এবসিকন, ২৫ মার্চ : নিউজার্সি রাজ্যের এবসিকন শহরে প্রাণের আমেজে গতকাল মঙ্গলবার থেকে বাসন্তী পূজা শুরু হয়েছে। আজ মহাসপ্তমী। গতকাল সন্ধ্যায় ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় বাসন্তী পূজার আয়োজন। এবসিকন শহরের ৬১১, সাউথ শোর রোডে অবস্থিত রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে সম্পূর্ণ শাস্ত্রীয় মতে আগামী ২৮ মার্চ শনিবার পর্যন্ত বাসন্তী পূজার যাবতীয় ধর্মীয় কর্মযজ্ঞ সম্পাদিত হবে।
পুরাণ অনুযায়ী, সমাধি নামক এক বৈশ্যের সঙ্গে রাজ্যচ্যুত রাজা সুরথ বসন্তকালে ঋষি মেধসের আশ্রমে মূর্তি গড়ে দেবী দুর্গার আরাধনা করেন। পরবর্তীতে এই আরাধনাই বাসন্তী পূজা নামে প্রসিদ্ধি লাভ করে। বাসন্তী পূজোকেই অনেকেই বাঙালির প্রাচীন ও মূল দুর্গাপূজা হিসেবে মনে করেন।
শাস্ত্র অনুযায়ী, এবছর দেবী দুর্গার আগমন নৌকায় এবং গমন ঘোড়ায়। নৌকায় আগমনের ফল হিসেবে শস্যবৃদ্ধি ও জলবৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া যায়, আর ঘোড়ায় গমনের ফল হিসেবে ছত্রভঙ্গ বা অশান্তির আশঙ্কার কথা উল্লেখ রয়েছে।
বাসন্তী পূজার বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে পূজা-অর্চনা, আরতি, ধর্মসভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মহাপ্রসাদ বিতরণ। পূজার ক’দিন ঢাক-ঢোল, কাঁসর ও উলুধ্বনিতে মুখরিত থাকবে মন্দির প্রাঙ্গণ।
বাসন্তী পূজা উপলক্ষে আটলান্টিক কাউন্টির সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দ-উচ্ছ্বাস পরিলক্ষিত হচ্ছে। প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মাঝেও এই পূজাকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে।
রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের পক্ষে লিটন ধর ও সুনীল দাশ সনাতনী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাসন্তী পূজায় অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
পুরাণ অনুযায়ী, সমাধি নামক এক বৈশ্যের সঙ্গে রাজ্যচ্যুত রাজা সুরথ বসন্তকালে ঋষি মেধসের আশ্রমে মূর্তি গড়ে দেবী দুর্গার আরাধনা করেন। পরবর্তীতে এই আরাধনাই বাসন্তী পূজা নামে প্রসিদ্ধি লাভ করে। বাসন্তী পূজোকেই অনেকেই বাঙালির প্রাচীন ও মূল দুর্গাপূজা হিসেবে মনে করেন।
শাস্ত্র অনুযায়ী, এবছর দেবী দুর্গার আগমন নৌকায় এবং গমন ঘোড়ায়। নৌকায় আগমনের ফল হিসেবে শস্যবৃদ্ধি ও জলবৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া যায়, আর ঘোড়ায় গমনের ফল হিসেবে ছত্রভঙ্গ বা অশান্তির আশঙ্কার কথা উল্লেখ রয়েছে।
বাসন্তী পূজার বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে পূজা-অর্চনা, আরতি, ধর্মসভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মহাপ্রসাদ বিতরণ। পূজার ক’দিন ঢাক-ঢোল, কাঁসর ও উলুধ্বনিতে মুখরিত থাকবে মন্দির প্রাঙ্গণ।
বাসন্তী পূজা উপলক্ষে আটলান্টিক কাউন্টির সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দ-উচ্ছ্বাস পরিলক্ষিত হচ্ছে। প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মাঝেও এই পূজাকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে।
রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের পক্ষে লিটন ধর ও সুনীল দাশ সনাতনী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাসন্তী পূজায় অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।