কলকাতা, ১০ জুলাই : টালিগঞ্জ ময়ূর এভিনিউ বৌদ্ধ সমিতির উদ্যোগে টালিগঞ্জ সম্বোধি বুদ্ধ বিহারে ধর্মীয় ও মানবকল্যাণমূলক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশিষ্ট বৌদ্ধ ভিক্ষু, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, মানবতাবাদী, লেখক ও সংগঠক ড. অরুণ জ্যোতি ভিক্ষুর ৫১তম জন্মতিথি উদযাপন করা হয়েছে।
গত ৭ জুলাই মঙ্গলবার টালিগঞ্জ ময়ূর এভিনিউ বৌদ্ধ সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, মানবসেবা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার মধ্য দিয়ে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি মানবকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের সূচনায় বুদ্ধপূজা, ত্রিশরণ ও পঞ্চশীল গ্রহণ, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, ধর্মদেশনা, মঙ্গলসূত্র পাঠ এবং বিশেষ আশীর্বাদ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পরে ভিক্ষুসংঘ, উপাসক-উপাসিকা ও শুভানুধ্যায়ীদের অংশগ্রহণে ড. অরুণ জ্যোতি ভিক্ষুর জন্মতিথি উদযাপন সম্পন্ন হয়।
জন্মতিথিকে মানবকল্যাণের দিনে পরিণত করে ড. অরুণ জ্যোতি ভিক্ষুর উদ্যোগে অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ প্রদান এবং বিভিন্ন আশ্রম ও সেবাকেন্দ্রে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
উপস্থিত অতিথিরা এই মানবিক উদ্যোগকে বুদ্ধের করুণা, মৈত্রী ও সেবাধর্মের এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, মানবকল্যাণমূলক এ ধরনের কার্যক্রম সমাজে সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ড. অরুণ জ্যোতি ভিক্ষু। তিনি বলেন, “জন্মদিন শুধু ব্যক্তিগত আনন্দের দিন নয়; এটি মানবসেবা, আত্মসমালোচনা এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার অঙ্গীকার পুনর্নবীকরণের দিন। আমি যেমন একজন মায়ের গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছি, তেমনি পৃথিবীর প্রতিটি মানুষই একজন মায়ের সন্তান। তাই প্রতিটি মা, বোন ও কন্যাশিশুর সম্মান, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব।”
তিনি পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রতিক নারী নির্যাতনের ঘটনাগুলোতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা জানান। একই সঙ্গে রাজ্য সরকার, প্রশাসন, গণমাধ্যম এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এমন একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে কোনো নারী ধর্ষণ, নির্যাতন বা হত্যার শিকার হবেন না।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি মা, বোন ও কন্যা শিশু যেন মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারেন—এটাই হওয়া উচিত সমাজের সম্মিলিত অঙ্গীকার।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট বৌদ্ধ ভিক্ষু ভদন্ত অগ্রলংকার ভিক্ষু ও ভদন্ত নন্দপ্রিয় ভিক্ষু,বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সুকুমার দাস, ড.সুরেশ কুমার আগারওয়াল, বিশ্বভারতী বিদ্যালয়ের অধ্যাপক শিরাজুল ইসলাম, বিশিষ্ট সমাজসেবী সঞ্জয় চামারিয়া, মনোতোষ বড়ুয়া, সুকোমল বড়ুয়া, প্রতীক বান্টিয়া সহ বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ভিক্ষুসংঘ, উপাসক-উপাসিকা এবং গণ্যমান্য অতিথিবৃন্দ।
উপস্থিত অতিথিরা ড. অরুণ জ্যোতি ভিক্ষুকে জন্মতিথির আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তারা তাঁর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য এবং মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। সকল প্রাণীর মঙ্গল, বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণ কামনায় বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
গত ৭ জুলাই মঙ্গলবার টালিগঞ্জ ময়ূর এভিনিউ বৌদ্ধ সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, মানবসেবা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার মধ্য দিয়ে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি মানবকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের সূচনায় বুদ্ধপূজা, ত্রিশরণ ও পঞ্চশীল গ্রহণ, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, ধর্মদেশনা, মঙ্গলসূত্র পাঠ এবং বিশেষ আশীর্বাদ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পরে ভিক্ষুসংঘ, উপাসক-উপাসিকা ও শুভানুধ্যায়ীদের অংশগ্রহণে ড. অরুণ জ্যোতি ভিক্ষুর জন্মতিথি উদযাপন সম্পন্ন হয়।
জন্মতিথিকে মানবকল্যাণের দিনে পরিণত করে ড. অরুণ জ্যোতি ভিক্ষুর উদ্যোগে অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ প্রদান এবং বিভিন্ন আশ্রম ও সেবাকেন্দ্রে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
উপস্থিত অতিথিরা এই মানবিক উদ্যোগকে বুদ্ধের করুণা, মৈত্রী ও সেবাধর্মের এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, মানবকল্যাণমূলক এ ধরনের কার্যক্রম সমাজে সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ড. অরুণ জ্যোতি ভিক্ষু। তিনি বলেন, “জন্মদিন শুধু ব্যক্তিগত আনন্দের দিন নয়; এটি মানবসেবা, আত্মসমালোচনা এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার অঙ্গীকার পুনর্নবীকরণের দিন। আমি যেমন একজন মায়ের গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছি, তেমনি পৃথিবীর প্রতিটি মানুষই একজন মায়ের সন্তান। তাই প্রতিটি মা, বোন ও কন্যাশিশুর সম্মান, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব।”
তিনি পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রতিক নারী নির্যাতনের ঘটনাগুলোতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা জানান। একই সঙ্গে রাজ্য সরকার, প্রশাসন, গণমাধ্যম এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এমন একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে কোনো নারী ধর্ষণ, নির্যাতন বা হত্যার শিকার হবেন না।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি মা, বোন ও কন্যা শিশু যেন মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারেন—এটাই হওয়া উচিত সমাজের সম্মিলিত অঙ্গীকার।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট বৌদ্ধ ভিক্ষু ভদন্ত অগ্রলংকার ভিক্ষু ও ভদন্ত নন্দপ্রিয় ভিক্ষু,বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সুকুমার দাস, ড.সুরেশ কুমার আগারওয়াল, বিশ্বভারতী বিদ্যালয়ের অধ্যাপক শিরাজুল ইসলাম, বিশিষ্ট সমাজসেবী সঞ্জয় চামারিয়া, মনোতোষ বড়ুয়া, সুকোমল বড়ুয়া, প্রতীক বান্টিয়া সহ বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ভিক্ষুসংঘ, উপাসক-উপাসিকা এবং গণ্যমান্য অতিথিবৃন্দ।
উপস্থিত অতিথিরা ড. অরুণ জ্যোতি ভিক্ষুকে জন্মতিথির আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তারা তাঁর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য এবং মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। সকল প্রাণীর মঙ্গল, বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণ কামনায় বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।