চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) ৪ জুন : পবিত্র ঈদুল আজহা ও এর পরবর্তী টানা ছুটিতে এবার হবিগঞ্জের অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান, রামগঙ্গা চা বাগান এবং বিউটিফুল চুনারুঘাট এলাকায় ছিল হাজারো পর্যটকের সরব উপস্থিতি। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ভ্রমণপিপাসুরা ছুটে আসেন এসব পর্যটন কেন্দ্রে।
পাহাড়, আঁকাবাঁকা টিলা, গহীন বন আর বিস্তীর্ণ সবুজ চা বাগানের মনোমুগ্ধকর পরিবেশ পর্যটকদের মুগ্ধ করে। বিশেষ করে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ওয়াচ টাওয়ার, প্রাকৃতিক বনভূমি এবং বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী দর্শনার্থীদের কাছে বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে ধরা দেয়।
ঢাকা, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পর্যটকরা জানান, ব্যস্ত শহুরে জীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটানোর জন্য সাতছড়ি একটি আদর্শ স্থান। এখানকার নির্মল পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীর উপস্থিতি তাদের ভ্রমণকে আরও আনন্দদায়ক করে তুলেছে।
কিশোরগঞ্জ থেকে ঘুরতে আসা সৌদি আরব প্রবাসী আলমগীর হোসেন জানান, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে সঙ্গে করে এই প্রথম সাতছড়ি ও রামগঙ্গা বেড়াতে এসেছেন। এতোদিন প্রবাসে বসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছেন, আজকে সরাসরি ঘুরতে এসে রামঙ্গায় খুবই অভিভূত হয়েছেন।
ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন বিভাগ, সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং স্থানীয় প্রশাসন বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হয় এবং সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয় বিভিন্ন এলাকা। পাশাপাশি অতিরিক্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ ও সার্বক্ষণিক টহলের ব্যবস্থাও রাখা হয়, যাতে দর্শনার্থীরা নির্বিঘ্নে ভ্রমণ করতে পারেন।
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের পাশাপাশি রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, গ্রিনল্যান্ড পার্ক এবং বিভিন্ন চা বাগান ও ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে ওঠা পর্যটন কেন্দ্রগুলোতেও ছিল পর্যটকদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি। ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের এই ব্যাপক সমাগমে পুরো চুনারুঘাট অঞ্চলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের ছুটিকে ঘিরে পর্যটকদের ব্যাপক আগমনে তাদের বেচাকেনা বেশ ভালো হয়েছে।
পাহাড়, আঁকাবাঁকা টিলা, গহীন বন আর বিস্তীর্ণ সবুজ চা বাগানের মনোমুগ্ধকর পরিবেশ পর্যটকদের মুগ্ধ করে। বিশেষ করে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ওয়াচ টাওয়ার, প্রাকৃতিক বনভূমি এবং বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী দর্শনার্থীদের কাছে বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে ধরা দেয়।
ঢাকা, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পর্যটকরা জানান, ব্যস্ত শহুরে জীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটানোর জন্য সাতছড়ি একটি আদর্শ স্থান। এখানকার নির্মল পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীর উপস্থিতি তাদের ভ্রমণকে আরও আনন্দদায়ক করে তুলেছে।
কিশোরগঞ্জ থেকে ঘুরতে আসা সৌদি আরব প্রবাসী আলমগীর হোসেন জানান, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে সঙ্গে করে এই প্রথম সাতছড়ি ও রামগঙ্গা বেড়াতে এসেছেন। এতোদিন প্রবাসে বসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছেন, আজকে সরাসরি ঘুরতে এসে রামঙ্গায় খুবই অভিভূত হয়েছেন।
ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন বিভাগ, সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং স্থানীয় প্রশাসন বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হয় এবং সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয় বিভিন্ন এলাকা। পাশাপাশি অতিরিক্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ ও সার্বক্ষণিক টহলের ব্যবস্থাও রাখা হয়, যাতে দর্শনার্থীরা নির্বিঘ্নে ভ্রমণ করতে পারেন।
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের পাশাপাশি রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, গ্রিনল্যান্ড পার্ক এবং বিভিন্ন চা বাগান ও ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে ওঠা পর্যটন কেন্দ্রগুলোতেও ছিল পর্যটকদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি। ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের এই ব্যাপক সমাগমে পুরো চুনারুঘাট অঞ্চলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের ছুটিকে ঘিরে পর্যটকদের ব্যাপক আগমনে তাদের বেচাকেনা বেশ ভালো হয়েছে।