ডেট্রয়েট, ২৪ জুন : ডেট্রয়েটের বার্ষিক আতশবাজি প্রদর্শনী উপলক্ষে জারি করা কারফিউ ভঙ্গের দায়ে সোমবার রাতে প্রায় ১৮০ জন কিশোর-কিশোরীকে জরিমানা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গত বছরের তুলনায় এবার কারফিউ লঙ্ঘনের ঘটনায় অভিযুক্তের সংখ্যা বেড়েছে।
ডেট্রয়েট পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, গত বছরের আতশবাজি প্রদর্শনীর সময় কারফিউ ভঙ্গের অভিযোগে ১৫৬ জন কিশোর-কিশোরীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এ বছর সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১৮০ জনে পৌঁছেছে।
সিটি কাউন্সিল সদস্য মেরি ওয়াটার্স, যিনি আতশবাজি প্রদর্শনী উপলক্ষে আরোপিত অস্থায়ী কারফিউর বিপক্ষে ভোট দেওয়া দুই কাউন্সিল সদস্যের একজন, বলেন যে তিনি সোমবার রাতে অনুষ্ঠানে অভিভাবকহীন শত শত কিশোর-কিশোরীকে দেখেছেন। তবে তাদের মধ্যে কোনো বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ লক্ষ্য করেননি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সোমবার পুলিশের গুলিতে আহত কিশোর এবং অস্ত্র রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ১৯ বছর বয়সী যুবক—দুজনই শহরের কারফিউর আওতার বয়সসীমার বাইরে ছিলেন।
ওয়াটার্স বলেন, “আতশবাজি প্রদর্শনীটি ছিল সত্যিই চমৎকার।” তার মতে, অনেক তরুণ-তরুণী শুধুমাত্র কারফিউর কারণে এ আয়োজনের আনন্দ উপভোগ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তিনি কারফিউ নীতিমালা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে কাউন্সিল সদস্য রেনাটা মিলার বলেন, তিনিও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং পুরো আয়োজনকে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল বলে মনে হয়েছে। তিনি ডেট্রয়েট পুলিশ বিভাগের প্রশংসা করে বলেন, অনুষ্ঠান চলাকালে কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
মিলার বলেন, “আমাদের জীবন বাঁচাতে দৌড়াতে হয়নি, মাথা নিচু করে আশ্রয় নিতে হয়নি, এমনকি এম-৮০ পটকার বিকট শব্দে বাসিন্দাদের আতঙ্কিত প্রতিক্রিয়াও দেখতে হয়নি।” তার মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর তৎপরতার কারণেই অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
ডেট্রয়েটে ১৫ বছর বা তার কম বয়সী কিশোর-কিশোরীদের জন্য সাধারণ কারফিউ রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীদের জন্য এই সময়সীমা রাত ১১টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত নির্ধারিত।
শহরের কেন্দ্রস্থল ও নদীর তীরবর্তী এলাকায় ১৮ বছরের কম বয়সী, অভিভাবকবিহীন কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোমবার রাত ৮টা থেকে মঙ্গলবার ভোর ৬টা পর্যন্ত একটি অস্থায়ী কারফিউ জারি করা হয়। বার্ষিক আতশবাজি প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে অন্তত এক দশক ধরে এ ধরনের অস্থায়ী কারফিউ কার্যকর করে আসছে শহর কর্তৃপক্ষ।
তবে চলতি বছর বিষয়টি নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে বিতর্ক চলছে। এর মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ‘টিন টেকওভার’—সোশ্যাল মিডিয়া-ভিত্তিক একটি প্রবণতা, যেখানে বিপুল সংখ্যক কিশোর-কিশোরী নির্দিষ্ট স্থানে জড়ো হয়। এ বছর ডেট্রয়েটে এ ধরনের ঘটনার কারণে শহরের কেন্দ্রস্থল ও আশপাশের এলাকায় শত শত কিশোর-কিশোরীর সমাবেশ ঘটে। এর ফলে ভাঙচুর, মারামারি এবং গুলিবর্ষণের মতো ঘটনা ঘটেছে, যদিও এতে কোনো প্রাণহানি হয়নি বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত সিটি কাউন্সিলের বৈঠকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বেটিসন সোমবার রাতের শুরুর দিকে গুলিবিদ্ধ কিশোরের অবস্থা সম্পর্কে কোনো নতুন তথ্য দিতে পারেননি। আতশবাজি প্রদর্শনী শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে শহরের কেন্দ্রস্থল ক্যাডিলাক স্কয়ারের কাছে ফার্মার ও বেটস স্ট্রিটের সংযোগস্থলে এক পুলিশ কর্মকর্তা ওই কিশোরকে গুলি করেন। সোমবার রাতে আহত কিশোর স্থানীয় একটি হাসপাতালে গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিল। ডেট্রয়েট পুলিশ সন্দেহভাজন ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেনি।
এ ঘটনায় আতশবাজি প্রদর্শনীর আগে শহরের কেন্দ্রস্থলে টানা দুই বছর গোলাগুলির ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলো। গত বছরও একই সময়ের কাছাকাছি ঘটনায় ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরের সঙ্গে মারামারির সময় ১৯ বছর বয়সী এক যুবকের গুলিতে দুইজন আহত হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছিল।
Source & Photo: http://detroitnews.com
ডেট্রয়েট পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, গত বছরের আতশবাজি প্রদর্শনীর সময় কারফিউ ভঙ্গের অভিযোগে ১৫৬ জন কিশোর-কিশোরীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এ বছর সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১৮০ জনে পৌঁছেছে।
সিটি কাউন্সিল সদস্য মেরি ওয়াটার্স, যিনি আতশবাজি প্রদর্শনী উপলক্ষে আরোপিত অস্থায়ী কারফিউর বিপক্ষে ভোট দেওয়া দুই কাউন্সিল সদস্যের একজন, বলেন যে তিনি সোমবার রাতে অনুষ্ঠানে অভিভাবকহীন শত শত কিশোর-কিশোরীকে দেখেছেন। তবে তাদের মধ্যে কোনো বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ লক্ষ্য করেননি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সোমবার পুলিশের গুলিতে আহত কিশোর এবং অস্ত্র রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ১৯ বছর বয়সী যুবক—দুজনই শহরের কারফিউর আওতার বয়সসীমার বাইরে ছিলেন।
ওয়াটার্স বলেন, “আতশবাজি প্রদর্শনীটি ছিল সত্যিই চমৎকার।” তার মতে, অনেক তরুণ-তরুণী শুধুমাত্র কারফিউর কারণে এ আয়োজনের আনন্দ উপভোগ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তিনি কারফিউ নীতিমালা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে কাউন্সিল সদস্য রেনাটা মিলার বলেন, তিনিও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং পুরো আয়োজনকে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল বলে মনে হয়েছে। তিনি ডেট্রয়েট পুলিশ বিভাগের প্রশংসা করে বলেন, অনুষ্ঠান চলাকালে কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
মিলার বলেন, “আমাদের জীবন বাঁচাতে দৌড়াতে হয়নি, মাথা নিচু করে আশ্রয় নিতে হয়নি, এমনকি এম-৮০ পটকার বিকট শব্দে বাসিন্দাদের আতঙ্কিত প্রতিক্রিয়াও দেখতে হয়নি।” তার মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর তৎপরতার কারণেই অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
ডেট্রয়েটে ১৫ বছর বা তার কম বয়সী কিশোর-কিশোরীদের জন্য সাধারণ কারফিউ রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীদের জন্য এই সময়সীমা রাত ১১টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত নির্ধারিত।
শহরের কেন্দ্রস্থল ও নদীর তীরবর্তী এলাকায় ১৮ বছরের কম বয়সী, অভিভাবকবিহীন কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোমবার রাত ৮টা থেকে মঙ্গলবার ভোর ৬টা পর্যন্ত একটি অস্থায়ী কারফিউ জারি করা হয়। বার্ষিক আতশবাজি প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে অন্তত এক দশক ধরে এ ধরনের অস্থায়ী কারফিউ কার্যকর করে আসছে শহর কর্তৃপক্ষ।
তবে চলতি বছর বিষয়টি নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে বিতর্ক চলছে। এর মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ‘টিন টেকওভার’—সোশ্যাল মিডিয়া-ভিত্তিক একটি প্রবণতা, যেখানে বিপুল সংখ্যক কিশোর-কিশোরী নির্দিষ্ট স্থানে জড়ো হয়। এ বছর ডেট্রয়েটে এ ধরনের ঘটনার কারণে শহরের কেন্দ্রস্থল ও আশপাশের এলাকায় শত শত কিশোর-কিশোরীর সমাবেশ ঘটে। এর ফলে ভাঙচুর, মারামারি এবং গুলিবর্ষণের মতো ঘটনা ঘটেছে, যদিও এতে কোনো প্রাণহানি হয়নি বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত সিটি কাউন্সিলের বৈঠকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বেটিসন সোমবার রাতের শুরুর দিকে গুলিবিদ্ধ কিশোরের অবস্থা সম্পর্কে কোনো নতুন তথ্য দিতে পারেননি। আতশবাজি প্রদর্শনী শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে শহরের কেন্দ্রস্থল ক্যাডিলাক স্কয়ারের কাছে ফার্মার ও বেটস স্ট্রিটের সংযোগস্থলে এক পুলিশ কর্মকর্তা ওই কিশোরকে গুলি করেন। সোমবার রাতে আহত কিশোর স্থানীয় একটি হাসপাতালে গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিল। ডেট্রয়েট পুলিশ সন্দেহভাজন ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেনি।
এ ঘটনায় আতশবাজি প্রদর্শনীর আগে শহরের কেন্দ্রস্থলে টানা দুই বছর গোলাগুলির ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলো। গত বছরও একই সময়ের কাছাকাছি ঘটনায় ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরের সঙ্গে মারামারির সময় ১৯ বছর বয়সী এক যুবকের গুলিতে দুইজন আহত হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছিল।
Source & Photo: http://detroitnews.com