হবিগঞ্জ, ৯ এপ্রিল : হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার খাহুরা গ্রামের কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ আমেরিকা প্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন খাঁন মানবসেবার আরেক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য নিজের ৪৬ শতক জমি দান করেছেন।
প্রায় ১৭ লাখ ৫ হাজার টাকা মূল্যের এই জমিতে সরকার চাইলে বৃদ্ধ নিবাস, শিশু পরিবার, দুস্থ শিশু ও মহিলা পুনর্বাসন কেন্দ্র, ভবঘুরে আশ্রয়কেন্দ্র অথবা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যেকোনো সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারবে। গতকাল দুপুরে চারাভাঙ্গা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমির দানপত্র কবালা সম্পাদনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জমিটি হস্তান্তর করা হয়।
মাধবপুর উপজেলার কালিকাপুর মৌজার ৭ নম্বর জেএল-এর এই জমির দলিল গ্রহীতা হিসেবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন খাঁন নিজে দাতা হিসেবে কবালা সম্পাদন করেন। পরে তিনি দলিল ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হবিগঞ্জ জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রাশেদুজ্জামান চৌধুরীর কাছে হস্তান্তর করেন। এ সময় মাধবপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ইশমাম সাফিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
দলিল সম্পাদনের পর বীর মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন খাঁন বলেন, সমাজের কল্যাণে ব্যবহারের জন্যই তিনি জমিটি দান করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তার জীবদ্দশাতেই সরকার এই জমিতে একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে। আজীবন জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে তিনি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
হবিগঞ্জ জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রাশেদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, এই জমি দান একটি মহৎ উদ্যোগ। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তবে হবিগঞ্জে এখনো বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের অভাব রয়েছে। এ জমিতে একটি উপযোগী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। আশা করা যায়, জমিটি সমাজের কল্যাণে যথাযথভাবে ব্যবহার করা হবে।
প্রসঙ্গত, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে দানকৃত জমির পাশেই শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন খাঁন প্রতিষ্ঠা করেছেন “রমিজ খান দাখিল মাদ্রাসা”। ৬২ শতক জমির ওপর দুটি ভবন নির্মাণের পাশাপাশি তিনি নিয়মিত অনুদান প্রদান করে আসছেন। তার পরিবারের ফাউন্ডেশন থেকে এলাকায় শিক্ষাবৃত্তি প্রদানসহ বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া এলাকায় একটি কলেজ, একটি টেকনিক্যাল কলেজ এবং মাদ্রাসা সংলগ্ন জমিতে একটি মসজিদ নির্মাণের স্বপ্নও রয়েছে তার।
প্রায় ১৭ লাখ ৫ হাজার টাকা মূল্যের এই জমিতে সরকার চাইলে বৃদ্ধ নিবাস, শিশু পরিবার, দুস্থ শিশু ও মহিলা পুনর্বাসন কেন্দ্র, ভবঘুরে আশ্রয়কেন্দ্র অথবা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যেকোনো সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারবে। গতকাল দুপুরে চারাভাঙ্গা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমির দানপত্র কবালা সম্পাদনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জমিটি হস্তান্তর করা হয়।
মাধবপুর উপজেলার কালিকাপুর মৌজার ৭ নম্বর জেএল-এর এই জমির দলিল গ্রহীতা হিসেবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন খাঁন নিজে দাতা হিসেবে কবালা সম্পাদন করেন। পরে তিনি দলিল ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হবিগঞ্জ জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রাশেদুজ্জামান চৌধুরীর কাছে হস্তান্তর করেন। এ সময় মাধবপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ইশমাম সাফিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
দলিল সম্পাদনের পর বীর মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন খাঁন বলেন, সমাজের কল্যাণে ব্যবহারের জন্যই তিনি জমিটি দান করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তার জীবদ্দশাতেই সরকার এই জমিতে একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে। আজীবন জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে তিনি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
হবিগঞ্জ জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রাশেদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, এই জমি দান একটি মহৎ উদ্যোগ। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তবে হবিগঞ্জে এখনো বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের অভাব রয়েছে। এ জমিতে একটি উপযোগী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। আশা করা যায়, জমিটি সমাজের কল্যাণে যথাযথভাবে ব্যবহার করা হবে।
প্রসঙ্গত, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে দানকৃত জমির পাশেই শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন খাঁন প্রতিষ্ঠা করেছেন “রমিজ খান দাখিল মাদ্রাসা”। ৬২ শতক জমির ওপর দুটি ভবন নির্মাণের পাশাপাশি তিনি নিয়মিত অনুদান প্রদান করে আসছেন। তার পরিবারের ফাউন্ডেশন থেকে এলাকায় শিক্ষাবৃত্তি প্রদানসহ বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া এলাকায় একটি কলেজ, একটি টেকনিক্যাল কলেজ এবং মাদ্রাসা সংলগ্ন জমিতে একটি মসজিদ নির্মাণের স্বপ্নও রয়েছে তার।