ন করে থাকে।
TAMC-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে হুইটমারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম বছরে মিশিগানের ৪২ শতাংশ রাস্তা ছিল খারাপ অবস্থায়। ২০২৫ সালে তা কমে ৩৩ শতাংশে নেমে আসে। একই সময়ে ভালো অবস্থায় থাকা রাস্তার হার ২২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৭ শতাংশে উন্নীত হয়।
হুইটমারের কার্যালয় জানিয়েছে, গভর্নর সব সময় ‘মিশিগানকে সবার আগে’ রেখেছেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে সবার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ছিলেন।
গভর্নরের প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা কাইলি হ্যানসন বলেন, “সব সময়ই আরও কাজ করার সুযোগ থাকে। পরবর্তী প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে তিনি আগ্রহী, যাতে মিশিগানকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তোলা যায়।”
২০১৮ সালে ‘রাস্তাঘাটগুলো ঠিক করতেই হবে’ (Fix the Damn Roads) স্লোগান দিয়ে প্রথমবারের মতো গভর্নর নির্বাচিত হন হুইটমার। তবে মিশিগানের জরাজীর্ণ সড়ক ও অবকাঠামো সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করতে তাঁকে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়।
২০১৯ সালে সড়ক সংস্কারের ব্যয় মেটাতে গ্যালনপ্রতি ৪৫ সেন্ট গ্যাস কর আরোপের প্রস্তাব দিয়েছিলেন হুইটমার। তবে তাঁর নিজের দলের আইনপ্রণেতাদের কাছেও প্রস্তাবটি গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। পরবর্তী সময়ে ২০২০ সালে তাঁর প্রশাসন সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার প্রকল্পের জন্য ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের বন্ড ইস্যু করে। এর ফলে তাঁর শাসনামলে কয়েক বছর ধরে গ্রীষ্মকালজুড়ে বিভিন্ন মহাসড়ক পুনর্নির্মাণের কাজ চালানো সম্ভব হয়।
গত বছর হুইটমার এবং রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত হাউস ও ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত সিনেটের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে সড়ক সংস্কারের জন্য একটি অর্থায়ন পরিকল্পনা পাস হয়। পরিকল্পনার একটি অংশে গাঁজার পাইকারি বিক্রির ওপর কর আরোপের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে এ কর আরোপ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। এখন পর্যন্ত এ খাত থেকে আদায় হওয়া রাজস্বের পরিমাণও প্রত্যাশার তুলনায় কম হয়েছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com
রাজনৈতিক মতাদর্শ অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাট সমর্থকদের মধ্যে হুইটমারের গ্রহণযোগ্যতার হার সবচেয়ে বেশি। দৃঢ়ভাবে ডেমোক্র্যাট সমর্থন করেন এমন ভোটারদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ৮৮ শতাংশ এবং এবং কিছুটা ডেমোক্র্যাট সমর্থন করেন এমন ভোটারদের মধ্যে ৯৫ শতাংশ।। স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যে এ হার ৫৯ শতাংশ। অন্যদিকে, দৃঢ়ভাবে রিপাবলিকান সমর্থকদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা মাত্র ১০ শতাংশ এবং কিছুটা রিপাবলিকান সমর্থকদের মধ্যে ২১ শতাংশ।
জনমত জরিপ বিশেষজ্ঞ রিচার্ড জুবা জানান, হুইটমারের আগে দায়িত্ব পালন করা পাঁচ গভর্নর—রিক স্নাইডার, জেনিফার গ্র্যানহোম, জন এংলার, জিম ব্ল্যানচার্ড ও উইলিয়াম মিলিকেন—কেউই ৫০ শতাংশের বেশি জনসমর্থন নিয়ে দায়িত্ব ছাড়তে পারেননি।
জুবা বলেন, “সত্যি বলতে, এত বেশি জনপ্রিয়তা নিয়ে দায়িত্ব থেকে বিদায় নেওয়া অত্যন্ত বিরল ঘটনা।”
তবে ‘দ্য নিউজ-ডব্লিউডিআইভি’ (The News-WDIV)-এর জরিপে মিশিগানের সড়কব্যবস্থা নিয়ে ভোটারদের ভিন্ন মনোভাব উঠে এসেছে। জরিপে মাত্র ৩৪ শতাংশ ভোটার মনে করেন, হুইটমারের আট বছরের শাসনামলে রাস্তার অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বিপরীতে ১৭ শতাংশ মনে করেন, পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। আর ৪৫ শতাংশ ভোটারের মতে, রাস্তার অবস্থা আগের মতোই রয়েছে।
নির্বাচনের আগে নির্দিষ্ট সময়ে নেওয়া এই জনমত জরিপের ফল রাজ্যের ‘ট্রান্সপোর্টেশন অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কাউন্সিল’ (TAMC)-এর পরিসংখ্যানের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। রাজ্যের এই সংস্থাটি বিভিন্ন প্রশাসনের সময়ে সড়কের পিচ বা অ্যাসফল্টের অবস্থা মূল্যায়ন করে থাকে।
TAMC-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে হুইটমারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম বছরে মিশিগানের ৪২ শতাংশ রাস্তা ছিল খারাপ অবস্থায়। ২০২৫ সালে তা কমে ৩৩ শতাংশে নেমে আসে। একই সময়ে ভালো অবস্থায় থাকা রাস্তার হার ২২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৭ শতাংশে উন্নীত হয়।
হুইটমারের কার্যালয় জানিয়েছে, গভর্নর সব সময় ‘মিশিগানকে সবার আগে’ রেখেছেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে সবার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ছিলেন।
গভর্নরের প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা কাইলি হ্যানসন বলেন, “সব সময়ই আরও কাজ করার সুযোগ থাকে। পরবর্তী প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে তিনি আগ্রহী, যাতে মিশিগানকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তোলা যায়।”
২০১৮ সালে ‘রাস্তাঘাটগুলো ঠিক করতেই হবে’ (Fix the Damn Roads) স্লোগান দিয়ে প্রথমবারের মতো গভর্নর নির্বাচিত হন হুইটমার। তবে মিশিগানের জরাজীর্ণ সড়ক ও অবকাঠামো সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করতে তাঁকে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়।
২০১৯ সালে সড়ক সংস্কারের ব্যয় মেটাতে গ্যালনপ্রতি ৪৫ সেন্ট গ্যাস কর আরোপের প্রস্তাব দিয়েছিলেন হুইটমার। তবে তাঁর নিজের দলের আইনপ্রণেতাদের কাছেও প্রস্তাবটি গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। পরবর্তী সময়ে ২০২০ সালে তাঁর প্রশাসন সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার প্রকল্পের জন্য ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের বন্ড ইস্যু করে। এর ফলে তাঁর শাসনামলে কয়েক বছর ধরে গ্রীষ্মকালজুড়ে বিভিন্ন মহাসড়ক পুনর্নির্মাণের কাজ চালানো সম্ভব হয়।
গত বছর হুইটমার এবং রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত হাউস ও ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত সিনেটের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে সড়ক সংস্কারের জন্য একটি অর্থায়ন পরিকল্পনা পাস হয়। পরিকল্পনার একটি অংশে গাঁজার পাইকারি বিক্রির ওপর কর আরোপের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে এ কর আরোপ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। এখন পর্যন্ত এ খাত থেকে আদায় হওয়া রাজস্বের পরিমাণও প্রত্যাশার তুলনায় কম হয়েছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com