লন্ডন, ৪ এপ্রিল : বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বৌদ্ধিক চর্চাকে বিশ্বমঞ্চে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে লন্ডনভিত্তিক নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘সৃজন’ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। গত ২৯ মার্চ, রবিবার লন্ডন সময় দুপুর ২টায় এক আন্তর্জাতিক অনলাইন সিম্পোজিয়ামের মাধ্যমে এই সাংস্কৃতিক ও চিন্তাধারাভিত্তিক সংগঠনের শুভ সূচনা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সংগঠনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন ড. হাসনীন চৌধুরী। এরপর ‘সৃজন’-এর আহ্বায়ক ও সংগঠক সাহাব আহমেদ বাচ্চু ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম জুমে যুক্ত দেশ-বিদেশের গবেষক, শিক্ষাবিদ ও সুধীজনকে স্বাগত জানান।
আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি ও লেখক নির্মলেন্দু গুণ ‘সৃজন’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “বর্তমান সময়ে আন্তর্জাতিক মানের একটি সাংস্কৃতিক ও বৌদ্ধিক চিন্তাকেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। ‘সৃজন’ বাঙালির মনন ও মেধাকে বৈশ্বিক পরিসরে নতুনভাবে তুলে ধরবে।” সংগঠনের আদর্শ ও উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন শাফকাত এজদি ও লেনিন হক। ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন অনিক সুমন ও রম্য রহিম।
বক্তারা বলেন, ‘সৃজন’ একটি গবেষণাভিত্তিক ‘কালচারাল থিংক ট্যাংক’ হিসেবে কাজ করবে। এর পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে “ডিজিটাল হেরিটেজ ল্যাব” প্রতিষ্ঠা, আন্তর্জাতিক ফেলোশিপ প্রোগ্রাম চালু করা এবং নিয়মিত সাহিত্যপত্রিকা প্রকাশ।
অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ধনঞ্জয় পালের সঞ্চালনায় একটি সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবৃত্তি পরিবেশন করেন বন্যা চক্রবর্তী ও শ্রী গাঙ্গুলী এবং সংগীত পরিবেশন করেন হুমায়ুন কবির ও ইসমত শিল্পী।
উদ্বোধনী আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল “বিংশ শতকের বাংলা সাহিত্য রূপায়ণে প্রতীচ্যের শিল্প ও দর্শনের প্রভাব”। ড.পল্টু দত্তের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট চিন্তক টি এম আহম্মদ কায়সার। তাঁর প্রবন্ধে তিনি তুলে ধরেন, বাংলা সাহিত্য পাশ্চাত্য দর্শনকে কেবল অনুকরণ করেনি, বরং নিজস্ব সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে তা রূপান্তর করে এক স্বতন্ত্র সাহিত্যধারার সৃষ্টি করেছে।
প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন প্রফেসর ড. পদ্মকালী ব্যানার্জী, প্রফেসর নিত্যানন্দ চক্রবর্তী, ড. আলী আহমদ এবং সমাজবিজ্ঞানী পার্থ সরকার।
যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক বৈশ্বিক মিলনমেলায় পরিণত হয়। সমাপনী বক্তব্যে সৈয়দ এনামুল হক ‘সৃজন’-এর এই যাত্রায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সংগঠনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন ড. হাসনীন চৌধুরী। এরপর ‘সৃজন’-এর আহ্বায়ক ও সংগঠক সাহাব আহমেদ বাচ্চু ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম জুমে যুক্ত দেশ-বিদেশের গবেষক, শিক্ষাবিদ ও সুধীজনকে স্বাগত জানান।
আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি ও লেখক নির্মলেন্দু গুণ ‘সৃজন’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “বর্তমান সময়ে আন্তর্জাতিক মানের একটি সাংস্কৃতিক ও বৌদ্ধিক চিন্তাকেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। ‘সৃজন’ বাঙালির মনন ও মেধাকে বৈশ্বিক পরিসরে নতুনভাবে তুলে ধরবে।” সংগঠনের আদর্শ ও উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন শাফকাত এজদি ও লেনিন হক। ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন অনিক সুমন ও রম্য রহিম।
বক্তারা বলেন, ‘সৃজন’ একটি গবেষণাভিত্তিক ‘কালচারাল থিংক ট্যাংক’ হিসেবে কাজ করবে। এর পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে “ডিজিটাল হেরিটেজ ল্যাব” প্রতিষ্ঠা, আন্তর্জাতিক ফেলোশিপ প্রোগ্রাম চালু করা এবং নিয়মিত সাহিত্যপত্রিকা প্রকাশ।
অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ধনঞ্জয় পালের সঞ্চালনায় একটি সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবৃত্তি পরিবেশন করেন বন্যা চক্রবর্তী ও শ্রী গাঙ্গুলী এবং সংগীত পরিবেশন করেন হুমায়ুন কবির ও ইসমত শিল্পী।
উদ্বোধনী আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল “বিংশ শতকের বাংলা সাহিত্য রূপায়ণে প্রতীচ্যের শিল্প ও দর্শনের প্রভাব”। ড.পল্টু দত্তের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট চিন্তক টি এম আহম্মদ কায়সার। তাঁর প্রবন্ধে তিনি তুলে ধরেন, বাংলা সাহিত্য পাশ্চাত্য দর্শনকে কেবল অনুকরণ করেনি, বরং নিজস্ব সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে তা রূপান্তর করে এক স্বতন্ত্র সাহিত্যধারার সৃষ্টি করেছে।
প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন প্রফেসর ড. পদ্মকালী ব্যানার্জী, প্রফেসর নিত্যানন্দ চক্রবর্তী, ড. আলী আহমদ এবং সমাজবিজ্ঞানী পার্থ সরকার।
যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক বৈশ্বিক মিলনমেলায় পরিণত হয়। সমাপনী বক্তব্যে সৈয়দ এনামুল হক ‘সৃজন’-এর এই যাত্রায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানান।