গত ২৩ অক্টোবর মারিনকো ফার্মেসির সহ-মালিক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ফার্মাসিস্ট ম্যাট মারিনকো ওয়েইন স্টেট ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাওয়ান তানুসকে ওষুধের অর্ডার যাচাইয়ের কাজে তত্ত্বাবধান করছেন/Robin Buckson, The Detroit News
হেজেল পার্ক, ৬ নভেম্বর : সম্প্রতি একদিন একজন রোগীর ডায়াবেটিসের ওষুধের প্রেসক্রিপশন পূরণ করতে গিয়ে প্রায় ১৩৩ ডলার লোকসানের মুখে পড়েন ফার্মাসিস্ট ম্যাট মারিনকো। দুই মাসের জন্য প্রয়োজনীয় ওই ওষুধ কিনতে ফার্মেসির খরচ হয়েছিল ১ হাজার ৯৩৩ ডলার ৩২ সেন্ট। অথচ বিমা কোম্পানির কাছ থেকে পরিশোধ হিসেবে পাওয়া গেছে মাত্র ১ হাজার ৮০০ ডলার ৪০ সেন্ট।
মারিনকো ফার্মেসির দায়িত্বে থাকা ম্যাট মারিনকো বলেন, “এ ধরনের লোকসান কোনোভাবেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।” তাঁর পরিবারের মালিকানাধীন এই ফার্মেসি ৮০ বছরেরও বেশি সময় ধরে হেজেল পার্ক এলাকায় সেবা দিয়ে আসছে।
অনেক ফার্মাসিস্টের মতে, বিমা কোম্পানির কাছ থেকে ওষুধের মূল্য বাবদ অর্থ ফেরত পাওয়ার (রিইম্বারসমেন্ট) ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যার কারণে তাঁদের ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হতে হচ্ছে। গত অক্টোবরে মিশিগানে ছয়টি স্বতন্ত্র ফার্মেসি বন্ধ হয়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘হোমটাউন ফার্মেসি’র চারটি শাখা এবং ‘ফ্রেডস ফার্মেসি’র থ্রি রিভার্স ও ভিক্সবার্গ এলাকার দুটি শাখা। হোমটাউন ফার্মেসি জানিয়েছে, ফার্মেসি বেনিফিট ম্যানেজারদের (পিবিএম) অর্থ পরিশোধ পদ্ধতির কারণে সৃষ্ট আর্থিক চাপের মুখে মাসকেগনের কাছাকাছি একটি এবং ট্র্যাভার্স সিটি এলাকায় তিনটি শাখা বন্ধ করতে হয়েছে।
এসব ফার্মেসি বন্ধ হয়ে যাওয়া মূলত বৃহত্তর একটি প্রবণতার অংশ। মিশিগান ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে অঙ্গরাজ্যজুড়ে প্রায় ২৭৫টি ফার্মেসি বন্ধ হয়েছে। এর মধ্যে ৯১টিই ছিল ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফার্মেসি।
মিশিগানজুড়ে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফার্মেসিগুলো ক্রমবর্ধমান আর্থিক চাপের মুখে পড়েছে। মালিকদের অভিযোগ, পিবিএমের বিভিন্ন নীতির কারণে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে উঠছে। তবে পিবিএম শিল্পের প্রতিনিধিরা ফার্মেসি বন্ধ হওয়ার পেছনে নিজেদের দায় অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, ফার্মেসিগুলোর হাতেই পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণের সুযোগ রয়েছে।
এদিকে, অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতারা পিবিএম-সংক্রান্ত চলমান সংস্কারগুলোর কার্যকারিতা পর্যালোচনা করছেন। অন্যদিকে, আর্থিক সংকট মোকাবিলা করে টিকে থাকতে ওষুধ কেনার ক্ষেত্রে নিজেদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানোর উপায় খুঁজছে ফার্মেসিগুলো।
Source & Photo: http://detroitnews.com
হেজেল পার্ক, ৬ নভেম্বর : সম্প্রতি একদিন একজন রোগীর ডায়াবেটিসের ওষুধের প্রেসক্রিপশন পূরণ করতে গিয়ে প্রায় ১৩৩ ডলার লোকসানের মুখে পড়েন ফার্মাসিস্ট ম্যাট মারিনকো। দুই মাসের জন্য প্রয়োজনীয় ওই ওষুধ কিনতে ফার্মেসির খরচ হয়েছিল ১ হাজার ৯৩৩ ডলার ৩২ সেন্ট। অথচ বিমা কোম্পানির কাছ থেকে পরিশোধ হিসেবে পাওয়া গেছে মাত্র ১ হাজার ৮০০ ডলার ৪০ সেন্ট।
মারিনকো ফার্মেসির দায়িত্বে থাকা ম্যাট মারিনকো বলেন, “এ ধরনের লোকসান কোনোভাবেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।” তাঁর পরিবারের মালিকানাধীন এই ফার্মেসি ৮০ বছরেরও বেশি সময় ধরে হেজেল পার্ক এলাকায় সেবা দিয়ে আসছে।
অনেক ফার্মাসিস্টের মতে, বিমা কোম্পানির কাছ থেকে ওষুধের মূল্য বাবদ অর্থ ফেরত পাওয়ার (রিইম্বারসমেন্ট) ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যার কারণে তাঁদের ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হতে হচ্ছে। গত অক্টোবরে মিশিগানে ছয়টি স্বতন্ত্র ফার্মেসি বন্ধ হয়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘হোমটাউন ফার্মেসি’র চারটি শাখা এবং ‘ফ্রেডস ফার্মেসি’র থ্রি রিভার্স ও ভিক্সবার্গ এলাকার দুটি শাখা। হোমটাউন ফার্মেসি জানিয়েছে, ফার্মেসি বেনিফিট ম্যানেজারদের (পিবিএম) অর্থ পরিশোধ পদ্ধতির কারণে সৃষ্ট আর্থিক চাপের মুখে মাসকেগনের কাছাকাছি একটি এবং ট্র্যাভার্স সিটি এলাকায় তিনটি শাখা বন্ধ করতে হয়েছে।
এসব ফার্মেসি বন্ধ হয়ে যাওয়া মূলত বৃহত্তর একটি প্রবণতার অংশ। মিশিগান ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে অঙ্গরাজ্যজুড়ে প্রায় ২৭৫টি ফার্মেসি বন্ধ হয়েছে। এর মধ্যে ৯১টিই ছিল ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফার্মেসি।
মিশিগানজুড়ে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফার্মেসিগুলো ক্রমবর্ধমান আর্থিক চাপের মুখে পড়েছে। মালিকদের অভিযোগ, পিবিএমের বিভিন্ন নীতির কারণে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে উঠছে। তবে পিবিএম শিল্পের প্রতিনিধিরা ফার্মেসি বন্ধ হওয়ার পেছনে নিজেদের দায় অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, ফার্মেসিগুলোর হাতেই পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণের সুযোগ রয়েছে।
এদিকে, অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতারা পিবিএম-সংক্রান্ত চলমান সংস্কারগুলোর কার্যকারিতা পর্যালোচনা করছেন। অন্যদিকে, আর্থিক সংকট মোকাবিলা করে টিকে থাকতে ওষুধ কেনার ক্ষেত্রে নিজেদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানোর উপায় খুঁজছে ফার্মেসিগুলো।
Source & Photo: http://detroitnews.com