ডেট্রয়েট, ৪ নভেম্বর : ঐতিহাসিক জয়ের মধ্য দিয়ে মিশিগানের মার্কিন সিনেট আসনে নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আব্দুল আল-সায়েদ। তিনি পরাজিত করেছেন রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে। ২০২৬ সালের নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাল শেষ পর্বের পর দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ভোট গণনা শেষে আল-সায়েদ পেয়েছেন ৫২ শতাংশ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রজার্স পেয়েছেন ৪৬ শতাংশ।
অ্যান আরবারের বাসিন্দা ৪২ বছর বয়সী আল-সায়েদই প্রথম মুসলিম ব্যক্তি, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে নির্বাচিত হলেন। বুধবার ভোর ২টার ঠিক আগে ডেট্রয়েটে সমবেত সমর্থকদের উদ্দেশে আল-সায়েদ বলেন, “মিশিগান, আমরা পেরেছি! আমরা প্রমাণ করেছি, অর্থশক্তি বনাম সাধারণ মানুষের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষই জয়ী হতে পারে।” দ্য ডেট্রয়েট নিউজ জানিয়েছে, ‘ডিসিশন ডেস্ক এইচকিউ’ (Decision Desk HQ) ও ফক্স নিউজ—উভয় সংবাদমাধ্যমই আল-সায়েদের জয় নিশ্চিত বলে ঘোষণা করেছে।
ডেট্রয়েটের কেন্দ্রস্থলে ‘দ্য ডিপার্টমেন্ট অ্যাট হাডসনস’-এ সমবেত ডেমোক্র্যাট সমর্থকদের উদ্দেশে আল-সায়েদ বলেন, “অনেকেই হয়তো আমার নাম ও ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কিন্তু আমরা সবাই জানি, আমার নাম বা ধর্ম—কোনোটিই আপনাদের জ্বালানি কেনার সামর্থ্য না থাকা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হিমশিম খাওয়া কিংবা চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সুযোগ না পাওয়ার কারণ নয়।”
জাতীয় পর্যায়ে চলমান রাজনৈতিক লড়াইয়ের একটি প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে এই নির্বাচন। চলতি শরতের মধ্যবর্তী নির্বাচনে (মিডটার্ম) এর প্রতিফলন স্পষ্ট। অনেকেই এই নির্বাচনকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের ওপর এক ধরনের পরোক্ষ গণভোট এবং সাধারণ পরিবারগুলোর ওপর ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।
দুই সন্তানের জনক এল-সায়েদ মিশরীয় অভিবাসী পরিবারের সন্তান। তিনি ডেট্রয়েট ও ওয়েইন কাউন্টির সাবেক জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা। মার্কিন রাজনীতিতে করপোরেট প্রভাবের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত এল-সায়েদ শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর শক্তি বাড়ানো এবং ‘মেডিকেয়ার ফর অল’ (সবার জন্য মেডিকেয়ার) নামে পরিচিত সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা চালুর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
৬৩ বছর বয়সী রজার্স হোয়াইট লেক টাউনশিপের বাসিন্দা। তিনি সাত মেয়াদে দায়িত্ব পালন করা সাবেক কংগ্রেস সদস্য এবং প্রতিনিধি পরিষদের গোয়েন্দাবিষয়ক প্যানেলের সাবেক চেয়ারম্যান। তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় জ্বালানি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও প্রেসক্রিপশন ওষুধের ব্যয় কমানো, মিশিগানে উৎপাদনশিল্প ফিরিয়ে আনা এবং শিক্ষাক্ষেত্রে ‘মতাদর্শগত দীক্ষা’র (Indoctrination) পরিবর্তে প্রকৃত শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছিল।
দুজনেই মিশিগানের সেই মার্কিন সিনেট আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, যা ২০১৫ সাল থেকে ডেমোক্র্যাট সিনেটর গ্যারি পিটার্স (ব্লুমফিল্ড টাউনশিপ) প্রতিনিধিত্ব করে আসছিলেন। তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পিটার্স।
Source & Photo: http://detroitnews.com
অ্যান আরবারের বাসিন্দা ৪২ বছর বয়সী আল-সায়েদই প্রথম মুসলিম ব্যক্তি, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে নির্বাচিত হলেন। বুধবার ভোর ২টার ঠিক আগে ডেট্রয়েটে সমবেত সমর্থকদের উদ্দেশে আল-সায়েদ বলেন, “মিশিগান, আমরা পেরেছি! আমরা প্রমাণ করেছি, অর্থশক্তি বনাম সাধারণ মানুষের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষই জয়ী হতে পারে।” দ্য ডেট্রয়েট নিউজ জানিয়েছে, ‘ডিসিশন ডেস্ক এইচকিউ’ (Decision Desk HQ) ও ফক্স নিউজ—উভয় সংবাদমাধ্যমই আল-সায়েদের জয় নিশ্চিত বলে ঘোষণা করেছে।
ডেট্রয়েটের কেন্দ্রস্থলে ‘দ্য ডিপার্টমেন্ট অ্যাট হাডসনস’-এ সমবেত ডেমোক্র্যাট সমর্থকদের উদ্দেশে আল-সায়েদ বলেন, “অনেকেই হয়তো আমার নাম ও ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কিন্তু আমরা সবাই জানি, আমার নাম বা ধর্ম—কোনোটিই আপনাদের জ্বালানি কেনার সামর্থ্য না থাকা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হিমশিম খাওয়া কিংবা চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সুযোগ না পাওয়ার কারণ নয়।”
জাতীয় পর্যায়ে চলমান রাজনৈতিক লড়াইয়ের একটি প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে এই নির্বাচন। চলতি শরতের মধ্যবর্তী নির্বাচনে (মিডটার্ম) এর প্রতিফলন স্পষ্ট। অনেকেই এই নির্বাচনকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের ওপর এক ধরনের পরোক্ষ গণভোট এবং সাধারণ পরিবারগুলোর ওপর ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।
দুই সন্তানের জনক এল-সায়েদ মিশরীয় অভিবাসী পরিবারের সন্তান। তিনি ডেট্রয়েট ও ওয়েইন কাউন্টির সাবেক জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা। মার্কিন রাজনীতিতে করপোরেট প্রভাবের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত এল-সায়েদ শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর শক্তি বাড়ানো এবং ‘মেডিকেয়ার ফর অল’ (সবার জন্য মেডিকেয়ার) নামে পরিচিত সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা চালুর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
৬৩ বছর বয়সী রজার্স হোয়াইট লেক টাউনশিপের বাসিন্দা। তিনি সাত মেয়াদে দায়িত্ব পালন করা সাবেক কংগ্রেস সদস্য এবং প্রতিনিধি পরিষদের গোয়েন্দাবিষয়ক প্যানেলের সাবেক চেয়ারম্যান। তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় জ্বালানি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও প্রেসক্রিপশন ওষুধের ব্যয় কমানো, মিশিগানে উৎপাদনশিল্প ফিরিয়ে আনা এবং শিক্ষাক্ষেত্রে ‘মতাদর্শগত দীক্ষা’র (Indoctrination) পরিবর্তে প্রকৃত শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছিল।
দুজনেই মিশিগানের সেই মার্কিন সিনেট আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, যা ২০১৫ সাল থেকে ডেমোক্র্যাট সিনেটর গ্যারি পিটার্স (ব্লুমফিল্ড টাউনশিপ) প্রতিনিধিত্ব করে আসছিলেন। তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পিটার্স।
Source & Photo: http://detroitnews.com