ঢাকা, ২৪ ডিসেম্বর : অবশেষে সব জল্পনা–কল্পনা ও দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) নিজ জন্মভূমিতে ফিরে আসছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর চিকিৎসার উদ্দেশ্যে লন্ডন যাওয়ার পর এটিই হবে তার প্রথম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন। দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রবাসজীবনের ইতি টেনে এই ফেরা বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে দেশের রাজনীতিতে বইছে উৎসবের আমেজ। বিএনপি নেতাকর্মীরা একে অভিহিত করছেন ‘এক অনন্য ও ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন’ হিসেবে। দলটির নেতাদের মতে, এই ফেরা কেবল একজন নেতার দেশে ফিরে আসা নয়, বরং জাতীয়তাবাদী রাজনীতির নতুন করে জেগে ওঠার বার্তা।
মুক্তিযুদ্ধ থেকে রাজপথ : বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক যাত্রা
তারেক রহমানের রাজনৈতিক সচেতনতার সূচনা শৈশব থেকেই। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় শিশু বয়সে মায়ের সঙ্গে কারাবন্দী থাকার অভিজ্ঞতা তার জীবনে গভীর ছাপ ফেলে। পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে বগুড়ার গাবতলী উপজেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে তার আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়।
২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে তৃণমূল পর্যায়ে ‘তৃণমূল সভা’র মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সমস্যা শোনার উদ্যোগ নিয়ে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ২০০২ সালে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং ২০০৯ সালে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
লন্ডন থেকে নেপথ্যের নেতৃত্ব
২০০৭ সালের ওয়ান–ইলেভেন পরবর্তী সময়ে রিমান্ডে নির্যাতনের শিকার হয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তারেক রহমান লন্ডনে যান। তবে প্রবাসে থেকেও তিনি রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন থাকেননি। ডিজিটাল যোগাযোগ ও সাংগঠনিক কৌশলের মাধ্যমে দলকে সংগঠিত রাখতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, ২০২৪ সালের ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কর্মীদের উজ্জীবিত রাখতে নেপথ্যে কৌশলী ও দিকনির্দেশনামূলক ভূমিকা রেখেছেন তারেক রহমান। রাষ্ট্র সংস্কারের ভাবনা, অন্তর্বর্তী সরকারকে সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক সরকারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তার বক্তব্য তৃণমূল পর্যায়ে নতুন দিশা তৈরি করেছে।
প্রত্যাবর্তনের রাজনৈতিক তাৎপর্য
বিএনপি নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি জাতীয়তাবাদী চেতনার পুনর্জাগরণের প্রতীক। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মাতা বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার সরাসরি সাক্ষাৎ হয়নি। আগামীকাল বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাতে লাখো নেতাকর্মী ও সমর্থকের ঢল নামতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পলিমাটির সৌরভ গায়ে মেখে তারেক রহমান এবার সরাসরি দলের নেতৃত্বে সক্রিয় হবেন—এমন প্রত্যাশাই বিএনপির তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে।
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে দেশের রাজনীতিতে বইছে উৎসবের আমেজ। বিএনপি নেতাকর্মীরা একে অভিহিত করছেন ‘এক অনন্য ও ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন’ হিসেবে। দলটির নেতাদের মতে, এই ফেরা কেবল একজন নেতার দেশে ফিরে আসা নয়, বরং জাতীয়তাবাদী রাজনীতির নতুন করে জেগে ওঠার বার্তা।
মুক্তিযুদ্ধ থেকে রাজপথ : বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক যাত্রা
তারেক রহমানের রাজনৈতিক সচেতনতার সূচনা শৈশব থেকেই। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় শিশু বয়সে মায়ের সঙ্গে কারাবন্দী থাকার অভিজ্ঞতা তার জীবনে গভীর ছাপ ফেলে। পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে বগুড়ার গাবতলী উপজেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে তার আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়।
২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে তৃণমূল পর্যায়ে ‘তৃণমূল সভা’র মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সমস্যা শোনার উদ্যোগ নিয়ে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ২০০২ সালে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং ২০০৯ সালে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
লন্ডন থেকে নেপথ্যের নেতৃত্ব
২০০৭ সালের ওয়ান–ইলেভেন পরবর্তী সময়ে রিমান্ডে নির্যাতনের শিকার হয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তারেক রহমান লন্ডনে যান। তবে প্রবাসে থেকেও তিনি রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন থাকেননি। ডিজিটাল যোগাযোগ ও সাংগঠনিক কৌশলের মাধ্যমে দলকে সংগঠিত রাখতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, ২০২৪ সালের ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কর্মীদের উজ্জীবিত রাখতে নেপথ্যে কৌশলী ও দিকনির্দেশনামূলক ভূমিকা রেখেছেন তারেক রহমান। রাষ্ট্র সংস্কারের ভাবনা, অন্তর্বর্তী সরকারকে সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক সরকারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তার বক্তব্য তৃণমূল পর্যায়ে নতুন দিশা তৈরি করেছে।
প্রত্যাবর্তনের রাজনৈতিক তাৎপর্য
বিএনপি নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি জাতীয়তাবাদী চেতনার পুনর্জাগরণের প্রতীক। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মাতা বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার সরাসরি সাক্ষাৎ হয়নি। আগামীকাল বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাতে লাখো নেতাকর্মী ও সমর্থকের ঢল নামতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পলিমাটির সৌরভ গায়ে মেখে তারেক রহমান এবার সরাসরি দলের নেতৃত্বে সক্রিয় হবেন—এমন প্রত্যাশাই বিএনপির তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে।