হ্যামট্রাম্যাক, ৭ জুলাই : যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস ৪ জুলাই হ্যামট্রাম্যাকের একটি পার্কিং লটে আতশবাজি নিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় একদল তরুণ একে অপরের দিকে আতশবাজি ছোড়ে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজনদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন তরুণ শপিং কার্টে চড়ে একে অপরের দিকে ‘রোমান ক্যান্ডেল’ ধরনের আতশবাজি ছুড়ছে। পার্কিং লটে গাড়ি চলাচলের মধ্যেই কেউ কেউ ‘বটল রকেট’সহ বিভিন্ন ধরনের আতশবাজি ব্যবহার করছে।
শনিবার জস ক্যাম্পাউ এলাকার হ্যামট্রাম্যাক টাউন সেন্টারের পার্কিং লটে এ ঘটনা ঘটে। ওই এলাকায় শহরের স্বাধীনতা দিবসের আতশবাজি প্রদর্শনী দেখতে বিপুলসংখ্যক বাসিন্দা জড়ো হয়েছিলেন।
হ্যামট্রাম্যাক শহরের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় কর্মকর্তারা জানান, এ ঘটনায় কেউ আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে কয়েকজনকে শনাক্ত করেছে এবং অনলাইন ভিডিও ক্লিপগুলোতে যাদের আইন অমান্যকারী আচরণ করতে দেখা গেছে, তাদের সবাইকে শনাক্ত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
শহরের এক ভিডিও বার্তায় হ্যামট্রাম্যাক পুলিশ প্রধান হোসেন ফারহাত বলেন, “ঘটনায় জড়িতদের অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে। তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে উপস্থিত অনেক মানুষ নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন। হ্যামট্রাম্যাক শহরে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
পুলিশ জানিয়েছে, অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে যাদের দেখা গেছে, তাদের অনেকেই অপ্রাপ্তবয়স্ক। তদন্তকারীরা তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। পুলিশ বলেছে, সন্তানদের কর্মকাণ্ডের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী অভিভাবকদেরও দায়বদ্ধ করা হবে। পুলিশ প্রধান ফারহাত আরও বলেন, “যারা আইন লঙ্ঘন করেছে এবং সেখানে উপস্থিত মানুষদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
হ্যামট্রাম্যাকের মেয়র অ্যাডাম আলহারবি অনলাইনে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি যাতে আশপাশের সড়কগুলোতে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য পুলিশ কৌশলগতভাবে বড় জনসমাগমকে টাউন সেন্টারের পার্কিং লটের মধ্যেই সীমিত রেখেছিল।
মেয়র আলহারবি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, “আমি তাদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করি। তবে এটাও স্পষ্ট যে আমাদের পরিবর্তন প্রয়োজন। নিজেদের এলাকায় নিরাপদ বোধ করার অধিকার সবার রয়েছে।”
তিনি কিশোরদের এমন আচরণকে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” উল্লেখ করে হ্যামট্রাম্যাকের বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন সবাই একে অপরের কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল ও সম্মানজনক আচরণ প্রত্যাশা করেন।
মেয়র বলেন, “মানুষ ও গাড়ির দিকে আতশবাজি ছোড়া শুধু বিপজ্জনক নয়, এটি একটি গুরুতর সমস্যা, যা সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড আমাদের শহরের সুনাম ক্ষুণ্ন করে এবং এমন একটি নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করে, যা হ্যামট্রাম্যাকের প্রকৃত পরিচয় নয়। আমাদের আরও ভালো আচরণ করতে হবে।”
Source & Photo: http://detroitnews.com
অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন তরুণ শপিং কার্টে চড়ে একে অপরের দিকে ‘রোমান ক্যান্ডেল’ ধরনের আতশবাজি ছুড়ছে। পার্কিং লটে গাড়ি চলাচলের মধ্যেই কেউ কেউ ‘বটল রকেট’সহ বিভিন্ন ধরনের আতশবাজি ব্যবহার করছে।
শনিবার জস ক্যাম্পাউ এলাকার হ্যামট্রাম্যাক টাউন সেন্টারের পার্কিং লটে এ ঘটনা ঘটে। ওই এলাকায় শহরের স্বাধীনতা দিবসের আতশবাজি প্রদর্শনী দেখতে বিপুলসংখ্যক বাসিন্দা জড়ো হয়েছিলেন।
হ্যামট্রাম্যাক শহরের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় কর্মকর্তারা জানান, এ ঘটনায় কেউ আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে কয়েকজনকে শনাক্ত করেছে এবং অনলাইন ভিডিও ক্লিপগুলোতে যাদের আইন অমান্যকারী আচরণ করতে দেখা গেছে, তাদের সবাইকে শনাক্ত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
শহরের এক ভিডিও বার্তায় হ্যামট্রাম্যাক পুলিশ প্রধান হোসেন ফারহাত বলেন, “ঘটনায় জড়িতদের অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে। তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে উপস্থিত অনেক মানুষ নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন। হ্যামট্রাম্যাক শহরে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
পুলিশ জানিয়েছে, অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে যাদের দেখা গেছে, তাদের অনেকেই অপ্রাপ্তবয়স্ক। তদন্তকারীরা তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। পুলিশ বলেছে, সন্তানদের কর্মকাণ্ডের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী অভিভাবকদেরও দায়বদ্ধ করা হবে। পুলিশ প্রধান ফারহাত আরও বলেন, “যারা আইন লঙ্ঘন করেছে এবং সেখানে উপস্থিত মানুষদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
হ্যামট্রাম্যাকের মেয়র অ্যাডাম আলহারবি অনলাইনে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি যাতে আশপাশের সড়কগুলোতে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য পুলিশ কৌশলগতভাবে বড় জনসমাগমকে টাউন সেন্টারের পার্কিং লটের মধ্যেই সীমিত রেখেছিল।
মেয়র আলহারবি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, “আমি তাদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করি। তবে এটাও স্পষ্ট যে আমাদের পরিবর্তন প্রয়োজন। নিজেদের এলাকায় নিরাপদ বোধ করার অধিকার সবার রয়েছে।”
তিনি কিশোরদের এমন আচরণকে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” উল্লেখ করে হ্যামট্রাম্যাকের বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন সবাই একে অপরের কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল ও সম্মানজনক আচরণ প্রত্যাশা করেন।
মেয়র বলেন, “মানুষ ও গাড়ির দিকে আতশবাজি ছোড়া শুধু বিপজ্জনক নয়, এটি একটি গুরুতর সমস্যা, যা সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড আমাদের শহরের সুনাম ক্ষুণ্ন করে এবং এমন একটি নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করে, যা হ্যামট্রাম্যাকের প্রকৃত পরিচয় নয়। আমাদের আরও ভালো আচরণ করতে হবে।”
Source & Photo: http://detroitnews.com