চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ), ৯ মে : হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ১০ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মোঃ জুবায়ের আহমদ (২৪) নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। রোববার (১০ মে) সকালে চুনারুঘাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আমকান্দি আবু হুরায়রা নুরানী মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেফতারকৃত জুবায়ের আহমদ বাহুবল উপজেলার রামশ্রী গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে। তিনি ওই মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। প্রতিদিনের মতো সে সকালে মসজিদে আরবি পড়তে যায়। নিয়মিত শিক্ষক অনুপস্থিত থাকায় বদলি শিক্ষক হিসেবে জুবায়ের আহমদ শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছিলেন।
পাঠদান শেষে সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে তিনি কয়েকজন ছাত্রীকে টিফিন বাটি ধোয়া ও মাদ্রাসা পরিষ্কার করার কথা বলে পাশের একটি ভবনে নিয়ে যান। পরে কৌশলে অন্য ছাত্রীদের বাইরে পাঠিয়ে দিয়ে ওই ছাত্রীকে নিজের কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন।
একপর্যায়ে তিনি ছাত্রীকে ঝাপটে ধরে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন এবং জোরপূর্বক ধর্ষণের উদ্দেশ্যে তার পরনের কাপড় খোলার চেষ্টা চালায়। এসময় ছাত্রীর চিৎকার এবং বাইরে থাকা অন্য সহপাঠীদের ডাকাডাকিতে লম্পট শিক্ষক জুবায়ের দরজা খুলতে বাধ্য হয়। ভিকটিম দৌড়ে বাড়িতে গিয়ে তার বাবাকে বিষয়টি অবগত করে। ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা মোঃ জামাল মিয়া বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই চুনারুঘাট থানা পুলিশের অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত জুবায়ের আহমদকে গ্রেফতার করে। চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান,"নাবালিকা ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি এবং আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। প্রতিদিনের মতো সে সকালে মসজিদে আরবি পড়তে যায়। নিয়মিত শিক্ষক অনুপস্থিত থাকায় বদলি শিক্ষক হিসেবে জুবায়ের আহমদ শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছিলেন।
পাঠদান শেষে সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে তিনি কয়েকজন ছাত্রীকে টিফিন বাটি ধোয়া ও মাদ্রাসা পরিষ্কার করার কথা বলে পাশের একটি ভবনে নিয়ে যান। পরে কৌশলে অন্য ছাত্রীদের বাইরে পাঠিয়ে দিয়ে ওই ছাত্রীকে নিজের কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন।
একপর্যায়ে তিনি ছাত্রীকে ঝাপটে ধরে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন এবং জোরপূর্বক ধর্ষণের উদ্দেশ্যে তার পরনের কাপড় খোলার চেষ্টা চালায়। এসময় ছাত্রীর চিৎকার এবং বাইরে থাকা অন্য সহপাঠীদের ডাকাডাকিতে লম্পট শিক্ষক জুবায়ের দরজা খুলতে বাধ্য হয়। ভিকটিম দৌড়ে বাড়িতে গিয়ে তার বাবাকে বিষয়টি অবগত করে। ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা মোঃ জামাল মিয়া বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই চুনারুঘাট থানা পুলিশের অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত জুবায়ের আহমদকে গ্রেফতার করে। চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান,"নাবালিকা ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি এবং আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।