ঢাকা, ২৪ ডিসেম্বর : দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগামীকাল (২৫ ডিসেম্বর) স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় গড়ে তোলা হয়েছে বহুস্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা বলয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা বিমানবন্দর এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোকে বিশেষ নজরদারির আওতায় এনেছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাড়ানো হয়েছে টহল, তল্লাশি ও নজরদারি কার্যক্রম। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা ২৪ ঘণ্টা বিমানবন্দরে কোনো দর্শনার্থী বা যাত্রীর সহযাত্রী প্রবেশ করতে পারবেন না। শুধুমাত্র বৈধ টিকিটধারী যাত্রীরাই টার্মিনালে প্রবেশ করতে পারবেন।
৫ স্তরের নিরাপত্তা বলয়: বিমানবন্দরের ভেতরের এবং বাইরের প্রতিটি গেট, রানওয়ে এলাকা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় এভসেক, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, র্যাব, এপিবিএন এবং ডিএমপির সমন্বয়ে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।ড্রোন নিষেধাজ্ঞা: বিমান চলাচল ও ভিভিআইপি নিরাপত্তা বিবেচনায় বিমানবন্দর ও এর সংলগ্ন এলাকায় ড্রোন ওড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
গোয়েন্দা তৎপরতা: ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি কয়েক হাজার সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সদস্য বিমানবন্দর এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সিসি ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে।যাত্রীদের জন্য বিশেষ বার্তা: বিশাল জনসমাগমের কারণে বিমানবন্দর সড়কে তীব্র যানজটের আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।
রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাদের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের সকল যাত্রীকে আগামীকাল পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে।নিরাপত্তা ও অপারেশনাল শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই সাময়িক কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় আগের নিয়ম অনুযায়ী দর্শনার্থী প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা বিমানবন্দর এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোকে বিশেষ নজরদারির আওতায় এনেছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাড়ানো হয়েছে টহল, তল্লাশি ও নজরদারি কার্যক্রম। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা ২৪ ঘণ্টা বিমানবন্দরে কোনো দর্শনার্থী বা যাত্রীর সহযাত্রী প্রবেশ করতে পারবেন না। শুধুমাত্র বৈধ টিকিটধারী যাত্রীরাই টার্মিনালে প্রবেশ করতে পারবেন।
৫ স্তরের নিরাপত্তা বলয়: বিমানবন্দরের ভেতরের এবং বাইরের প্রতিটি গেট, রানওয়ে এলাকা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় এভসেক, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, র্যাব, এপিবিএন এবং ডিএমপির সমন্বয়ে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।ড্রোন নিষেধাজ্ঞা: বিমান চলাচল ও ভিভিআইপি নিরাপত্তা বিবেচনায় বিমানবন্দর ও এর সংলগ্ন এলাকায় ড্রোন ওড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
গোয়েন্দা তৎপরতা: ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি কয়েক হাজার সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সদস্য বিমানবন্দর এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সিসি ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে।যাত্রীদের জন্য বিশেষ বার্তা: বিশাল জনসমাগমের কারণে বিমানবন্দর সড়কে তীব্র যানজটের আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।
রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাদের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের সকল যাত্রীকে আগামীকাল পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে।নিরাপত্তা ও অপারেশনাল শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই সাময়িক কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় আগের নিয়ম অনুযায়ী দর্শনার্থী প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে।