ওয়ারেন, ২১ জুন : প্রবাসের মাটিতে হবিগঞ্জের ঐতিহ্য, কৃতিত্ব ও গৌরবকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে হবিগঞ্জের গুণীজন এবং মিশিগানে শিক্ষায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা সমিতি অব মিশিগান ইউএসএ। আজ রোববার (২১ জুন) দুপুরে ওয়ারেন সিটির অলিফ রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রবাসী হবিগঞ্জবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিলনমেলায় পরিণত হয় পুরো আয়োজন।
সমিতির সভাপতি কামরুজ্জামান রোমান-এর সভাপতিত্বে এবং অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব শাহ মো. আব্দুল কাইয়ুম-এর সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিশিষ্টজন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মো: তোফায়েল চৌধুরী, ডা: ওহিদুর রহমান, স্বদেশ সরকার ((বীর মুক্তিযোদ্ধা), ইশতিয়াক রুপু, সাংবাদিক শামীম আহসান, আবু তাহের ছিদ্দিক, সাংবাদিক তোফায়েল রেজা সোহেল, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা সমিতি অব মিশিগান ইউ,এস, এ এর উপদেষ্টা সৈয়দ আলী রেজা, কালী শংকর দেব, প্রশান্ত কুমার পাল, সমিতির সিনিয়র সহ- সভাপতি চৌধুরী লুৎফুল বারী হাদী, অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক মঈন উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সাম্মু।
বক্তারা বলেন, প্রবাসে বসবাস করলেও হবিগঞ্জবাসী তাদের শেকড়, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। সমাজে ইতিবাচক অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান এবং নতুন প্রজন্মের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার মাধ্যমে কমিউনিটির বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, চিকিৎসক, সাংবাদিক, সমাজসেবক, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি নেতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মোট ৫২ জন গুণী ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননা প্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন সৈয়দ আলী রেজা, ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, মো. আব্দুর রহমান, চিন্ময় আচার্য্য (সাংবাদিক), শফিকুর রহমান চৌধুরী, ওবায়দুর রহমান রেনু, কামরুল হুসাইন, কালী শংকর দেব, ডা. শওকাতুল আম্বিয়া, ডা. গিয়াস উদ্দিন তালুকদার, রঞ্জিত কুমার এন্দ, জিয়াউল ইসলাম সোহেল, প্রশান্ত কুমার পাল, মো. মোসলে উদ্দিন মোস্তফা, সৈয়দ কাওছার, ডা. ওয়াহিদুর রহমান, স্বদেশ সরকার দেব (বীর মুক্তিযোদ্ধা), দেওয়ান আকমল চৌধুরী, ডা. সিরাজুল হক, আলী আকবর খান, মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার, মো. নূর আলম তালুকদার (বীর মুক্তিযোদ্ধা), মো. জালাল উদ্দিন তালুকদার (বীর মুক্তিযোদ্ধা), ইঞ্জিনিয়ার জয়নাল উদ্দিন খান, দিরার আহমেদ চৌধুরী, মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ, ওয়াহেদ উজ জামান আগা, অজিত দাশ, মো. আবু তাহের ছিদ্দিক, শেখ নুরুল ইসলাম, শেখ আব্দুল শহিদ, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মো. আলী আফছর, মো. শফিক উদ্দিন, শামীম আহসান (সাংবাদিক), হুমায়ূন কবির, ইশতিয়াক আহমেদ রূপু, মো. আব্দুল জব্বার, শেখ হাসান আলী, প্রবীর রায়, আলী আজগর, কায়েস চৌধুরী, ফারজানা আখন্জী সুষমা, মো. সায়েদুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মো. ফজুল কাদির, তোফায়েল রেজা সোহেল (সাংবাদিক), মো. আশিকুর রহমান (সাংবাদিক), ইসরাইল চৌধুরী, নওরোজ জাহেদ চৌধুরী, রওনক জাহেদ চৌধুরী এবং আবিদ লস্কর।
সম্মাননা গ্রহণকালে অনেকেই আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং প্রবাসে হবিগঞ্জের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে ভবিষ্যতেও কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিকদের সম্মাননা প্রদান উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে বিশেষ আবেগের সৃষ্টি করে।
একই সঙ্গে মিশিগানে শিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্য অর্জনকারী চারজন কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। তাঁদের মেধা ও অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। সংবর্ধিত শিক্ষার্থীরা হলেন তন্ময় আচার্য্য, মো: আবুল কালাম আজাদ , শাহ মোহাম্মদ মুহিন এবং ডা: ধ্রুব দেব। তাদের হাতে অনুষ্ঠানের অতিথিরা সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
বক্তারা বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। তাই তাদের মেধা, পরিশ্রম ও অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়া শুধু তাদের উৎসাহিতই করে না, বরং অন্য শিক্ষার্থীদেরও ভালো ফলাফল ও সাফল্যের জন্য অনুপ্রাণিত করে।

অনুষ্ঠান শেষে সম্মাননা প্রাপ্ত গুণীজন, কৃতী শিক্ষার্থী এবং উপস্থিত অতিথিদের অংশগ্রহণে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। প্রবাসের মাটিতে হবিগঞ্জের কৃতি সন্তানদের সম্মান জানানো এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে উৎসাহিত করার এই আয়োজন উপস্থিত সকলের কাছে এক স্মরণীয় ও অনুপ্রেরণাদায়ক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়।
এদিকে সংক্ষিপ্ত সফরে মিশিগানে আসেন হবিগঞ্জের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী হাজী শফিক মিয়া। অনুষ্ঠানে তাঁকে পেয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং তাঁর সঙ্গে শুভেচ্ছা ও স্মৃতিচারণে মেতে ওঠেন। অনুষ্ঠানে তিনি কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। তাঁর উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।
এদিকে সংক্ষিপ্ত সফরে মিশিগানে আসেন হবিগঞ্জের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী হাজী শফিক মিয়া। অনুষ্ঠানে তাঁকে পেয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং তাঁর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে তিনি কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। তাঁর উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
উল্লেখ্য, সংবর্ধিত শিক্ষার্থী ও গুণীজনদের প্রদান করা সম্মাননা ক্রেস্ট স্পন্সর করেছেন হবিগঞ্জের স্বনামধন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হাজী ছাবু মিয়া এন্ড সন্স-এর স্বত্বাধিকারী আবুল কাশেম। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা কৃতী ব্যক্তিদের সম্মানিত করার এ মহতী উদ্যোগে তাঁর সহযোগিতা অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। আয়োজকরা তাঁর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সমিতির সভাপতি কামরুজ্জামান রোমান-এর সভাপতিত্বে এবং অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব শাহ মো. আব্দুল কাইয়ুম-এর সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিশিষ্টজন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মো: তোফায়েল চৌধুরী, ডা: ওহিদুর রহমান, স্বদেশ সরকার ((বীর মুক্তিযোদ্ধা), ইশতিয়াক রুপু, সাংবাদিক শামীম আহসান, আবু তাহের ছিদ্দিক, সাংবাদিক তোফায়েল রেজা সোহেল, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা সমিতি অব মিশিগান ইউ,এস, এ এর উপদেষ্টা সৈয়দ আলী রেজা, কালী শংকর দেব, প্রশান্ত কুমার পাল, সমিতির সিনিয়র সহ- সভাপতি চৌধুরী লুৎফুল বারী হাদী, অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক মঈন উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সাম্মু।
বক্তারা বলেন, প্রবাসে বসবাস করলেও হবিগঞ্জবাসী তাদের শেকড়, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। সমাজে ইতিবাচক অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান এবং নতুন প্রজন্মের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার মাধ্যমে কমিউনিটির বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, চিকিৎসক, সাংবাদিক, সমাজসেবক, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি নেতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মোট ৫২ জন গুণী ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননা প্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন সৈয়দ আলী রেজা, ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, মো. আব্দুর রহমান, চিন্ময় আচার্য্য (সাংবাদিক), শফিকুর রহমান চৌধুরী, ওবায়দুর রহমান রেনু, কামরুল হুসাইন, কালী শংকর দেব, ডা. শওকাতুল আম্বিয়া, ডা. গিয়াস উদ্দিন তালুকদার, রঞ্জিত কুমার এন্দ, জিয়াউল ইসলাম সোহেল, প্রশান্ত কুমার পাল, মো. মোসলে উদ্দিন মোস্তফা, সৈয়দ কাওছার, ডা. ওয়াহিদুর রহমান, স্বদেশ সরকার দেব (বীর মুক্তিযোদ্ধা), দেওয়ান আকমল চৌধুরী, ডা. সিরাজুল হক, আলী আকবর খান, মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার, মো. নূর আলম তালুকদার (বীর মুক্তিযোদ্ধা), মো. জালাল উদ্দিন তালুকদার (বীর মুক্তিযোদ্ধা), ইঞ্জিনিয়ার জয়নাল উদ্দিন খান, দিরার আহমেদ চৌধুরী, মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ, ওয়াহেদ উজ জামান আগা, অজিত দাশ, মো. আবু তাহের ছিদ্দিক, শেখ নুরুল ইসলাম, শেখ আব্দুল শহিদ, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মো. আলী আফছর, মো. শফিক উদ্দিন, শামীম আহসান (সাংবাদিক), হুমায়ূন কবির, ইশতিয়াক আহমেদ রূপু, মো. আব্দুল জব্বার, শেখ হাসান আলী, প্রবীর রায়, আলী আজগর, কায়েস চৌধুরী, ফারজানা আখন্জী সুষমা, মো. সায়েদুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মো. ফজুল কাদির, তোফায়েল রেজা সোহেল (সাংবাদিক), মো. আশিকুর রহমান (সাংবাদিক), ইসরাইল চৌধুরী, নওরোজ জাহেদ চৌধুরী, রওনক জাহেদ চৌধুরী এবং আবিদ লস্কর।
সম্মাননা গ্রহণকালে অনেকেই আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং প্রবাসে হবিগঞ্জের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে ভবিষ্যতেও কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিকদের সম্মাননা প্রদান উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে বিশেষ আবেগের সৃষ্টি করে।
একই সঙ্গে মিশিগানে শিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্য অর্জনকারী চারজন কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। তাঁদের মেধা ও অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। সংবর্ধিত শিক্ষার্থীরা হলেন তন্ময় আচার্য্য, মো: আবুল কালাম আজাদ , শাহ মোহাম্মদ মুহিন এবং ডা: ধ্রুব দেব। তাদের হাতে অনুষ্ঠানের অতিথিরা সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
বক্তারা বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। তাই তাদের মেধা, পরিশ্রম ও অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়া শুধু তাদের উৎসাহিতই করে না, বরং অন্য শিক্ষার্থীদেরও ভালো ফলাফল ও সাফল্যের জন্য অনুপ্রাণিত করে।

অনুষ্ঠান শেষে সম্মাননা প্রাপ্ত গুণীজন, কৃতী শিক্ষার্থী এবং উপস্থিত অতিথিদের অংশগ্রহণে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। প্রবাসের মাটিতে হবিগঞ্জের কৃতি সন্তানদের সম্মান জানানো এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে উৎসাহিত করার এই আয়োজন উপস্থিত সকলের কাছে এক স্মরণীয় ও অনুপ্রেরণাদায়ক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়।
এদিকে সংক্ষিপ্ত সফরে মিশিগানে আসেন হবিগঞ্জের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী হাজী শফিক মিয়া। অনুষ্ঠানে তাঁকে পেয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং তাঁর সঙ্গে শুভেচ্ছা ও স্মৃতিচারণে মেতে ওঠেন। অনুষ্ঠানে তিনি কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। তাঁর উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।
এদিকে সংক্ষিপ্ত সফরে মিশিগানে আসেন হবিগঞ্জের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী হাজী শফিক মিয়া। অনুষ্ঠানে তাঁকে পেয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং তাঁর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে তিনি কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। তাঁর উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
উল্লেখ্য, সংবর্ধিত শিক্ষার্থী ও গুণীজনদের প্রদান করা সম্মাননা ক্রেস্ট স্পন্সর করেছেন হবিগঞ্জের স্বনামধন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হাজী ছাবু মিয়া এন্ড সন্স-এর স্বত্বাধিকারী আবুল কাশেম। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা কৃতী ব্যক্তিদের সম্মানিত করার এ মহতী উদ্যোগে তাঁর সহযোগিতা অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। আয়োজকরা তাঁর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।