হবিগঞ্জ, ১০ জুলাই : হবিগঞ্জ সদর উপজেলার খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ এমপি খোয়াই নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
কালীগঞ্জ এলাকায় বাঁধ পরিদর্শনকালে তিনি জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজকে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়ে বলেন, “গুটিকয়েক মানুষের অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণে আজ কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।”
পরিদর্শন শেষে হুইপ জি কে গউছ এমপি বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে সদর উপজেলার চরহামুয়া-কালীগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর পূর্ব তীরের বাঁধ ভেঙে যায়। মুহূর্তেই নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে অন্তত ২০ থেকে ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয় এবং কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। রাতভর নতুন নতুন এলাকায় বন্যার পানি ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ফলে চরহামুয়া, কালীগঞ্জসহ আশপাশের এলাকার ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে গেছে। আকস্মিক বন্যায় বহু পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘরবাড়ি ছেড়ে উঁচু স্থানে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। পর্যাপ্ত সরকারি আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় অনেকেই স্থানীয় স্কুল ও মাদ্রাসায় আশ্রয় নিয়েছেন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। জরুরি সহায়তার জন্য ৫ লাখ টাকা, ১০০ টন চাল এবং ১,৮২০ প্যাকেট শুকনো খাবার মজুদ রাখা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ দ্রুত স্থায়ীভাবে সংস্কার, খোয়াই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ বন্ধ এবং বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।
কালীগঞ্জ এলাকায় বাঁধ পরিদর্শনকালে তিনি জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজকে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়ে বলেন, “গুটিকয়েক মানুষের অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণে আজ কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।”
পরিদর্শন শেষে হুইপ জি কে গউছ এমপি বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে সদর উপজেলার চরহামুয়া-কালীগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর পূর্ব তীরের বাঁধ ভেঙে যায়। মুহূর্তেই নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে অন্তত ২০ থেকে ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয় এবং কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। রাতভর নতুন নতুন এলাকায় বন্যার পানি ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ফলে চরহামুয়া, কালীগঞ্জসহ আশপাশের এলাকার ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে গেছে। আকস্মিক বন্যায় বহু পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘরবাড়ি ছেড়ে উঁচু স্থানে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। পর্যাপ্ত সরকারি আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় অনেকেই স্থানীয় স্কুল ও মাদ্রাসায় আশ্রয় নিয়েছেন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। জরুরি সহায়তার জন্য ৫ লাখ টাকা, ১০০ টন চাল এবং ১,৮২০ প্যাকেট শুকনো খাবার মজুদ রাখা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ দ্রুত স্থায়ীভাবে সংস্কার, খোয়াই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ বন্ধ এবং বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।