ওয়াশতেনাও কাউন্টি, ৭ জুন : মিশিগানের ওয়াশতেনাও কাউন্টিতে অবস্থিত 'উইমেনস হিউরন ভ্যালি কারেকশনাল ফ্যাসিলিটি'-তে এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে তৃতীয় বন্দির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে মিশিগান ডিপার্টমেন্ট অব কারেকশনস (MDOC)।
এমডিওসি’র মুখপাত্র জেনি রিহলে জানান, ৩৬ বছর বয়সী অ্যাশলি হোথ শনিবার সকালে ট্রিনিটি হেলথ হাসপাতালে মারা যান। কারাগারের মেডিকেল ইউনিট থেকে হাসপাতালে স্থানান্তরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়।
রিহলের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার ভোরে এক কারারক্ষী লক্ষ্য করেন যে হোথ অসুস্থ বোধ করছেন। এরপর তাঁকে প্রথমে কারাগারের মেডিকেল ইউনিটে এবং পরে হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার সময় তিনি সাড়া দিচ্ছিলেন এবং সচেতন অবস্থায় ছিলেন। তবে কয়েক ঘণ্টা পর তাঁর মৃত্যু ঘটে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃত্যুটি অপ্রত্যাশিত ছিল এবং এর কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
হোথের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে গত এক মাসেরও কম সময়ে এই কারাগারে মৃত বন্দির সংখ্যা দাঁড়াল তিনজনে। ধারাবাহিক এসব মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়তে থাকায় ৩০ জন আইনপ্রণেতা এমডিওসি’র পরিচালক হেইডি ওয়াশিংটনের পদত্যাগ দাবি করেছেন।
এর আগে, গত ১৪ মে উইমেনস হিউরন ভ্যালি কারেকশনাল ফ্যাসিলিটির মেডিকেল অবজারভেশন সেলে ২৮ বছর বয়সী খাইরা হাওয়ার্ডের মৃত্যু হয়। এর তিন দিন পর, ১৭ মে, মারা যান ৫৭ বছর বয়সী আরেক বন্দি রেবেকা ফ্যাকলার। মৃত দুই নারীর পরিবারের পক্ষে দেওয়ানি মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবীদের দাবি, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা না পাওয়াই তাঁদের মৃত্যুর অন্যতম কারণ।
এদিকে, গত এক মাসে মিশিগানের কারাগারগুলোতে আরও দুজন পুরুষ বন্দির মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। তাঁদের মধ্যে একজন নিজ সেলে ছুরিকাঘাতে নিহত হন, আরেকজন ওপর থেকে পড়ে মারা যান।
সাম্প্রতিক মৃত্যুগুলোর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়তে থাকায় এমডিওসি পরিচালক হেইডি ওয়াশিংটন এক বিবৃতিতে বলেন, “যাঁদের এই অত্যন্ত বেদনাদায়ক খবরের মুখোমুখি হতে হচ্ছে—মিস হোথের পরিবার ও বন্ধুরা, এবং যাঁরা বর্তমানে ডব্লিউএইচভি (WHV)-তে রয়েছেন বা যাঁদের স্বজন সেখানে আছেন—তাঁদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। মিস হোথকে হাসপাতালে পাঠানোর পেছনের পরিস্থিতি আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি।”
তিনি আরও বলেন, “তদন্ত শেষ হওয়ার আগে আমরা জনগণের কাছে অনুরোধ করছি, সঠিক তথ্য ছাড়া কোনো ধরনের জল্পনা-কল্পনা থেকে বিরত থাকুন। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, এই মৃত্যু এবং এর আগে ঘটে যাওয়া মৃত্যুগুলোর কারণ সম্পর্কে সমাজ বা জনগণ অবশ্যই জানতে পারবে।"
কারাগারটির পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে কর্তৃপক্ষ। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যের প্রতিনিধি পরিষদের একটি তদারকি কমিটি কারাগারের পরিবেশ, ছত্রাকের উপদ্রব এবং চিকিৎসাসেবার ঘাটতি নিয়ে বন্দি, অধিকারকর্মী ও সাবেক কর্মীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। ওই শুনানিতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সঙ্গে সাম্প্রতিক মৃত্যুগুলোর পর সামনে আসা অভিযোগের বেশ মিল রয়েছে।
এমডিওসি মুখপাত্র জেনি রিহলে জানান, মে মাসে দুই নারী বন্দির মৃত্যুর পর থেকে পরিচালক হেইডি ওয়াশিংটন এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে উইমেনস হিউরন ভ্যালি কারেকশনাল ফ্যাসিলিটি পরিদর্শন করছেন।
তিনি বলেন, প্রতিটি মৃত্যুর কারণ পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি একটি স্বাধীন ময়নাতদন্ত এবং প্রশাসনিক তদন্ত পরিচালনা করা হবে, যার আওতায় কারাগারের নীতিমালা ও প্রক্রিয়াগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।
শনিবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে রাজ্যের প্রতিনিধি লরি পোহুটস্কি (ডেমোক্র্যাট-লিভোনিয়া) বলেন, কারাগারটিতে এক মাসের মধ্যে তৃতীয় বন্দির মৃত্যু "মিশিগানের প্রতিটি বাসিন্দার বিবেককে নাড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা।" তিনি লেখেন, বন্দিদের জীবনযাপনের পরিবেশ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সীমিত সুযোগ এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে মুখ খোলা ব্যক্তিদের প্রতি প্রতিশোধমূলক আচরণের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই সামনে আসছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
পোহুটস্কির মতে, এ সংকট মোকাবিলায় রাজ্যের বর্তমান পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়। তিনি বলেন, শুধু আইনসভাভিত্তিক তদারকি দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। মিশিগানের সংশোধনাগার ব্যবস্থা বর্তমানে একটি গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ এবং গভর্নরের সরাসরি মনোযোগ প্রয়োজন।
ইউএস প্রতিনিধি ডেবি ডিঙ্গেল (ডেমোক্র্যাট-অ্যান আরবার) এই মৃত্যুগুলোকে "গভীর উদ্বেগজনক, জঘন্য ও নিন্দনীয়" বলে মন্তব্য করেছেন।
ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, শুধু সমবেদনা প্রকাশ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ ও জবাবদিহিতা। তাঁর মতে, ভুক্তভোগী পরিবার এবং সাধারণ জনগণ জানতে চায় কী ঘটেছে এবং কেন ঘটেছে।
ডিঙ্গেল বলেন, হিউরন ভ্যালির নারী বন্দিরা নিরাপদ পরিবেশ ও মর্যাদাপূর্ণ আচরণ পাওয়ার অধিকার রাখেন। বারবার ঘটে যাওয়া এসব মৃত্যু কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, যার স্পষ্ট উত্তর প্রয়োজন।
তিনি জানান, এ ঘটনায় তিনি রাজ্য কর্তৃপক্ষের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক তদন্তের অনুরোধ করেছেন এবং অবিলম্বে ব্যাখ্যা, স্বচ্ছতা ও সংশোধনমূলক পদক্ষেপ দাবি করেছেন। তাঁর ভাষায়, মিশিগান ডিপার্টমেন্ট অব কারেকশনসকে জনগণের সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে কী ঘটেছিল, কোথায় ব্যর্থতা ছিল এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
রাজ্যের প্রতিনিধি রেজি মিলার (ডেমোক্র্যাট-ভ্যান বুরেন টাউনশিপ) বলেছেন, সাম্প্রতিক মৃত্যুগুলোর বিষয়ে জনসাধারণের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন এবং এগুলোকে কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন বা নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে মিলার বলেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে যখন একাধিক গুরুতর ঘটনা ঘটে, তখন তা স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জন্ম দেয়, যার স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য উত্তর জনগণের পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তিনি আরও বলেন, মানুষের জীবন যখন ঝুঁকির মুখে থাকে, তখন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা শুধু গুরুত্বপূর্ণই নয়, বরং অপরিহার্য।
Source & Photo: http://detroitnews.com
এমডিওসি’র মুখপাত্র জেনি রিহলে জানান, ৩৬ বছর বয়সী অ্যাশলি হোথ শনিবার সকালে ট্রিনিটি হেলথ হাসপাতালে মারা যান। কারাগারের মেডিকেল ইউনিট থেকে হাসপাতালে স্থানান্তরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়।
রিহলের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার ভোরে এক কারারক্ষী লক্ষ্য করেন যে হোথ অসুস্থ বোধ করছেন। এরপর তাঁকে প্রথমে কারাগারের মেডিকেল ইউনিটে এবং পরে হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার সময় তিনি সাড়া দিচ্ছিলেন এবং সচেতন অবস্থায় ছিলেন। তবে কয়েক ঘণ্টা পর তাঁর মৃত্যু ঘটে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃত্যুটি অপ্রত্যাশিত ছিল এবং এর কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
হোথের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে গত এক মাসেরও কম সময়ে এই কারাগারে মৃত বন্দির সংখ্যা দাঁড়াল তিনজনে। ধারাবাহিক এসব মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়তে থাকায় ৩০ জন আইনপ্রণেতা এমডিওসি’র পরিচালক হেইডি ওয়াশিংটনের পদত্যাগ দাবি করেছেন।
এর আগে, গত ১৪ মে উইমেনস হিউরন ভ্যালি কারেকশনাল ফ্যাসিলিটির মেডিকেল অবজারভেশন সেলে ২৮ বছর বয়সী খাইরা হাওয়ার্ডের মৃত্যু হয়। এর তিন দিন পর, ১৭ মে, মারা যান ৫৭ বছর বয়সী আরেক বন্দি রেবেকা ফ্যাকলার। মৃত দুই নারীর পরিবারের পক্ষে দেওয়ানি মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবীদের দাবি, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা না পাওয়াই তাঁদের মৃত্যুর অন্যতম কারণ।
এদিকে, গত এক মাসে মিশিগানের কারাগারগুলোতে আরও দুজন পুরুষ বন্দির মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। তাঁদের মধ্যে একজন নিজ সেলে ছুরিকাঘাতে নিহত হন, আরেকজন ওপর থেকে পড়ে মারা যান।
সাম্প্রতিক মৃত্যুগুলোর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়তে থাকায় এমডিওসি পরিচালক হেইডি ওয়াশিংটন এক বিবৃতিতে বলেন, “যাঁদের এই অত্যন্ত বেদনাদায়ক খবরের মুখোমুখি হতে হচ্ছে—মিস হোথের পরিবার ও বন্ধুরা, এবং যাঁরা বর্তমানে ডব্লিউএইচভি (WHV)-তে রয়েছেন বা যাঁদের স্বজন সেখানে আছেন—তাঁদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। মিস হোথকে হাসপাতালে পাঠানোর পেছনের পরিস্থিতি আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি।”
তিনি আরও বলেন, “তদন্ত শেষ হওয়ার আগে আমরা জনগণের কাছে অনুরোধ করছি, সঠিক তথ্য ছাড়া কোনো ধরনের জল্পনা-কল্পনা থেকে বিরত থাকুন। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, এই মৃত্যু এবং এর আগে ঘটে যাওয়া মৃত্যুগুলোর কারণ সম্পর্কে সমাজ বা জনগণ অবশ্যই জানতে পারবে।"
কারাগারটির পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে কর্তৃপক্ষ। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যের প্রতিনিধি পরিষদের একটি তদারকি কমিটি কারাগারের পরিবেশ, ছত্রাকের উপদ্রব এবং চিকিৎসাসেবার ঘাটতি নিয়ে বন্দি, অধিকারকর্মী ও সাবেক কর্মীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। ওই শুনানিতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সঙ্গে সাম্প্রতিক মৃত্যুগুলোর পর সামনে আসা অভিযোগের বেশ মিল রয়েছে।
এমডিওসি মুখপাত্র জেনি রিহলে জানান, মে মাসে দুই নারী বন্দির মৃত্যুর পর থেকে পরিচালক হেইডি ওয়াশিংটন এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে উইমেনস হিউরন ভ্যালি কারেকশনাল ফ্যাসিলিটি পরিদর্শন করছেন।
তিনি বলেন, প্রতিটি মৃত্যুর কারণ পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি একটি স্বাধীন ময়নাতদন্ত এবং প্রশাসনিক তদন্ত পরিচালনা করা হবে, যার আওতায় কারাগারের নীতিমালা ও প্রক্রিয়াগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।
শনিবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে রাজ্যের প্রতিনিধি লরি পোহুটস্কি (ডেমোক্র্যাট-লিভোনিয়া) বলেন, কারাগারটিতে এক মাসের মধ্যে তৃতীয় বন্দির মৃত্যু "মিশিগানের প্রতিটি বাসিন্দার বিবেককে নাড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা।" তিনি লেখেন, বন্দিদের জীবনযাপনের পরিবেশ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সীমিত সুযোগ এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে মুখ খোলা ব্যক্তিদের প্রতি প্রতিশোধমূলক আচরণের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই সামনে আসছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
পোহুটস্কির মতে, এ সংকট মোকাবিলায় রাজ্যের বর্তমান পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়। তিনি বলেন, শুধু আইনসভাভিত্তিক তদারকি দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। মিশিগানের সংশোধনাগার ব্যবস্থা বর্তমানে একটি গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ এবং গভর্নরের সরাসরি মনোযোগ প্রয়োজন।
ইউএস প্রতিনিধি ডেবি ডিঙ্গেল (ডেমোক্র্যাট-অ্যান আরবার) এই মৃত্যুগুলোকে "গভীর উদ্বেগজনক, জঘন্য ও নিন্দনীয়" বলে মন্তব্য করেছেন।
ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, শুধু সমবেদনা প্রকাশ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ ও জবাবদিহিতা। তাঁর মতে, ভুক্তভোগী পরিবার এবং সাধারণ জনগণ জানতে চায় কী ঘটেছে এবং কেন ঘটেছে।
ডিঙ্গেল বলেন, হিউরন ভ্যালির নারী বন্দিরা নিরাপদ পরিবেশ ও মর্যাদাপূর্ণ আচরণ পাওয়ার অধিকার রাখেন। বারবার ঘটে যাওয়া এসব মৃত্যু কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, যার স্পষ্ট উত্তর প্রয়োজন।
তিনি জানান, এ ঘটনায় তিনি রাজ্য কর্তৃপক্ষের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক তদন্তের অনুরোধ করেছেন এবং অবিলম্বে ব্যাখ্যা, স্বচ্ছতা ও সংশোধনমূলক পদক্ষেপ দাবি করেছেন। তাঁর ভাষায়, মিশিগান ডিপার্টমেন্ট অব কারেকশনসকে জনগণের সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে কী ঘটেছিল, কোথায় ব্যর্থতা ছিল এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
রাজ্যের প্রতিনিধি রেজি মিলার (ডেমোক্র্যাট-ভ্যান বুরেন টাউনশিপ) বলেছেন, সাম্প্রতিক মৃত্যুগুলোর বিষয়ে জনসাধারণের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন এবং এগুলোকে কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন বা নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে মিলার বলেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে যখন একাধিক গুরুতর ঘটনা ঘটে, তখন তা স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জন্ম দেয়, যার স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য উত্তর জনগণের পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তিনি আরও বলেন, মানুষের জীবন যখন ঝুঁকির মুখে থাকে, তখন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা শুধু গুরুত্বপূর্ণই নয়, বরং অপরিহার্য।
Source & Photo: http://detroitnews.com