ঢাকা, ১৩ এপ্রিল : আজ চৈত্র মাসের শেষ দিন, চৈত্র সংক্রান্তি। বাংলা বর্ষপঞ্জির হিসেবে এটি পুরোনো বছরের বিদায়ক্ষণ এবং নতুন বছরের আগমনের পূর্বপ্রস্তুতির দিন হিসেবে বাঙালির সাংস্কৃতিক জীবনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে গ্রামগঞ্জ থেকে শহর পর্যন্ত সর্বত্রই বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। বছরের শেষ এই দিনে অনেকেই ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, পূজা-অর্চনা ও প্রার্থনার মাধ্যমে বিগত বছরের দুঃখ-কষ্ট, ব্যর্থতা ও গ্লানি দূর করে নতুন বছরের কল্যাণ কামনা করেন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে স্নান, দান, ব্রত ও উপবাসের মাধ্যমে দিনটি পালন করছেন। একই সঙ্গে গ্রামীণ জনপদে কৃষিজীবী মানুষ বৃষ্টির আশায় আয়োজন করছেন ঐতিহ্যবাহী গাজন উৎসব। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মেলা, হালখাতা, লাঠিখেলা এবং সংযাত্রা ও লোকজ সাংস্কৃতিক আয়োজন দিনটিকে আরও বর্ণাঢ্য করে তুলেছে। এ দিনের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে চড়ক উৎসব বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যা বহু শতাব্দী ধরে বাঙালির ধর্মীয় ও লোকঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।
চৈত্র সংক্রান্তির খাদ্য সংস্কৃতিতেও রয়েছে নিজস্ব বৈচিত্র্য ও প্রাচীন জীবনবোধের ছাপ। এদিন অনেক অঞ্চলে আমিষ বর্জন করে নিরামিষ আহারের প্রচলন দেখা যায়। বিশেষ করে ১৪ প্রকার শাক দিয়ে ‘শাকান্ন’ রান্না এবং কোথাও কোথাও ছাতু গ্রহণের রীতি প্রচলিত রয়েছে।
চৈত্র মাসে রোগবালাই থেকে মুক্তি ও শরীরকে সুস্থ রাখার উদ্দেশ্যে তেতো ও শাকসবজি গ্রহণের এই প্রাচীন জীবনাচার আজও বাঙালির স্বাস্থ্যচেতনা ও সংস্কৃতিকে একসূত্রে গেঁথে রেখেছে।
চৈত্র সংক্রান্তি বাঙালির লোকজ সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। কোথাও কোথাও গ্রামীণ মেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়, আবার কোথাও বিশেষ খাবার আয়োজন ও সামাজিক মিলনমেলার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপিত হয়।
চৈত্র সংক্রান্তি কেবল একটি ক্যালেন্ডারিক সমাপ্তি নয়; এটি আত্মপর্যালোচনার এক অনন্য সুযোগ, যেখানে মানুষ পুরোনো বছরের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন বছরের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হয়। আগামীকাল পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নিতে দেশজুড়ে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে নানা আয়োজন ও প্রস্তুতি।
চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে গ্রামগঞ্জ থেকে শহর পর্যন্ত সর্বত্রই বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। বছরের শেষ এই দিনে অনেকেই ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, পূজা-অর্চনা ও প্রার্থনার মাধ্যমে বিগত বছরের দুঃখ-কষ্ট, ব্যর্থতা ও গ্লানি দূর করে নতুন বছরের কল্যাণ কামনা করেন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে স্নান, দান, ব্রত ও উপবাসের মাধ্যমে দিনটি পালন করছেন। একই সঙ্গে গ্রামীণ জনপদে কৃষিজীবী মানুষ বৃষ্টির আশায় আয়োজন করছেন ঐতিহ্যবাহী গাজন উৎসব। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মেলা, হালখাতা, লাঠিখেলা এবং সংযাত্রা ও লোকজ সাংস্কৃতিক আয়োজন দিনটিকে আরও বর্ণাঢ্য করে তুলেছে। এ দিনের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে চড়ক উৎসব বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যা বহু শতাব্দী ধরে বাঙালির ধর্মীয় ও লোকঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।
চৈত্র সংক্রান্তির খাদ্য সংস্কৃতিতেও রয়েছে নিজস্ব বৈচিত্র্য ও প্রাচীন জীবনবোধের ছাপ। এদিন অনেক অঞ্চলে আমিষ বর্জন করে নিরামিষ আহারের প্রচলন দেখা যায়। বিশেষ করে ১৪ প্রকার শাক দিয়ে ‘শাকান্ন’ রান্না এবং কোথাও কোথাও ছাতু গ্রহণের রীতি প্রচলিত রয়েছে।
চৈত্র মাসে রোগবালাই থেকে মুক্তি ও শরীরকে সুস্থ রাখার উদ্দেশ্যে তেতো ও শাকসবজি গ্রহণের এই প্রাচীন জীবনাচার আজও বাঙালির স্বাস্থ্যচেতনা ও সংস্কৃতিকে একসূত্রে গেঁথে রেখেছে।
চৈত্র সংক্রান্তি বাঙালির লোকজ সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। কোথাও কোথাও গ্রামীণ মেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়, আবার কোথাও বিশেষ খাবার আয়োজন ও সামাজিক মিলনমেলার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপিত হয়।
চৈত্র সংক্রান্তি কেবল একটি ক্যালেন্ডারিক সমাপ্তি নয়; এটি আত্মপর্যালোচনার এক অনন্য সুযোগ, যেখানে মানুষ পুরোনো বছরের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন বছরের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হয়। আগামীকাল পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নিতে দেশজুড়ে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে নানা আয়োজন ও প্রস্তুতি।