ওয়ারেন, ৩১ ডিসেম্বর: ক্যালেন্ডারের পাতা বদলের অপেক্ষায় গোটা আমেরিকা। বিদায়ী ২০২৫ সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছর ২০২৬–কে স্বাগত জানাতে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে চলছে জোর প্রস্তুতি। নিউইয়র্কের টাইমস স্কোয়ার থেকে শুরু করে ক্যালিফোর্নিয়ার সৈকত, আবার শিকাগোর বরফগলা রাস্তাগুলো পর্যন্ত সর্বত্রই সাজসাজ রব।
বিশেষত টাইমস স্কোয়ারে নিউ ইয়ার বল ড্রপ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দেশ–বিশ্বের দৃষ্টি এখন নিউইয়র্কে। রাস্তার দু’পাশজুড়ে জড়ো হবেন হাজার হাজার মানুষ, আর কোটি দর্শক টেলিভিশন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দেখবেন সেই ঐতিহাসিক কাউন্টডাউন। বড় শহরগুলো নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, হিউস্টন ও ওয়াশিংটন ডিসিতে আইন–শৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে; উৎসব ঘিরে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি সেন্টার, সিটি–কাউন্সিল এবং অভিবাসী সংগঠনগুলোতেও আজ রাতের জন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ আয়োজন শান্তি, সমৃদ্ধি ও নতুন সূচনার জন্য প্রার্থনা ও বিশেষ সমাবেশ।
এদিকে শীতের তীব্রতা আর হালকা তুষারে ঢাকা মিশিগানও আজ দাঁড়িয়ে আছে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার অপেক্ষায়। বিদায়ী বছরের বিদায় ও ২০২৬–এর যাত্রা উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে চলছে নীরব–কোলাহল। হলরুম, চার্চ, কমিউনিটি সেন্টার, রেস্তোরাঁ এবং বাংলাদেশি–প্রধান এলাকাগুলোতেও সাজ সাজ রব। অনেকে আয়োজন করছেন ঘরোয়া গেট–টুগেদার, কেউ বা অপেক্ষায় আছেন মধ্যরাতের বিশেষ কাউন্টডাউন দেখার।
প্রযুক্তি, অর্থনীতি, রাজনীতি, জলবায়ু ও সামাজিক আন্দোলনের রূপরেখায় বছরটি ছিল মিশ্র অনুভূতির। কেউ দেখেছেন সাফল্যের সিঁড়ি, কেউ আবার অনুভব করেছেন বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও দ্বন্দ্বের ছায়া। তবুও আমেরিকার মানুষের প্রত্যাশা ২০২৬ হোক পুনরুদ্ধার, ঐক্য, স্বস্তি ও এগিয়ে যাওয়ার বছর।
হাজারো রেস্তোরাঁ বুকড, পরিবারগুলো ঘরোয়া পার্টির প্রস্তুতি নিচ্ছে, আবার এয়ারপোর্টগুলোতে চলছে ছুটির ভিড় সব মিলিয়ে উৎসব মুখর আমেরিকা আজ অপেক্ষায় শুধু একটি মুহূর্তের মধ্যরাতের সেই শেষ সেকেন্ড যখন সমগ্র যুক্তরাষ্ট্র গেয়ে উঠবে: “হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০২৬!”
বিশেষত টাইমস স্কোয়ারে নিউ ইয়ার বল ড্রপ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দেশ–বিশ্বের দৃষ্টি এখন নিউইয়র্কে। রাস্তার দু’পাশজুড়ে জড়ো হবেন হাজার হাজার মানুষ, আর কোটি দর্শক টেলিভিশন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দেখবেন সেই ঐতিহাসিক কাউন্টডাউন। বড় শহরগুলো নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, হিউস্টন ও ওয়াশিংটন ডিসিতে আইন–শৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে; উৎসব ঘিরে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি সেন্টার, সিটি–কাউন্সিল এবং অভিবাসী সংগঠনগুলোতেও আজ রাতের জন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ আয়োজন শান্তি, সমৃদ্ধি ও নতুন সূচনার জন্য প্রার্থনা ও বিশেষ সমাবেশ।
এদিকে শীতের তীব্রতা আর হালকা তুষারে ঢাকা মিশিগানও আজ দাঁড়িয়ে আছে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার অপেক্ষায়। বিদায়ী বছরের বিদায় ও ২০২৬–এর যাত্রা উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে চলছে নীরব–কোলাহল। হলরুম, চার্চ, কমিউনিটি সেন্টার, রেস্তোরাঁ এবং বাংলাদেশি–প্রধান এলাকাগুলোতেও সাজ সাজ রব। অনেকে আয়োজন করছেন ঘরোয়া গেট–টুগেদার, কেউ বা অপেক্ষায় আছেন মধ্যরাতের বিশেষ কাউন্টডাউন দেখার।
প্রযুক্তি, অর্থনীতি, রাজনীতি, জলবায়ু ও সামাজিক আন্দোলনের রূপরেখায় বছরটি ছিল মিশ্র অনুভূতির। কেউ দেখেছেন সাফল্যের সিঁড়ি, কেউ আবার অনুভব করেছেন বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও দ্বন্দ্বের ছায়া। তবুও আমেরিকার মানুষের প্রত্যাশা ২০২৬ হোক পুনরুদ্ধার, ঐক্য, স্বস্তি ও এগিয়ে যাওয়ার বছর।
হাজারো রেস্তোরাঁ বুকড, পরিবারগুলো ঘরোয়া পার্টির প্রস্তুতি নিচ্ছে, আবার এয়ারপোর্টগুলোতে চলছে ছুটির ভিড় সব মিলিয়ে উৎসব মুখর আমেরিকা আজ অপেক্ষায় শুধু একটি মুহূর্তের মধ্যরাতের সেই শেষ সেকেন্ড যখন সমগ্র যুক্তরাষ্ট্র গেয়ে উঠবে: “হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০২৬!”