ট্রয়, ২৯ এপ্রিল : বর্ণাঢ্য আয়োজন, রঙিন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও বিপুল প্রবাসী অংশগ্রহণে গত রোববার মুখর হয়ে উঠেছিল মিশিগানের ট্রয় শহর। আমেরিকান পোলিশ কালচারাল সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে “ইউএসবি বৈশাখী উৎসব ২০২৬”, যা আয়োজন করে ইউএসবি টুয়েন্টি ফোর।
প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের মাঝেও বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও কৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী এই আয়োজনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে পুরো ভেন্যু পরিণত হয় এক খণ্ড বাংলাদেশে।
মেলা প্রাঙ্গণ সাজানো হয় রিকশা, পালকীসহ বাঙালি সংস্কৃতির চিরচেনা অনুষঙ্গে। প্রবাসীরা রঙিন শাড়ি ও পাঞ্জাবি পরে উৎসবে যোগ দেন, যা পুরো পরিবেশকে করে তোলে আরও উৎসবমুখর। মেলায় ছিল বাংলাদেশি খাবার, পোশাক ও গয়নার আকর্ষণীয় স্টল, যা দর্শনার্থীদের ব্যাপক আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এ উৎসবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মূলধারার কয়েকজন রাজনৈতিক নেতাও উপস্থিত ছিলেন। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শারমিন তানিম।
সাংস্কৃতিক পর্বে ছিল মনোমুগ্ধকর নাচ, গান ও কবিতা পরিবেশনা। বাংলা স্কুল অব মিউজিকের পরিবেশনায় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর “এসো হে বৈশাখ” গানের মাধ্যমে শুরু হয় মূল সাংস্কৃতিক পর্ব, যা চলে রাত ১১টা পর্যন্ত। গান পরিবেশন করেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বিন্দু কণা, ওয়াশিংটন ডিসি থেকে মাহিন সুজন, নিউ জার্সি থেকে মুমিত হাসান, শারাব আজমান, পৃথা দেব, রোখসানা পলি আহমেদ, মুনিভা ইসলাম, লিসা জামান, শতাব্দী দেব ও সবিতা তরাত সুরের জাদুতে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। তাদের পরিবেশনায় পুরো প্রাঙ্গণ ভরে ওঠে আবেগ, আনন্দ ও শেকড়ের টানে এক অনন্য অনুভূতিতে, যা প্রবাসীদের যেন ফিরিয়ে নেয় নিজ মাতৃভূমির স্মৃতিতে।
নৃত্য পরিবেশনায় অংশ নেয় মহুয়া সরকার দাস মিষ্টি, অন্তরা অন্তি, তাহমিনা শিউলি, সানজিদা, অদ্রিজা চক্রবর্তী, আমারা এবং “ড্যান্স উইথ মিষ্টি” ড্যান্স স্কুলের ছোট্ট সোনামনিরা। কবিতা পাঠ করেন লিসা জামান ও পপি দাস।
আয়োজক ইউএসবি টুয়েন্টি ফোর–নিউজের চেয়ারম্যান ফয়সল আহমেদ মুন্না জানান, নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরাই তাদের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানের ভূয়সী প্রশংসা করেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর আবু বক্কর হানিফ। তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে বিদেশের মাটিতে বাঙালি সংস্কৃতি আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের মাঝেও বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও কৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী এই আয়োজনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে পুরো ভেন্যু পরিণত হয় এক খণ্ড বাংলাদেশে।
মেলা প্রাঙ্গণ সাজানো হয় রিকশা, পালকীসহ বাঙালি সংস্কৃতির চিরচেনা অনুষঙ্গে। প্রবাসীরা রঙিন শাড়ি ও পাঞ্জাবি পরে উৎসবে যোগ দেন, যা পুরো পরিবেশকে করে তোলে আরও উৎসবমুখর। মেলায় ছিল বাংলাদেশি খাবার, পোশাক ও গয়নার আকর্ষণীয় স্টল, যা দর্শনার্থীদের ব্যাপক আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এ উৎসবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মূলধারার কয়েকজন রাজনৈতিক নেতাও উপস্থিত ছিলেন। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শারমিন তানিম।
সাংস্কৃতিক পর্বে ছিল মনোমুগ্ধকর নাচ, গান ও কবিতা পরিবেশনা। বাংলা স্কুল অব মিউজিকের পরিবেশনায় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর “এসো হে বৈশাখ” গানের মাধ্যমে শুরু হয় মূল সাংস্কৃতিক পর্ব, যা চলে রাত ১১টা পর্যন্ত। গান পরিবেশন করেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বিন্দু কণা, ওয়াশিংটন ডিসি থেকে মাহিন সুজন, নিউ জার্সি থেকে মুমিত হাসান, শারাব আজমান, পৃথা দেব, রোখসানা পলি আহমেদ, মুনিভা ইসলাম, লিসা জামান, শতাব্দী দেব ও সবিতা তরাত সুরের জাদুতে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। তাদের পরিবেশনায় পুরো প্রাঙ্গণ ভরে ওঠে আবেগ, আনন্দ ও শেকড়ের টানে এক অনন্য অনুভূতিতে, যা প্রবাসীদের যেন ফিরিয়ে নেয় নিজ মাতৃভূমির স্মৃতিতে।
নৃত্য পরিবেশনায় অংশ নেয় মহুয়া সরকার দাস মিষ্টি, অন্তরা অন্তি, তাহমিনা শিউলি, সানজিদা, অদ্রিজা চক্রবর্তী, আমারা এবং “ড্যান্স উইথ মিষ্টি” ড্যান্স স্কুলের ছোট্ট সোনামনিরা। কবিতা পাঠ করেন লিসা জামান ও পপি দাস।
আয়োজক ইউএসবি টুয়েন্টি ফোর–নিউজের চেয়ারম্যান ফয়সল আহমেদ মুন্না জানান, নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরাই তাদের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানের ভূয়সী প্রশংসা করেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর আবু বক্কর হানিফ। তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে বিদেশের মাটিতে বাঙালি সংস্কৃতি আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।