ঢাকা, ৩০ ডিসেম্বর : তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেই সঙ্গে আগামীকাল বুধবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণে এ ঘোষণা দেন প্রধান উপদেষ্টা।
জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা প্রথমেই খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গণতান্ত্রিক যাত্রায় তাঁর অনন্য ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। দেশের এই রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে একজন ‘অভিভাবকের’ মৃত্যুতে সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব শেখ আব্দুর রশিদ সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে বলেন যে, দেশের একজন প্রভাবশালী নেত্রী ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে সরকার শোক পালন ও ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি জানান, বুধবার থেকে শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ এবং ১ ও ২ জানুয়ারি ২০২৬) পর্যন্ত মোট তিন দিন রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। এই সময়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। বেগম খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের উন্নয়নে তার অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই এই বিশেষ সম্মাননা প্রদান করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
সকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি ক্যাবিনেট বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যেখানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও উপস্থিত ছিলেন।এদিকে বিএনপি সূত্রে জানা গেছে যে আগামীকাল বুধবার বাদ জোহর রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
এরপর তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সংসদ ভবন এলাকার পাশে অবস্থিত জিয়া উদ্যানে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে দাফন ও জানাজার যাবতীয় নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সাধারণ ছুটি ঘোষণার ফলে আগামীকাল দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
এর আগে সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বেগম খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই শোকাতুর হয়ে পড়ে গোটা জাতি। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান ও রাজনৈতিক দলগুলো তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে।
জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা প্রথমেই খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গণতান্ত্রিক যাত্রায় তাঁর অনন্য ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। দেশের এই রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে একজন ‘অভিভাবকের’ মৃত্যুতে সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব শেখ আব্দুর রশিদ সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে বলেন যে, দেশের একজন প্রভাবশালী নেত্রী ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে সরকার শোক পালন ও ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি জানান, বুধবার থেকে শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ এবং ১ ও ২ জানুয়ারি ২০২৬) পর্যন্ত মোট তিন দিন রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। এই সময়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। বেগম খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের উন্নয়নে তার অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই এই বিশেষ সম্মাননা প্রদান করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
সকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি ক্যাবিনেট বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যেখানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও উপস্থিত ছিলেন।এদিকে বিএনপি সূত্রে জানা গেছে যে আগামীকাল বুধবার বাদ জোহর রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
এরপর তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সংসদ ভবন এলাকার পাশে অবস্থিত জিয়া উদ্যানে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে দাফন ও জানাজার যাবতীয় নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সাধারণ ছুটি ঘোষণার ফলে আগামীকাল দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
এর আগে সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বেগম খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই শোকাতুর হয়ে পড়ে গোটা জাতি। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান ও রাজনৈতিক দলগুলো তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে।