সিলেট, ২৪ জানুয়ারি : মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক বলেছেন, জাতির মনন ও মূল্যবোধ গঠনে কবি সাহিত্যিকগণ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে কবি সাহিত্যিকরা মানবিক অনুভূতির ধারক ও বাহক। যান্ত্রিকতার যুগে মানবিক মানুষ হিসেবে আমাদের বাঁচতে হবে। একটি জাতি কতটুকু সভ্য তার শিকড় কত গভীরে প্রোথিত তা তাদের সাহিত্য থেকে জানতে পারি। সংবর্ধিত ব্যক্তিত্ব সৈয়দা আয়েশা আহমেদ শুধু একজন কবি, ঔপন্যাসিক বা সাহিত্যিক নন; তিনি একজন সফল মা, একজন সফল ব্রিটিশ বাংলাদেশী তথা এমবিই সম্মানে ভূষিত ব্যক্তির সহধর্মিনী, আমাদের হবিগঞ্জ তথা দেশের সম্পদ, একান্ত আপনজন। তাঁর সাহিত্য আমাদের অস্তিত্বের গভীর সত্যের জানান দেয়। তাঁকে সংবর্ধনা প্রদানের মাধ্যমে মূলতঃ আমরা নিজেরা সম্মানীত হয়েছি। আজকের প্রদত্ত সম্মান সৈয়দা আয়েশা আহমেদের সাহিত্যচর্চা ও সৃষ্টিশীল কর্মকে আরও অনুপ্রাণিত করবে। আজ শনিবার দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ (কেমুসাস) ভবনের হলরুমে ইউএস-বাংলা আন্তর্জাতিক সাহিত্য ফোরাম ও জন প্রবাদ সাহিত্য কল্যাণ ট্রাস্ট এর যৌথ উদ্যোগে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক সৈয়দা আয়েশা আহমেদকে প্রদত্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথাগুলো বলেন।
ইউএস-বাংলা আন্তর্জাতিক সাহিত্য ফোরামের সভাপতি ও লোক গবেষক আবু সালেহ আহমদের সভাপতিত্বে এবং নাহিদা খান সুর্মির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্কলার্সহোম স্কুল এন্ড কলেজ শিবগঞ্জ শাখার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন, গবেষক ও সাহিত্যিক কেমুসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, এফআইভিডিভি’র এডুকেশন প্রোগ্রামের পরিচালক শিরিন আক্তার। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কলামিস্ট বেলাল চৌধুরী, কবি আক্তারুজ্জামান সুমন, হবিগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক এম এ ওয়াহিদ, প্রমূখ।
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আমরা বর্তমান সময়ে বই পড়া থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছি। আমরা এখন অনেক বেশি মাল্টিমিডিয়া, ইউটিউব এবং ফেসবুক নির্ভর হয়ে পড়েছি। লেখকরা অনেক কষ্ট ও সাধনা করে বই লেখেন, সাহিত্য উপহার দেন; কিন্তু আমাদের পড়ার অনীহা বাড়ছে। তিনি লেখক আয়েশা আহমেদের সাহিত্যকর্মের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং নতুন প্রজন্মকে বইমুখী হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ সৈয়দা আয়েশা আহমেদের হাতে সম্মাননা মেডেল ও ক্রেস্ট তুলে দেন। সংবর্ধনার জবাবে লেখক সৈয়দা আয়েশা আহমেদ আয়োজক কমিটি ও উপস্থিত অতিথিদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি আগামী দিনে আরও মানসম্মত সাহিত্য সৃষ্টির মাধ্যমে পাঠকদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
ইউএস-বাংলা আন্তর্জাতিক সাহিত্য ফোরামের সভাপতি ও লোক গবেষক আবু সালেহ আহমদের সভাপতিত্বে এবং নাহিদা খান সুর্মির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্কলার্সহোম স্কুল এন্ড কলেজ শিবগঞ্জ শাখার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন, গবেষক ও সাহিত্যিক কেমুসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, এফআইভিডিভি’র এডুকেশন প্রোগ্রামের পরিচালক শিরিন আক্তার। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কলামিস্ট বেলাল চৌধুরী, কবি আক্তারুজ্জামান সুমন, হবিগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক এম এ ওয়াহিদ, প্রমূখ।
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আমরা বর্তমান সময়ে বই পড়া থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছি। আমরা এখন অনেক বেশি মাল্টিমিডিয়া, ইউটিউব এবং ফেসবুক নির্ভর হয়ে পড়েছি। লেখকরা অনেক কষ্ট ও সাধনা করে বই লেখেন, সাহিত্য উপহার দেন; কিন্তু আমাদের পড়ার অনীহা বাড়ছে। তিনি লেখক আয়েশা আহমেদের সাহিত্যকর্মের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং নতুন প্রজন্মকে বইমুখী হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ সৈয়দা আয়েশা আহমেদের হাতে সম্মাননা মেডেল ও ক্রেস্ট তুলে দেন। সংবর্ধনার জবাবে লেখক সৈয়দা আয়েশা আহমেদ আয়োজক কমিটি ও উপস্থিত অতিথিদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি আগামী দিনে আরও মানসম্মত সাহিত্য সৃষ্টির মাধ্যমে পাঠকদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।