মঙ্গলবার সকালে এক নজিরবিহীন তুষারপাতের পর মুনিসিং-এর রাস্তাঘাট পরিষ্কারের কাজে ব্যস্ত একটি স্নো ব্লোয়ার। মুনিসিং-এর বাসিন্দা সু ডেম্পসি অবশেষে তাঁর বাড়ির ড্রাইভওয়ে তুষারমুক্ত করতে সক্ষম হন এবং শহরের মধ্য আপার পেনিনসুলা অঞ্চলের তুষারের নিচে চাপা পড়ে থাকা দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করার জন্য গাড়ি নিয়ে বের হন/Sue Dempsey, Special To Detroit News
ট্রাভার্স সিটি, ১৭ মার্চ : মিশিগানের আপার পেনিনসুলার কিছু অংশে তিন ফুটেরও বেশি তুষারপাত ঘটানো ঐতিহাসিক ঝড় মঙ্গলবার কিছুটা প্রশমিত হলেও, এখনো ১ লক্ষের বেশি মানুষ বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছেন এবং বেশ কিছু রাস্তা চলাচলের অযোগ্য।
ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস জানিয়েছে, আপার পেনিনসুলার বারগা কাউন্টির দক্ষিণ-পূর্ব মাউন্ট আরভন এলাকায় মঙ্গলবার ভোর ৫টা ২৪ মিনিট পর্যন্ত ৩৯ ইঞ্চি তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা মিশিগানে এক দিনে সর্বোচ্চ তুষারপাতের পূর্বের রেকর্ডটি ভেঙে দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। মিশিগানের বর্তমান রেকর্ডটি ছিল ৩৮ ইঞ্চি, যা ২০২২ সালে কিউইনও পেনিনসুলার ক্যালুমেট টাউনশিপের কিয়ারসেজ (Houghton County) এলাকায় রেকর্ড করা হয়েছিল।
এদিকে, আপার পেনিনসুলার অ্যালজার কাউন্টিতে মুনিসিং ও মার্কেট শহরের মধ্যবর্তী সানডেল এলাকায় সকাল ১১টা পর্যন্ত ৩৬ ইঞ্চি তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
ঝড়ের প্রভাবে রসকম্যান কাউন্টি ও আলপেনার অঞ্চলে তুষারের পাশাপাশি প্রচুর বরফ ও জমাট-বাঁধা বরফের (freezing rain) কারণে মঙ্গলবারও স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং সরকারি অফিস খোলার সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
লেক সুপিরিয়রের তীরে অবস্থিত মুনিসিং শহরের বাসিন্দা সু ডেম্পসি বলেন, তার দোতলা অ্যাপার্টমেন্টের নিচতলায় পাঁচ ফুট উঁচু তুষারের স্তূপ জমে আছে। তিনি উল্লেখ করেন, গত কয়েক দশক ধরে মুনিসিংয়ে তিনি যতগুলো তুষারঝড় দেখেছেন, তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ।
ডেম্পসি বলেন, “১৯৭৮ সালে এক বিশাল তুষারঝড় হয়েছিল সেটি খুব খারাপ ছিল, কিন্তু এবারের ঝড়টি সেটিকেও হার মানিয়েছে।”
তিনি জানান, রবিবার সন্ধ্যায় ঝড় আঘাত হানার আগে তিনি ও প্রতিবেশীরা প্রয়োজনীয় বাজার-সদাই সেরে নিয়েছিলেন এবং মঙ্গলবার সবাই ঘরের ভেতরেই নিরাপদে ছিলেন। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বাইরের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন এবং নিজের ভবনের ভেতরের প্রতিবেশীদের সঙ্গে মিলিত হয়ে তুষার সরানোর কাজও করেছেন।
ডেম্পসি বলেন, “নিচের তলার প্রতিবেশী তুষার সরানোর যন্ত্র (snowblower) ব্যবহার করছিল, আর আমি গ্যারেজের চারপাশের সিঁড়ি থেকে বেলচা দিয়ে তুষার সরাচ্ছিলাম। আমরা তো হাসাহাসিই করছিলাম। আর কী করার আছে বলুন?”
মুনিসিং এলাকায় শীত মৌসুমে ইতিমধ্যেই প্রচুর তুষারপাত হয়েছে, তাই তুষার সরানোর জায়গা কমে গেছে। ডেম্পসি বলেন, “মানুষকে এখন কেবল ধৈর্য ধরে থাকতে হবে—বুঝতেই তো পারছেন? পরিস্থিতি এখন এমনই।”
Source & Photo: http://detroitnews.com
ট্রাভার্স সিটি, ১৭ মার্চ : মিশিগানের আপার পেনিনসুলার কিছু অংশে তিন ফুটেরও বেশি তুষারপাত ঘটানো ঐতিহাসিক ঝড় মঙ্গলবার কিছুটা প্রশমিত হলেও, এখনো ১ লক্ষের বেশি মানুষ বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছেন এবং বেশ কিছু রাস্তা চলাচলের অযোগ্য।
ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস জানিয়েছে, আপার পেনিনসুলার বারগা কাউন্টির দক্ষিণ-পূর্ব মাউন্ট আরভন এলাকায় মঙ্গলবার ভোর ৫টা ২৪ মিনিট পর্যন্ত ৩৯ ইঞ্চি তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা মিশিগানে এক দিনে সর্বোচ্চ তুষারপাতের পূর্বের রেকর্ডটি ভেঙে দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। মিশিগানের বর্তমান রেকর্ডটি ছিল ৩৮ ইঞ্চি, যা ২০২২ সালে কিউইনও পেনিনসুলার ক্যালুমেট টাউনশিপের কিয়ারসেজ (Houghton County) এলাকায় রেকর্ড করা হয়েছিল।
এদিকে, আপার পেনিনসুলার অ্যালজার কাউন্টিতে মুনিসিং ও মার্কেট শহরের মধ্যবর্তী সানডেল এলাকায় সকাল ১১টা পর্যন্ত ৩৬ ইঞ্চি তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
ঝড়ের প্রভাবে রসকম্যান কাউন্টি ও আলপেনার অঞ্চলে তুষারের পাশাপাশি প্রচুর বরফ ও জমাট-বাঁধা বরফের (freezing rain) কারণে মঙ্গলবারও স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং সরকারি অফিস খোলার সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
লেক সুপিরিয়রের তীরে অবস্থিত মুনিসিং শহরের বাসিন্দা সু ডেম্পসি বলেন, তার দোতলা অ্যাপার্টমেন্টের নিচতলায় পাঁচ ফুট উঁচু তুষারের স্তূপ জমে আছে। তিনি উল্লেখ করেন, গত কয়েক দশক ধরে মুনিসিংয়ে তিনি যতগুলো তুষারঝড় দেখেছেন, তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ।
ডেম্পসি বলেন, “১৯৭৮ সালে এক বিশাল তুষারঝড় হয়েছিল সেটি খুব খারাপ ছিল, কিন্তু এবারের ঝড়টি সেটিকেও হার মানিয়েছে।”
তিনি জানান, রবিবার সন্ধ্যায় ঝড় আঘাত হানার আগে তিনি ও প্রতিবেশীরা প্রয়োজনীয় বাজার-সদাই সেরে নিয়েছিলেন এবং মঙ্গলবার সবাই ঘরের ভেতরেই নিরাপদে ছিলেন। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বাইরের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন এবং নিজের ভবনের ভেতরের প্রতিবেশীদের সঙ্গে মিলিত হয়ে তুষার সরানোর কাজও করেছেন।
ডেম্পসি বলেন, “নিচের তলার প্রতিবেশী তুষার সরানোর যন্ত্র (snowblower) ব্যবহার করছিল, আর আমি গ্যারেজের চারপাশের সিঁড়ি থেকে বেলচা দিয়ে তুষার সরাচ্ছিলাম। আমরা তো হাসাহাসিই করছিলাম। আর কী করার আছে বলুন?”
মুনিসিং এলাকায় শীত মৌসুমে ইতিমধ্যেই প্রচুর তুষারপাত হয়েছে, তাই তুষার সরানোর জায়গা কমে গেছে। ডেম্পসি বলেন, “মানুষকে এখন কেবল ধৈর্য ধরে থাকতে হবে—বুঝতেই তো পারছেন? পরিস্থিতি এখন এমনই।”
Source & Photo: http://detroitnews.com