মাধবপুর (হবিগঞ্জ), ১৪ জানুয়ারি : সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী ছিলেন এবং আলেম-ওলামাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনে বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সল। আজ বুধবার বিকেলে মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকায় মাওলানা নুরুজ্জামানের সভাপতিত্বে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়ার শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সৈয়দ মো. ফয়সল বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি ছিলেন ধর্মপ্রাণ, মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন একজন রাষ্ট্রনায়ক। তিনি এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতিকে সম্মান করতেন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামী মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে দেশের ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদরাসা ও এতিমখানার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। আলেমসমাজের প্রতি তিনি সবসময় সম্মান প্রদর্শন করেছেন। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকা দেশের মানুষ আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।
শোকসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ মো. শাহজাহান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের প্রতীক। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহু বাধা, নির্যাতন ও ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হয়েছেন, কিন্তু কখনো দেশ ও জনগণের স্বার্থে আপস করেননি। ইসলামী মূল্যবোধ, জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্র—এই তিনটি ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে তিনি রাজনীতি করেছেন বলেই সাধারণ মানুষ তাকে আপনজন হিসেবে গ্রহণ করেছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শন নতুন প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার নেতৃত্ব ও ত্যাগ থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা নুরুজ্জামান বলেন, আলেমসমাজের প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার সম্মান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত। তিনি কখনো ধর্মীয় মূল্যবোধকে অবহেলা করেননি; বরং আলেমদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার চেষ্টা করেছেন।
শোকসভা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়ায় দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা হয়।
সৈয়দ মো. ফয়সল বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি ছিলেন ধর্মপ্রাণ, মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন একজন রাষ্ট্রনায়ক। তিনি এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতিকে সম্মান করতেন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামী মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে দেশের ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদরাসা ও এতিমখানার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। আলেমসমাজের প্রতি তিনি সবসময় সম্মান প্রদর্শন করেছেন। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকা দেশের মানুষ আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।
শোকসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ মো. শাহজাহান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের প্রতীক। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহু বাধা, নির্যাতন ও ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হয়েছেন, কিন্তু কখনো দেশ ও জনগণের স্বার্থে আপস করেননি। ইসলামী মূল্যবোধ, জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্র—এই তিনটি ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে তিনি রাজনীতি করেছেন বলেই সাধারণ মানুষ তাকে আপনজন হিসেবে গ্রহণ করেছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শন নতুন প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার নেতৃত্ব ও ত্যাগ থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা নুরুজ্জামান বলেন, আলেমসমাজের প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার সম্মান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত। তিনি কখনো ধর্মীয় মূল্যবোধকে অবহেলা করেননি; বরং আলেমদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার চেষ্টা করেছেন।
শোকসভা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়ায় দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা হয়।