সিলেট, ১৯ জুন : রিতম পাল রিক জাতীয় পর্যায়ের প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ অংশগ্রহণ করে সাফল্য অর্জন করেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঢাকার মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
সিলেট মহানগরীর জিন্দাবাজারস্থ দুর্গাকুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী রিতম উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে কবিতা আবৃত্তি ও গল্প বলা—উভয় বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় কবিতা আবৃত্তি ও গল্প বলা—এই দুটি বিভাগেই অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে।
তার এই সাফল্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আনন্দিত ও গর্বিত। শিক্ষকরা জানান, রিতমের এ অর্জনের পেছনে তার মা, জবা পাল-এর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন স্কুলশিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি সন্তানের পড়াশোনা ও সাংস্কৃতিক বিকাশে নিরলস পরিশ্রম করে গেছেন।
জানা যায়, স্বামী অল্প বয়সেই মারা যাওয়ার পর জবা পাল একাই দুই সন্তানকে বড় করে তুলছেন। বড় মেয়ে বর্তমানে সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। স্কুলের দায়িত্ব পালনের পরও সন্তানদের সময় দেওয়া এবং তাদের নাচ, গান, কবিতা আবৃত্তি ও খেলাধুলার মতো সহশিক্ষা কার্যক্রমে উৎসাহিত করতে তিনি কখনো পিছপা হননি।
রিতমের মা জবা পাল আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “এই অর্জন আমার সন্তানের কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি আমার নিরলস চেষ্টা ও সংগ্রামের ফল।” তিনি দেশবাসীর কাছে সন্তানের জন্য দোয়া কামনা করেন।
রিতম পাল রিক তার সাফল্যের জন্য মা এবং শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলে, “আমার এই অর্জন আমার মায়ের অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিরলস প্রচেষ্টার ফসল।”
তার বড় বোন জয়িতা পাল শ্রেয়াও ভাইয়ের এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে মায়ের ত্যাগ ও পরিশ্রমের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান।
স্থানীয় শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, রিতমের এই অর্জন শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি বিদ্যালয়, সিলেট বিভাগ এবং দেশের জন্যও গর্বের বিষয়। সবাই আশা প্রকাশ করেছেন, তার এই প্রতিভা ভবিষ্যতে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সাফল্য বয়ে আনবে।
সিলেট মহানগরীর জিন্দাবাজারস্থ দুর্গাকুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী রিতম উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে কবিতা আবৃত্তি ও গল্প বলা—উভয় বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় কবিতা আবৃত্তি ও গল্প বলা—এই দুটি বিভাগেই অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে।
তার এই সাফল্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আনন্দিত ও গর্বিত। শিক্ষকরা জানান, রিতমের এ অর্জনের পেছনে তার মা, জবা পাল-এর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন স্কুলশিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি সন্তানের পড়াশোনা ও সাংস্কৃতিক বিকাশে নিরলস পরিশ্রম করে গেছেন।
জানা যায়, স্বামী অল্প বয়সেই মারা যাওয়ার পর জবা পাল একাই দুই সন্তানকে বড় করে তুলছেন। বড় মেয়ে বর্তমানে সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। স্কুলের দায়িত্ব পালনের পরও সন্তানদের সময় দেওয়া এবং তাদের নাচ, গান, কবিতা আবৃত্তি ও খেলাধুলার মতো সহশিক্ষা কার্যক্রমে উৎসাহিত করতে তিনি কখনো পিছপা হননি।
রিতমের মা জবা পাল আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “এই অর্জন আমার সন্তানের কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি আমার নিরলস চেষ্টা ও সংগ্রামের ফল।” তিনি দেশবাসীর কাছে সন্তানের জন্য দোয়া কামনা করেন।
রিতম পাল রিক তার সাফল্যের জন্য মা এবং শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলে, “আমার এই অর্জন আমার মায়ের অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিরলস প্রচেষ্টার ফসল।”
তার বড় বোন জয়িতা পাল শ্রেয়াও ভাইয়ের এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে মায়ের ত্যাগ ও পরিশ্রমের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান।
স্থানীয় শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, রিতমের এই অর্জন শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি বিদ্যালয়, সিলেট বিভাগ এবং দেশের জন্যও গর্বের বিষয়। সবাই আশা প্রকাশ করেছেন, তার এই প্রতিভা ভবিষ্যতে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সাফল্য বয়ে আনবে।