ব্র্যাডলি কাইল মার্টিন/Oakland County Sheriff's Office
ডিয়ারবর্ন হাইটস, ২৭ জুন : মিশিগানের ডিয়ারবর্ন হাইটসের ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুটি গুরুতর ফৌজদারি (ফেলোনি) অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশের দাবি, তিনি যাকে একজন কিশোরী বলে বিশ্বাস করেছিলেন, তার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেছিলেন।
ওকল্যান্ড কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার নোভির ৫২-১ ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে ব্র্যাডলি কাইল মার্টিনকে আদালতে হাজির করা হয়। তার বিরুদ্ধে কম্পিউটার ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটন এবং অনৈতিক উদ্দেশ্যে একটি শিশুকে প্রলুব্ধ বা উত্যক্ত করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, একজন ম্যাজিস্ট্রেট তার জামিন ৭৫ হাজার ডলার নির্ধারণ করেছেন। আদালতের নথি অনুযায়ী, মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ জুলাই। দোষী সাব্যস্ত হলে কম্পিউটার ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে সর্বোচ্চ ১০ বছর এবং শিশুকে অনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রলুব্ধ বা উত্যক্ত করার অভিযোগে সর্বোচ্চ চার বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। শুক্রবার পর্যন্ত আদালতের নথিতে মার্টিনের পক্ষে কোনো আইনজীবীর নাম উল্লেখ করা হয়নি।
কর্মকর্তারা জানান, অনলাইনে যোগাযোগের পর ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরী বলে যাকে তিনি বিশ্বাস করেছিলেন, তার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেন মার্টিন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে ওকল্যান্ড কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের ডেপুটিরা তাকে গ্রেপ্তার করেন। কর্তৃপক্ষের দাবি, তিনি পরবর্তীতে হাইল্যান্ড টাউনশিপে ওই কথিত কিশোরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার র চেষ্টা করেছিলেন।
ওকল্যান্ড কাউন্টির শেরিফ মাইকেল বুচার্ড শিশুদের অনলাইন শোষণ বা তাদের লক্ষ্য করে পরিচালিত সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য পেলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “শিশুদের লক্ষ্য করে অপরাধমূলক আচরণকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স বা কঠোর। কেউ যদি জানতে পারেন বা সন্দেহ করেন যে কোনো ব্যক্তি একটি শিশুকে লক্ষ্যবস্তু করছে, তাহলে অবিলম্বে শেরিফের কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমরা প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করব এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করব।”
Source & Photo: http://detroitnews.com
ডিয়ারবর্ন হাইটস, ২৭ জুন : মিশিগানের ডিয়ারবর্ন হাইটসের ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুটি গুরুতর ফৌজদারি (ফেলোনি) অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশের দাবি, তিনি যাকে একজন কিশোরী বলে বিশ্বাস করেছিলেন, তার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেছিলেন।
ওকল্যান্ড কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার নোভির ৫২-১ ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে ব্র্যাডলি কাইল মার্টিনকে আদালতে হাজির করা হয়। তার বিরুদ্ধে কম্পিউটার ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটন এবং অনৈতিক উদ্দেশ্যে একটি শিশুকে প্রলুব্ধ বা উত্যক্ত করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, একজন ম্যাজিস্ট্রেট তার জামিন ৭৫ হাজার ডলার নির্ধারণ করেছেন। আদালতের নথি অনুযায়ী, মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ জুলাই। দোষী সাব্যস্ত হলে কম্পিউটার ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে সর্বোচ্চ ১০ বছর এবং শিশুকে অনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রলুব্ধ বা উত্যক্ত করার অভিযোগে সর্বোচ্চ চার বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। শুক্রবার পর্যন্ত আদালতের নথিতে মার্টিনের পক্ষে কোনো আইনজীবীর নাম উল্লেখ করা হয়নি।
কর্মকর্তারা জানান, অনলাইনে যোগাযোগের পর ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরী বলে যাকে তিনি বিশ্বাস করেছিলেন, তার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেন মার্টিন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে ওকল্যান্ড কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের ডেপুটিরা তাকে গ্রেপ্তার করেন। কর্তৃপক্ষের দাবি, তিনি পরবর্তীতে হাইল্যান্ড টাউনশিপে ওই কথিত কিশোরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার র চেষ্টা করেছিলেন।
ওকল্যান্ড কাউন্টির শেরিফ মাইকেল বুচার্ড শিশুদের অনলাইন শোষণ বা তাদের লক্ষ্য করে পরিচালিত সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য পেলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “শিশুদের লক্ষ্য করে অপরাধমূলক আচরণকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স বা কঠোর। কেউ যদি জানতে পারেন বা সন্দেহ করেন যে কোনো ব্যক্তি একটি শিশুকে লক্ষ্যবস্তু করছে, তাহলে অবিলম্বে শেরিফের কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমরা প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করব এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করব।”
Source & Photo: http://detroitnews.com