সাউথ জার্সিতে প্রাণের আমেজে কীর্তন মেলা

আপলোড সময় : ২১-০৯-২০২৩ ০১:৫৫:১৯ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ২১-০৯-২০২৩ ০১:৫৫:১৯ পূর্বাহ্ন
সাউথ জার্সি, (নিউজার্সি) ২১ সেপ্টেম্বর : আটলাণ্টিক কাউন্টির প্রবাসী হিন্দুদের উদ্যোগে গতকাল ২০ সেপ্টেম্বর এগ হারবার শহরের ৫৭১, দক্ষিণ পোমনাতে অবস্থিত বৈকুণ্ঠ হিন্দু জৈন মন্দিরে “কীর্তন মেলা” অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওইদিন বিকেল চারটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত কীর্তন মেলা চলে। উল্লেখ্য, গনেশ চতুর্থী উৎসব উপলক্ষে “কীর্তন মেলা”র আয়োজন করা হয়েছিল।

আটলান্টিক কাউন্টির প্রবাসী হিন্দুদের উদ্যোগে আয়োজিত কীর্তন মেলায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্য থেকে অংশগ্রহনকারী কীর্তনীয়ারা হলেন শুভানন্দ দাস, বৃন্দাবন প্রিয়া দাসী, অনুরাধা দাসী, কেশব দাস, ওম গম্ভীর ও এসি (আটলান্টিক সিটি) কীর্তনীয়া সম্প্রদায়।

ঈশ্বরের নাম, লীলা ও তার গুণাবলীকে সুর, তাল লয়ে বেঁধে এক অপূর্ব রসে নিবেদন করাকে বলে কীর্তন। “এই কলিযুগে হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তন করা ছাড়া পরমার্থ লাভের আর কোন উপায় নেই। অন্যান্য অনেক আধ্যাত্মিক পন্থা আছে যেগুলি পারমার্থিক উন্নতির সহায়ক, কিন্তু এই যুগে (কলি) সেগুলি কার্যকরী নয়।”

ধ্যান, যজ্ঞ এবং বিগ্রহ অর্চন- এই পারমার্থিক কর্মগুলি ফলপ্রসূ হয় যখন সঙ্গে ভগবানের দিব্যনাম কীর্তন করা হয়। শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর বলেছেন যে, “বিগ্রহ অর্চনের মাধ্যমে হৃদয় নির্মল হয়, যদি সঙ্গে কীর্তন করা হয়। কারণ এটি আমাদেরকে ভগবানের সাথে সরাসরি যুক্ত করে।”

কীর্তন মেলায় সম্মিলিত কন্ঠে ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হতে থাকে ‘হরে কৃষ্ণ, হরে কৃষ্ণ, হরে রাম, হরে রাম’, আর তা অপূর্ব এক সুর মূর্ছনার সৃষ্টি করে।

আটলান্টিক সিটির পুলিশ কর্মকর্তা সুমন মজুমদার ও আটলান্টিক সিটি স্কুল বোর্ড সদস্য সুব্রত চৌধুরী কীর্তন মেলা সফল করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ  জানিয়েছেন।

সম্পাদকীয় :

চিনু মৃধা : সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

সম্পাদক ও প্রকাশক : চিন্ময় আচার্য্য, নির্বাহী সম্পাদক : কামাল মোস্তফা, সহযোগী সম্পাদক : আশিক রহমান,

বার্তা সম্পাদক : তোফায়েল রেজা সোহেল, ফিচার এডিটর : সৈয়দ আসাদুজ্জামান সোহান, স্টাফ রিপোর্টার : মৃদুল কান্তি সরকার।

যোগাযোগ :

Phone : +1 (313) 312-7006

Email : [email protected]

Website : www.suprobhatmichigan.com