সিলেট, ৪ নভেম্বর: যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য লন্ডন সাউথ ব্যাংক ইউনিভার্সিটি (London South Bank University—LSBU) থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে সম্মানসহ স্নাতক (BSc Honours) ডিগ্রি অর্জন করেছেন চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দমদমা গ্রামের কৃতী সন্তান তিরোনা বড়ুয়া স্বল্পা। গত ২ নভেম্বর লন্ডনে বিশ্ববিদ্যালয়ের Autumn Graduation Ceremony 2026-এ অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ শিক্ষাগত অর্জন উদ্যাপন করেন তিনি। দীর্ঘদিনের অধ্যবসায়, নিষ্ঠা ও নিরলস প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে অর্জিত এ সাফল্য তাঁর শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
তিরোনা বড়ুয়া স্বল্পা ত্রিপিটক রিসার্চ সোসাইটির সভাপতি, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সমাজসেবক লায়ন তমাল কান্তি বড়ুয়া এবং সিনিয়র অ্যাকাউন্ট্যান্ট সুমিতা বড়ুয়া (সুমি)-এর জ্যেষ্ঠ কন্যা। শৈশব থেকেই মেধাবী ও শিক্ষানুরাগী তিরোনা উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। সেখানে কম্পিউটার সায়েন্সের মতো আধুনিক ও সম্ভাবনাময় বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে সম্মানজনক স্নাতক ডিগ্রি অর্জন তাঁর একাগ্রতা, পরিশ্রম ও আত্মপ্রত্যয়ের পরিচয় বহন করে। তাঁর এ অর্জন ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে আশা করছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
তিরোনার এ সাফল্যে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন, নিজ গ্রামের মানুষ ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
মেয়ের সাফল্যে
আবেগাপ্লুত বাবা
সন্তানের সাফল্যের মুহূর্তে প্রতিটি বাবা-মায়েরই আকাঙ্ক্ষা থাকে পাশে থেকে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার। কিন্তু কখনো দূরত্ব সেই সুযোগ কেড়ে নিলেও ভালোবাসা ও আবেগের বন্ধন অটুট থাকে। তিরোনার সমাবর্তনের দিন এমনই এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হন তাঁর বাবা তমাল কান্তি বড়ুয়া। বাংলাদেশে অবস্থান করায় মেয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সরাসরি উপস্থিত থাকতে পারেননি তিনি। তবে ভিডিও কলে গ্র্যাজুয়েশন গাউন ও ক্যাপ পরা মেয়েকে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অবসরপ্রাপ্ত এ বিমানবাহিনী কর্মকর্তা।
মেয়ের চোখে তখন স্বপ্নপূরণের আনন্দ, আর বাবার হৃদয়ে একরাশ গর্ব। এ অর্জন শুধু একটি সনদ বা ডিগ্রি নয়; এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, অধ্যবসায়, পরিবারের ত্যাগ এবং অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণা। দূরত্বের কারণে মেয়ের পাশে দাঁড়াতে না পারলেও ভিডিও কলের পর্দায় মেয়ের সাফল্য দেখার আনন্দই বাবার কাছে হয়ে ওঠে এক অনন্য প্রাপ্তি।
তিরোনা বড়ুয়া স্বল্পা ত্রিপিটক রিসার্চ সোসাইটির সভাপতি, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সমাজসেবক লায়ন তমাল কান্তি বড়ুয়া এবং সিনিয়র অ্যাকাউন্ট্যান্ট সুমিতা বড়ুয়া (সুমি)-এর জ্যেষ্ঠ কন্যা। শৈশব থেকেই মেধাবী ও শিক্ষানুরাগী তিরোনা উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। সেখানে কম্পিউটার সায়েন্সের মতো আধুনিক ও সম্ভাবনাময় বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে সম্মানজনক স্নাতক ডিগ্রি অর্জন তাঁর একাগ্রতা, পরিশ্রম ও আত্মপ্রত্যয়ের পরিচয় বহন করে। তাঁর এ অর্জন ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে আশা করছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
তিরোনার এ সাফল্যে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন, নিজ গ্রামের মানুষ ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
মেয়ের সাফল্যে
আবেগাপ্লুত বাবা
সন্তানের সাফল্যের মুহূর্তে প্রতিটি বাবা-মায়েরই আকাঙ্ক্ষা থাকে পাশে থেকে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার। কিন্তু কখনো দূরত্ব সেই সুযোগ কেড়ে নিলেও ভালোবাসা ও আবেগের বন্ধন অটুট থাকে। তিরোনার সমাবর্তনের দিন এমনই এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হন তাঁর বাবা তমাল কান্তি বড়ুয়া। বাংলাদেশে অবস্থান করায় মেয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সরাসরি উপস্থিত থাকতে পারেননি তিনি। তবে ভিডিও কলে গ্র্যাজুয়েশন গাউন ও ক্যাপ পরা মেয়েকে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অবসরপ্রাপ্ত এ বিমানবাহিনী কর্মকর্তা।
মেয়ের চোখে তখন স্বপ্নপূরণের আনন্দ, আর বাবার হৃদয়ে একরাশ গর্ব। এ অর্জন শুধু একটি সনদ বা ডিগ্রি নয়; এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, অধ্যবসায়, পরিবারের ত্যাগ এবং অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণা। দূরত্বের কারণে মেয়ের পাশে দাঁড়াতে না পারলেও ভিডিও কলের পর্দায় মেয়ের সাফল্য দেখার আনন্দই বাবার কাছে হয়ে ওঠে এক অনন্য প্রাপ্তি।