সান ডিয়েগো, ১৯ মে : যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগোতে একটি ইসলামিক সেন্টারে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই কাছাকাছি এলাকায় দুই কিশোর সন্দেহভাজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কর্তৃপক্ষের ধারণা, তারা নিজেদের গুলি করে আত্মহত্যা করেছে।
সোমবার সকালে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় নিহতদের মধ্যে একজন নিরাপত্তা রক্ষী রয়েছেন, যিনি হামলাকে আরও বড় বিপর্যয়ে রূপ নেওয়া থেকে ঠেকাতে বীরোচিত ভূমিকা পালন করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ওয়াশিংটন পোস্টের বরাতে দ্য ডেট্রয়েট নিউজ এ খবর দিয়েছে।
সান ডিয়েগো পুলিশের প্রধান স্কট ওয়াল জানান, প্রাথমিক তদন্তে এটি ‘ঘৃণাজনিত অপরাধ’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, হামলার পেছনে “ঘৃণামূলক বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য বা রেটরিকের” সংশ্লিষ্টতা ছিল।
পুলিশ জানায়, ঘটনার কয়েক ব্লক দূরে রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়ির ভেতর ১৭ ও ১৮ বছর বয়সী দুই সন্দেহভাজনের মরদেহ পাওয়া যায়। তদন্তের স্বার্থে নিহত ও সন্দেহভাজনদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
ঘটনার আগে পুলিশে ফোন করেছিলেন সন্দেহভাজনদের একজনের মা। তিনি জানান, তার কিশোর ছেলে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে এবং আত্মহত্যার পরিকল্পনা করছে বলে তার আশঙ্কা। একই সঙ্গে তিনি পুলিশকে জানান, ছেলে তার তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আরেক সঙ্গীর সঙ্গে গাড়িতে করে বেরিয়ে গেছে এবং তারা ছদ্মবেশমূলক পোশাক পরেছিল। পুলিশ ওই কিশোরদের খুঁজতে থাকাকালেই দুপুরের আগে ইসলামিক সেন্টারে গোলাগুলির খবর আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে মসজিদের বাইরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পুলিশ প্রধান ওয়াল বলেন, নিহত নিরাপত্তা রক্ষী হামলাকারীদের মসজিদের মূল প্রবেশপথের মধ্যেই আটকে রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার ভাষায়, “তার এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে বীরোচিত ছিল এবং তিনি বহু মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছেন।”
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, মসজিদের কাছাকাছি আরেক স্থানে এক ল্যান্ডস্কেপারকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হলেও তিনি অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান।
সান ডিয়েগোর বৃহত্তম ইসলামিক সেন্টার হিসেবে পরিচিত এই প্রতিষ্ঠানে একটি ইসলামিক স্কুলও রয়েছে, যেখানে প্রি-কে থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করে। হামলার সময় স্কুল থেকে শিশুদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, শিক্ষক ও অভিভাবকেরা শিশুদের হাত ধরে ভবন থেকে বের করে আনছেন এবং চারদিকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।
কেন্দ্রটির পরিচালক ইমাম তাহা হাসান বলেন, “এমন ঘটনা আমরা কখনো কল্পনাও করিনি। তবে একই সাথে, আমাদের দেশে দুর্ভাগ্যজনকভাবে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা এবং ঘৃণার যে নজিরবিহীন বিস্তার ঘটেছে, তা সত্যিই অভাবনীয়। সহনশীলতার সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের সবার।" হাসান জানান, এই কেন্দ্রটি মুসলিমদের এবং "সর্বস্তরের মানুষের" জন্য প্রার্থনা, উদযাপন ও শিক্ষার একটি কেন্দ্রবিন্দু ছিল।
সান ডিয়েগোর মেয়র টড গ্লোরিয়া এ ঘটনাকে “ঘৃণাজনিত সহিংসতা” আখ্যা দিয়ে শহরের সব উপাসনালয়ে নিরাপত্তা জোরদারের ঘোষণা দিয়েছেন।
এদিকে, এফবিআই-এর সান ডিয়েগো ফিল্ড অফিসের বিশেষ এজেন্টমার্ক ব্রিমলি জানিয়েছেন, হামলার উদ্দেশ্য ও সংশ্লিষ্ট সব তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে সহায়তার জন্য জনসাধারণের কাছ থেকে তথ্য আহ্বান করেছে এফবিআই।
সোমবার সকালে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় নিহতদের মধ্যে একজন নিরাপত্তা রক্ষী রয়েছেন, যিনি হামলাকে আরও বড় বিপর্যয়ে রূপ নেওয়া থেকে ঠেকাতে বীরোচিত ভূমিকা পালন করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ওয়াশিংটন পোস্টের বরাতে দ্য ডেট্রয়েট নিউজ এ খবর দিয়েছে।
সান ডিয়েগো পুলিশের প্রধান স্কট ওয়াল জানান, প্রাথমিক তদন্তে এটি ‘ঘৃণাজনিত অপরাধ’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, হামলার পেছনে “ঘৃণামূলক বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য বা রেটরিকের” সংশ্লিষ্টতা ছিল।
পুলিশ জানায়, ঘটনার কয়েক ব্লক দূরে রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়ির ভেতর ১৭ ও ১৮ বছর বয়সী দুই সন্দেহভাজনের মরদেহ পাওয়া যায়। তদন্তের স্বার্থে নিহত ও সন্দেহভাজনদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
ঘটনার আগে পুলিশে ফোন করেছিলেন সন্দেহভাজনদের একজনের মা। তিনি জানান, তার কিশোর ছেলে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে এবং আত্মহত্যার পরিকল্পনা করছে বলে তার আশঙ্কা। একই সঙ্গে তিনি পুলিশকে জানান, ছেলে তার তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আরেক সঙ্গীর সঙ্গে গাড়িতে করে বেরিয়ে গেছে এবং তারা ছদ্মবেশমূলক পোশাক পরেছিল। পুলিশ ওই কিশোরদের খুঁজতে থাকাকালেই দুপুরের আগে ইসলামিক সেন্টারে গোলাগুলির খবর আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে মসজিদের বাইরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পুলিশ প্রধান ওয়াল বলেন, নিহত নিরাপত্তা রক্ষী হামলাকারীদের মসজিদের মূল প্রবেশপথের মধ্যেই আটকে রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার ভাষায়, “তার এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে বীরোচিত ছিল এবং তিনি বহু মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছেন।”
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, মসজিদের কাছাকাছি আরেক স্থানে এক ল্যান্ডস্কেপারকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হলেও তিনি অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান।
সান ডিয়েগোর বৃহত্তম ইসলামিক সেন্টার হিসেবে পরিচিত এই প্রতিষ্ঠানে একটি ইসলামিক স্কুলও রয়েছে, যেখানে প্রি-কে থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করে। হামলার সময় স্কুল থেকে শিশুদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, শিক্ষক ও অভিভাবকেরা শিশুদের হাত ধরে ভবন থেকে বের করে আনছেন এবং চারদিকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।
কেন্দ্রটির পরিচালক ইমাম তাহা হাসান বলেন, “এমন ঘটনা আমরা কখনো কল্পনাও করিনি। তবে একই সাথে, আমাদের দেশে দুর্ভাগ্যজনকভাবে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা এবং ঘৃণার যে নজিরবিহীন বিস্তার ঘটেছে, তা সত্যিই অভাবনীয়। সহনশীলতার সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের সবার।" হাসান জানান, এই কেন্দ্রটি মুসলিমদের এবং "সর্বস্তরের মানুষের" জন্য প্রার্থনা, উদযাপন ও শিক্ষার একটি কেন্দ্রবিন্দু ছিল।
সান ডিয়েগোর মেয়র টড গ্লোরিয়া এ ঘটনাকে “ঘৃণাজনিত সহিংসতা” আখ্যা দিয়ে শহরের সব উপাসনালয়ে নিরাপত্তা জোরদারের ঘোষণা দিয়েছেন।
এদিকে, এফবিআই-এর সান ডিয়েগো ফিল্ড অফিসের বিশেষ এজেন্টমার্ক ব্রিমলি জানিয়েছেন, হামলার উদ্দেশ্য ও সংশ্লিষ্ট সব তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে সহায়তার জন্য জনসাধারণের কাছ থেকে তথ্য আহ্বান করেছে এফবিআই।