হবিগঞ্জ, ২২ ফেব্রুয়ারি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বাহুবল উপজেলা শাখার সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তুষারকে আটক করেছে পুলিশ ও ডিবি। বাহুবল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম–এর সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে কথোপকথনের একটি অংশ বিভিন্ন যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তাকে আটক করা হয়।
দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, ওসি ও তুষারের মধ্যকার সম্পূর্ণ কথোপকথন প্রকাশ না করে আংশিক অডিও ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে। তারা পূর্ণাঙ্গ অডিও প্রকাশের দাবি জানান। গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিএনপি নেতাকর্মীরা বাহুবলের মীরপুর এলাকায় ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক প্রায় ৩০ মিনিট অবরোধ করে রাখেন। এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে সাময়িক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। পরে রমজানে জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তুষারের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
তবে নেতাকর্মীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাকে মুক্তি না দিলে পুনরায় ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে তারা আরও বলেন, ওসি সাইফুল ইসলাম বাহুবল থানায় যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন অপরাধী চক্রের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন এবং নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়েছেন। সাম্প্রতিক বিষয়টি স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানার পর ওসিকে সতর্ক করা হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এর জের ধরেই তুচ্ছ ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। বিএনপি নেতাকর্মীরা ওসি সাইফুল ইসলামের অপসারণ এবং ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তুষারের দ্রুত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, ওসি ও তুষারের মধ্যকার সম্পূর্ণ কথোপকথন প্রকাশ না করে আংশিক অডিও ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে। তারা পূর্ণাঙ্গ অডিও প্রকাশের দাবি জানান। গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিএনপি নেতাকর্মীরা বাহুবলের মীরপুর এলাকায় ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক প্রায় ৩০ মিনিট অবরোধ করে রাখেন। এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে সাময়িক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। পরে রমজানে জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তুষারের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
তবে নেতাকর্মীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাকে মুক্তি না দিলে পুনরায় ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে তারা আরও বলেন, ওসি সাইফুল ইসলাম বাহুবল থানায় যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন অপরাধী চক্রের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন এবং নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়েছেন। সাম্প্রতিক বিষয়টি স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানার পর ওসিকে সতর্ক করা হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এর জের ধরেই তুচ্ছ ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। বিএনপি নেতাকর্মীরা ওসি সাইফুল ইসলামের অপসারণ এবং ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তুষারের দ্রুত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।