ল্যান্সিং, ২১ এপ্রিল : যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে গত সপ্তাহে আঘাত হানা “ঐতিহাসিক” বন্যা ও টর্নেডোর তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্তদের নিজেদের ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে মিশিগান স্টেট পুলিশ-এর জরুরি ব্যবস্থাপনা ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ।
বিভাগের ডেপুটি স্টেট ডিরেক্টর ও কমান্ডার ক্যাপ্টেন কেভিন সুইনি জানান, এসব ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদন গভর্নর গ্রেচেন হুইটমার-কে ফেডারেল দুর্যোগ তহবিল বা সহায়তার জন্য আবেদন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সুইনি বলেন, “আমরা সবাইকে জোরালোভাবে উৎসাহিত করছি যেন আপনারা নিজেদের ক্ষতির বিবরণ জমা দেন এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছবিও যুক্ত করেন। আপনারা যে তথ্য দেবেন, তা সরাসরি দুর্যোগ মোকাবিলা ও ত্রাণ কার্যক্রমকে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, যা পরবর্তীতে ফেডারেল সহায়তা পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণে ব্যবহৃত হবে।”
ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য তথ্য সংগ্রহ সহজ করতে মিশিগান স্টেট পুলিশ একটি অনলাইন ‘স্ব-প্রতিবেদন টুল’ চালু করেছে। এই টুলের মাধ্যমে সম্পত্তির ধরন, ব্যবহার, বিমা কভারেজ, ক্ষতির পরিমাণসহ বিভিন্ন তথ্য জানাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তরা তাদের প্রতিবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছবিও আপলোড করতে পারবেন এবং অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজনীয়তাও উল্লেখ করতে পারবেন। সংগৃহীত তথ্যগুলো স্থানীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে শেয়ার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
সুইনি আরও জানান, প্রবল বৃষ্টিপাত ও বরফ গলে যাওয়ার কারণে নদীর পানির স্তর দ্রুত বেড়ে যায়, যার ফলে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা দেখা দেয়। একই সময়ে অন্তত ৯টি টর্নেডো আঘাত হানায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
মিশিগানের অর্ধেক এলাকায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা
ব্যাপক বন্যা ও টর্নেডোর ক্ষয়ক্ষতির প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের প্রায় অর্ধেক এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করেছেন গভর্নর গ্রেচেন হুইটমার। রাজ্যের ৮৩টি কাউন্টির মধ্যে ৪০টিতেই এই জরুরি অবস্থা কার্যকর রয়েছে।
প্রথম জরুরি অবস্থাটি জারি করা হয় ১০ এপ্রিল চেবয়গান কাউন্টি-তে। সে সময় চেবয়গান নদী-র পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর পানি চেবয়গান লক ও বাঁধ কমপ্লেক্স ছাপিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই জরুরি অবস্থা এখনও বলবৎ রয়েছে।
পরবর্তীতে ১৪ এপ্রিল গভর্নর রাজ্যের ‘স্টেট ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার’ সক্রিয় করেন। এর পরদিন তিনি আরও ৩২টি কাউন্টিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন, যার মধ্যে রয়েছে অ্যালকোনা, অ্যালেগান, অ্যালপেনা, অ্যান্ট্রিম, অ্যারেনাক, ব্যারি, বেনজি, শার্লেভয়, ক্লেয়ার, ক্রফোর্ড, এমেট, গ্র্যান্ড ট্রাভার্স, গ্র্যাশিওট, আইওস্কো, কালকাস্কা, লেক, লিলেনো, ম্যানিস্টি, মেনোমিনি, মিসাউকি, মন্টকাল্ম, মন্টমোরেন্সি, নিউয়েগো, ওশেনা, ওগেমাউ, ওসকোডা, ওসসিওলা, প্রেস্ক আইল, রসকম্যান, সাগিনো, শিয়াওয়াসি এবং ওয়েক্সফোর্ড কাউন্টি।
১৮ এপ্রিল তিনি ইটন কাউন্টি, জ্যাকসন কাউন্টি, কালামাজু কাউন্টি, মেকোস্টা কাউন্টি এবং মাস্কেগন কাউন্টি-তে জরুরি অবস্থা জারি করেন। পাশাপাশি অ্যান আরবার ও কালামাজু শহরেও একই ঘোষণা দেওয়া হয়। সর্বশেষ ২০ এপ্রিল তিনি আয়রন কাউন্টি এবং মার্কেট কাউন্টি-তে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।
Source & Photo: http://detroitnews.com
বিভাগের ডেপুটি স্টেট ডিরেক্টর ও কমান্ডার ক্যাপ্টেন কেভিন সুইনি জানান, এসব ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদন গভর্নর গ্রেচেন হুইটমার-কে ফেডারেল দুর্যোগ তহবিল বা সহায়তার জন্য আবেদন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সুইনি বলেন, “আমরা সবাইকে জোরালোভাবে উৎসাহিত করছি যেন আপনারা নিজেদের ক্ষতির বিবরণ জমা দেন এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছবিও যুক্ত করেন। আপনারা যে তথ্য দেবেন, তা সরাসরি দুর্যোগ মোকাবিলা ও ত্রাণ কার্যক্রমকে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, যা পরবর্তীতে ফেডারেল সহায়তা পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণে ব্যবহৃত হবে।”
ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য তথ্য সংগ্রহ সহজ করতে মিশিগান স্টেট পুলিশ একটি অনলাইন ‘স্ব-প্রতিবেদন টুল’ চালু করেছে। এই টুলের মাধ্যমে সম্পত্তির ধরন, ব্যবহার, বিমা কভারেজ, ক্ষতির পরিমাণসহ বিভিন্ন তথ্য জানাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তরা তাদের প্রতিবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছবিও আপলোড করতে পারবেন এবং অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজনীয়তাও উল্লেখ করতে পারবেন। সংগৃহীত তথ্যগুলো স্থানীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে শেয়ার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
সুইনি আরও জানান, প্রবল বৃষ্টিপাত ও বরফ গলে যাওয়ার কারণে নদীর পানির স্তর দ্রুত বেড়ে যায়, যার ফলে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা দেখা দেয়। একই সময়ে অন্তত ৯টি টর্নেডো আঘাত হানায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
মিশিগানের অর্ধেক এলাকায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা
ব্যাপক বন্যা ও টর্নেডোর ক্ষয়ক্ষতির প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের প্রায় অর্ধেক এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করেছেন গভর্নর গ্রেচেন হুইটমার। রাজ্যের ৮৩টি কাউন্টির মধ্যে ৪০টিতেই এই জরুরি অবস্থা কার্যকর রয়েছে।
প্রথম জরুরি অবস্থাটি জারি করা হয় ১০ এপ্রিল চেবয়গান কাউন্টি-তে। সে সময় চেবয়গান নদী-র পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর পানি চেবয়গান লক ও বাঁধ কমপ্লেক্স ছাপিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই জরুরি অবস্থা এখনও বলবৎ রয়েছে।
পরবর্তীতে ১৪ এপ্রিল গভর্নর রাজ্যের ‘স্টেট ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার’ সক্রিয় করেন। এর পরদিন তিনি আরও ৩২টি কাউন্টিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন, যার মধ্যে রয়েছে অ্যালকোনা, অ্যালেগান, অ্যালপেনা, অ্যান্ট্রিম, অ্যারেনাক, ব্যারি, বেনজি, শার্লেভয়, ক্লেয়ার, ক্রফোর্ড, এমেট, গ্র্যান্ড ট্রাভার্স, গ্র্যাশিওট, আইওস্কো, কালকাস্কা, লেক, লিলেনো, ম্যানিস্টি, মেনোমিনি, মিসাউকি, মন্টকাল্ম, মন্টমোরেন্সি, নিউয়েগো, ওশেনা, ওগেমাউ, ওসকোডা, ওসসিওলা, প্রেস্ক আইল, রসকম্যান, সাগিনো, শিয়াওয়াসি এবং ওয়েক্সফোর্ড কাউন্টি।
১৮ এপ্রিল তিনি ইটন কাউন্টি, জ্যাকসন কাউন্টি, কালামাজু কাউন্টি, মেকোস্টা কাউন্টি এবং মাস্কেগন কাউন্টি-তে জরুরি অবস্থা জারি করেন। পাশাপাশি অ্যান আরবার ও কালামাজু শহরেও একই ঘোষণা দেওয়া হয়। সর্বশেষ ২০ এপ্রিল তিনি আয়রন কাউন্টি এবং মার্কেট কাউন্টি-তে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।
Source & Photo: http://detroitnews.com