ডিয়ারবর্ন, ১২ জুন : ১৯৩১ সালে নির্মিত ডিয়ারবর্নের মিলার–রোটান্ডা সেতুগুলোর সংস্কার ও পুনর্নির্মাণে ৭০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি ব্যয় শেষে বৃহস্পতিবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় কর্মকর্তারা নির্মাণকাজের বিশেষ ভেস্ট ও হেলমেট পরে অংশ নেন।
পুনর্নির্মিত সেতুগুলো আগামী ২৬ জুন থেকে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। ফোর্ড রুজ কমপ্লেক্সের পাশে রেললাইনের ওপর দিয়ে যাওয়া মিলার রোড দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৭,২০০টি এবং রোটান্ডা রোড দিয়ে প্রায় ১০,০০০টি যানবাহন চলাচল করে। জরাজীর্ণ এই ওভারপাসগুলোর পুনর্নির্মাণ কাজ ২০২৩ সালে শুরু হয়।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে মিশিগানের গভর্নর গ্রেচেন হুইটমার বলেন, “রাস্তাঘাট খারাপ হলে আমাদের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ বিলম্বিত হয়; কর্মীদের যাতায়াতে বেশি সময় লাগে; আর ভোক্তাদের বাড়তি খরচ করতে হয়।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের প্রায় সব স্তরের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ওয়েইন কাউন্টির নির্বাহী ওয়ারেন ইভান্স, ডিয়ারবর্নের মেয়র আবদুল্লাহ হামুদ, ওয়েইন কাউন্টি কমিশনার স্যাম বাইডাউন, স্টেট রিপ্রেজেন্টেটিভ আলাবাস ফারহাত এবং ডিয়ারবর্ন সিটি কাউন্সিল সদস্য মুস্তাফা হামুদ।
প্রকল্পের অর্থায়ন ও বাস্তবায়নে শ্রমিক ও সরকারের বিভিন্ন স্তরের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরেন ওয়েইন কাউন্টি নির্বাহী ওয়ারেন ইভান্স। তিনি বলেন, “পারস্পরিক সহযোগিতাই এখন সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। সব বিষয়ে আমাদের মতের মিল নাও হতে পারে; কিন্তু ওয়েইন কাউন্টি ও মিশিগানকে এগিয়ে নেওয়ার মতো বিষয়গুলোতে যদি আমরা নীতিগতভাবে একমত হতে পারি, তবেই আমরা সঠিক কাজটি করছি।”
প্রকল্পটির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের বড় অংশই ২০২১ সালের অঙ্গরাজ্যের বাজেট থেকে বরাদ্দকৃত ৭০ মিলিয়ন ডলারের তহবিল থেকে এসেছে বলে উল্লেখ করেন ডিয়ারবর্নের মেয়র আবদুল্লাহ হামুদ। তিনি জানান, মেয়র নির্বাচিত হওয়ার আগে স্টেট আইনপ্রণেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি এই বরাদ্দ নিশ্চিত করতে ভূমিকা রেখেছিলেন। মিলার রোডকে তিনি শহরের দক্ষিণ ও পূর্ব অংশকে সংযুক্তকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হিসেবে উল্লেখ করেন।
হামুদ বলেন, “এখানেই আমেরিকার সেরা পিকআপ ট্রাক—‘এফ-১৫০’ (F-150)—তৈরি ও সরবরাহ করা হয়; আর এটি নির্মাণ করেন মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সেরা শ্রমিক ইউনিয়ন ‘লোকাল ৬০০’-এর সদস্যরা।”
গভর্নর হুইটমার এই প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত নির্মাণসামগ্রী এবং শতভাগ ইউনিয়নভুক্ত শ্রমিক ব্যবহারের বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে বক্তাদের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা নির্মাণশ্রমিকরা এমন প্ল্যাকার্ড বহন করেন, যাতে হুইটমারের পরিচিত স্লোগানটির প্রতিফলন ছিল: “ওই জঘন্য রাস্তাগুলো ঠিক করছি, আমাদের ওই জরুরি চাকরিগুলো বাঁচাচ্ছি।”
মেয়াদ শেষ হওয়ায় এই বছরের পর দায়িত্ব ছাড়তে যাওয়া হুইটমার পুনর্নির্মাণ কাজকে ‘রিবিল্ডিং মিশিগান’ (Rebuilding Michigan) উদ্যোগের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন। ২০২০ সালে চালু হওয়া এই কর্মসূচির লক্ষ্য রাজ্যের সবচেয়ে বেশি যানবাহন চলাচলকারী মহাসড়ক ও সেতুর জরাজীর্ণ অবকাঠামো সংস্কার করা।
তিনি জানান, নির্মাণ মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই প্রায় ২৬,৫০০ লেন-মাইল রাস্তা এবং ২,০০০ সেতুর মেরামত সম্পন্ন হবে। হুইটমার বলেন, “আমি দায়িত্ব গ্রহণের সময়ের তুলনায় বর্তমানে অনেক বেশি রাস্তা ভালো অবস্থায় রয়েছে।”
Source & Photo: http://detroitnews.com
পুনর্নির্মিত সেতুগুলো আগামী ২৬ জুন থেকে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। ফোর্ড রুজ কমপ্লেক্সের পাশে রেললাইনের ওপর দিয়ে যাওয়া মিলার রোড দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৭,২০০টি এবং রোটান্ডা রোড দিয়ে প্রায় ১০,০০০টি যানবাহন চলাচল করে। জরাজীর্ণ এই ওভারপাসগুলোর পুনর্নির্মাণ কাজ ২০২৩ সালে শুরু হয়।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে মিশিগানের গভর্নর গ্রেচেন হুইটমার বলেন, “রাস্তাঘাট খারাপ হলে আমাদের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ বিলম্বিত হয়; কর্মীদের যাতায়াতে বেশি সময় লাগে; আর ভোক্তাদের বাড়তি খরচ করতে হয়।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের প্রায় সব স্তরের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ওয়েইন কাউন্টির নির্বাহী ওয়ারেন ইভান্স, ডিয়ারবর্নের মেয়র আবদুল্লাহ হামুদ, ওয়েইন কাউন্টি কমিশনার স্যাম বাইডাউন, স্টেট রিপ্রেজেন্টেটিভ আলাবাস ফারহাত এবং ডিয়ারবর্ন সিটি কাউন্সিল সদস্য মুস্তাফা হামুদ।
প্রকল্পের অর্থায়ন ও বাস্তবায়নে শ্রমিক ও সরকারের বিভিন্ন স্তরের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরেন ওয়েইন কাউন্টি নির্বাহী ওয়ারেন ইভান্স। তিনি বলেন, “পারস্পরিক সহযোগিতাই এখন সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। সব বিষয়ে আমাদের মতের মিল নাও হতে পারে; কিন্তু ওয়েইন কাউন্টি ও মিশিগানকে এগিয়ে নেওয়ার মতো বিষয়গুলোতে যদি আমরা নীতিগতভাবে একমত হতে পারি, তবেই আমরা সঠিক কাজটি করছি।”
প্রকল্পটির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের বড় অংশই ২০২১ সালের অঙ্গরাজ্যের বাজেট থেকে বরাদ্দকৃত ৭০ মিলিয়ন ডলারের তহবিল থেকে এসেছে বলে উল্লেখ করেন ডিয়ারবর্নের মেয়র আবদুল্লাহ হামুদ। তিনি জানান, মেয়র নির্বাচিত হওয়ার আগে স্টেট আইনপ্রণেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি এই বরাদ্দ নিশ্চিত করতে ভূমিকা রেখেছিলেন। মিলার রোডকে তিনি শহরের দক্ষিণ ও পূর্ব অংশকে সংযুক্তকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হিসেবে উল্লেখ করেন।
হামুদ বলেন, “এখানেই আমেরিকার সেরা পিকআপ ট্রাক—‘এফ-১৫০’ (F-150)—তৈরি ও সরবরাহ করা হয়; আর এটি নির্মাণ করেন মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সেরা শ্রমিক ইউনিয়ন ‘লোকাল ৬০০’-এর সদস্যরা।”
গভর্নর হুইটমার এই প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত নির্মাণসামগ্রী এবং শতভাগ ইউনিয়নভুক্ত শ্রমিক ব্যবহারের বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে বক্তাদের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা নির্মাণশ্রমিকরা এমন প্ল্যাকার্ড বহন করেন, যাতে হুইটমারের পরিচিত স্লোগানটির প্রতিফলন ছিল: “ওই জঘন্য রাস্তাগুলো ঠিক করছি, আমাদের ওই জরুরি চাকরিগুলো বাঁচাচ্ছি।”
মেয়াদ শেষ হওয়ায় এই বছরের পর দায়িত্ব ছাড়তে যাওয়া হুইটমার পুনর্নির্মাণ কাজকে ‘রিবিল্ডিং মিশিগান’ (Rebuilding Michigan) উদ্যোগের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন। ২০২০ সালে চালু হওয়া এই কর্মসূচির লক্ষ্য রাজ্যের সবচেয়ে বেশি যানবাহন চলাচলকারী মহাসড়ক ও সেতুর জরাজীর্ণ অবকাঠামো সংস্কার করা।
তিনি জানান, নির্মাণ মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই প্রায় ২৬,৫০০ লেন-মাইল রাস্তা এবং ২,০০০ সেতুর মেরামত সম্পন্ন হবে। হুইটমার বলেন, “আমি দায়িত্ব গ্রহণের সময়ের তুলনায় বর্তমানে অনেক বেশি রাস্তা ভালো অবস্থায় রয়েছে।”
Source & Photo: http://detroitnews.com