ওয়ারেন, ২৫ ডিসেম্বর: আজ বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে খ্রিস্টানদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন (ক্রিসমাস ডে)। খ্রিস্ট ধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন হিসেবেই দিনটি সর্বত্র বিশেষ মর্যাদায় উদযাপিত হয়। খ্রিস্টান ধর্মমতে, জেরুজালেমের বেথেলহেমের এক গোয়ালঘরে কুমারীমাতা মেরির গর্ভে জন্ম নেন যিশু। যিনি মানবতার মুক্তি, ভালোবাসা, ন্যায় ও সত্যের পথে মানুষকে পরিচালিত করতেপৃথিবীতে আগমন করেছিলেন। ‘পাপীকে নয়, পাপকে ঘৃণা’—এ দর্শন প্রচার করে তিনি মানবসমাজে মমত্ববোধ, সহমর্মিতা ও শান্তির বার্তা পৌঁছে দেন। তার ত্যাগ, মানবিকতা ও দৃঢ় চারিত্রিক মহিমায় যিশু আজও মানব ইতিহাসে এক অনন্ত উদাহরণ।
বিশ্বের অন্যান্য স্থানের মতো যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানেও উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। বড়দিন উপলক্ষে ঘরবাড়ি, গির্জা, বিভিন্ন পথঘাট ও অভিজাত শপিংমল রঙিন আলোকসজ্জায় সেজেছে নতুন সাজে। বিভিন্ন স্থানে তৈরি করা হয়েছে প্রতীকী গোশালা (ন্যাটিভিটি সেট)। লাইট দিয়ে সজ্জিত বিশাল ক্রিসমাস ট্রি—উৎসবের প্রধান অনুষঙ্গ—শিশু থেকে বড় সবাইকে আকৃষ্ট করছে। অনেক পরিবার গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়েছে এসব আলোকসজ্জার সৌন্দর্য উপভোগে।
আজ সকালে গির্জায় অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ প্রার্থনা, যেখানে যিশুর জীবনদর্শন ও মানবকল্যাণের বার্তা স্মরণ করবেন ধর্মপ্রাণ খ্রিস্টানরা। দিনটি ঘিরে খ্রিস্টান পরিবারগুলোতে থাকবে বিশেষ খাবার, কেক তৈরি, উপহার আদান–প্রদান, শুভেচ্ছা কার্ড পাঠানো, স্বজনের বাড়িতে বেড়ানো ও অতিথি আপ্যায়নের নানা আয়োজন। শিশুদের জন্য থাকবে ক্রিসমাস পার্টি ও সান্তা-ক্লজের উপহার বিতরণ—যেখানে লাল পোশাক, সাদা দাড়ি আর কাঁধভর্তি উপহারের ঝোলা হাতে সান্তা শিশুদের জন্য আনন্দের প্রতীক হয়ে ওঠে। দিনটিতে প্রয়াত স্বজনদের স্মরণে কবরস্থানেও জ্বালানো হবে মোমবাতি।
খ্রিস্ট ধর্মগ্রন্থে বলা হয়, ঈশ্বরের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তার প্রয়োজন ছিল একজন নারীর, আর সেই নারীই মা মেরি। ঈশ্বরের অলৌকিক শক্তিতেই কুমারী অবস্থায় তিনি গর্ভধারণ করেন এবং জন্ম দেন শিশু যিশুকে। বড় হয়ে যিশুই প্রচার করেন মানবমুক্তির বাণী। যদিও শেষ পর্যন্ত বিদ্বেষী মহলের হাতে তিনি ক্রুশবিদ্ধ হন। তবুও তার শিক্ষা আজও বিশ্বের কোটি মানুষের হৃদয়ে জাগ্রত—ভালোবাসা, শান্তি ও মানবিকতার চিরন্তন প্রতীক হয়ে রয়েছে। সব মিলিয়ে শুভ বড়দিনের আনন্দে আজ মেতে উঠেছে বিশ্ববাসী।
বিশ্বের অন্যান্য স্থানের মতো যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানেও উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। বড়দিন উপলক্ষে ঘরবাড়ি, গির্জা, বিভিন্ন পথঘাট ও অভিজাত শপিংমল রঙিন আলোকসজ্জায় সেজেছে নতুন সাজে। বিভিন্ন স্থানে তৈরি করা হয়েছে প্রতীকী গোশালা (ন্যাটিভিটি সেট)। লাইট দিয়ে সজ্জিত বিশাল ক্রিসমাস ট্রি—উৎসবের প্রধান অনুষঙ্গ—শিশু থেকে বড় সবাইকে আকৃষ্ট করছে। অনেক পরিবার গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়েছে এসব আলোকসজ্জার সৌন্দর্য উপভোগে।
আজ সকালে গির্জায় অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ প্রার্থনা, যেখানে যিশুর জীবনদর্শন ও মানবকল্যাণের বার্তা স্মরণ করবেন ধর্মপ্রাণ খ্রিস্টানরা। দিনটি ঘিরে খ্রিস্টান পরিবারগুলোতে থাকবে বিশেষ খাবার, কেক তৈরি, উপহার আদান–প্রদান, শুভেচ্ছা কার্ড পাঠানো, স্বজনের বাড়িতে বেড়ানো ও অতিথি আপ্যায়নের নানা আয়োজন। শিশুদের জন্য থাকবে ক্রিসমাস পার্টি ও সান্তা-ক্লজের উপহার বিতরণ—যেখানে লাল পোশাক, সাদা দাড়ি আর কাঁধভর্তি উপহারের ঝোলা হাতে সান্তা শিশুদের জন্য আনন্দের প্রতীক হয়ে ওঠে। দিনটিতে প্রয়াত স্বজনদের স্মরণে কবরস্থানেও জ্বালানো হবে মোমবাতি।
খ্রিস্ট ধর্মগ্রন্থে বলা হয়, ঈশ্বরের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তার প্রয়োজন ছিল একজন নারীর, আর সেই নারীই মা মেরি। ঈশ্বরের অলৌকিক শক্তিতেই কুমারী অবস্থায় তিনি গর্ভধারণ করেন এবং জন্ম দেন শিশু যিশুকে। বড় হয়ে যিশুই প্রচার করেন মানবমুক্তির বাণী। যদিও শেষ পর্যন্ত বিদ্বেষী মহলের হাতে তিনি ক্রুশবিদ্ধ হন। তবুও তার শিক্ষা আজও বিশ্বের কোটি মানুষের হৃদয়ে জাগ্রত—ভালোবাসা, শান্তি ও মানবিকতার চিরন্তন প্রতীক হয়ে রয়েছে। সব মিলিয়ে শুভ বড়দিনের আনন্দে আজ মেতে উঠেছে বিশ্ববাসী।