ডেট্রয়েট পুলিশ বিভাগের মুখপাত্র জেসমিন বারমোর ১০ জুলাই ২০২৬ ডেট্রয়েট পুলিশ সেফটি হেডকোয়ার্টারের বাইরে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন/Max Reinhart, The Detroit News
ডেট্রয়েট, ১১ জুলাই : ডেট্রয়েট পুলিশ এমন এক সন্দেহভাজন ব্যক্তির খোঁজ করছে, যিনি শুক্রবার এক বাবার গাড়ি ছিনতাই করে পেছনের সিটে থাকা ৭ মাস বয়সী শিশুসহ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর মিশিগান স্টেট পুলিশ চুরি হওয়া গাড়িটি উদ্ধার করে। গাড়িটির ভেতর থেকেই শিশুটিকে নিরাপদ অবস্থায় পাওয়া যায়। যেদিন ডেট্রয়েটে তাপমাত্রা ৮৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটে পৌঁছেছিল, সেদিন গাড়িটি একটি গ্যারেজের ভেতরে পার্ক করা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। শিশুটিকে তাৎক্ষণিকভাবে একটি শিশু হাসপাতালে নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। পরে তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
ডেট্রয়েট পুলিশ বিভাগের মুখপাত্র জেসমিন বারমোর ডেট্রয়েট পুলিশ সেফটি হেডকোয়ার্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আমি শিশুটির ছবি দেখেছি এবং সে ভালো আছে। সে আসলে হাসছিল।” পুলিশ সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার দুপুরের ঠিক আগে ৯১১-এ একটি জরুরি কল পাওয়ার পর পুলিশ শহরের পূর্বাঞ্চলের চালমার্স ও গ্লেনউড সড়ক এলাকায় পৌঁছে।
ডেট্রয়েট পুলিশ বিভাগের মুখপাত্র জেসমিন বারমোর জানান, ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি ভুক্তভোগীর কালো সেডান গাড়ির কাছে এসে চালককে জোরপূর্বক গাড়ি থেকে টেনে নামায়। এরপর পেছনের সিটে থাকা ৭ মাস বয়সী শিশুটিকে গাড়িতেই রেখে গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরে মিশিগান স্টেট পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে প্রায় আড়াই মাইল দূরে এডমোর ড্রাইভের ১৫৯০০ ব্লকের একটি গ্যারেজে চুরি হওয়া গাড়িটি উদ্ধার করেন। গাড়ির ভেতর থেকেই শিশুটিকে নিরাপদ অবস্থায় পাওয়া যায়।
শুক্রবার গভীর রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে ডেট্রয়েটের মেয়র মেরি শেফিল্ড বলেন, "আমাদের শহরে এ ধরনের বেপরোয়া ও দায়িত্বজ্ঞানহীন অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং তা কখনোই বরদাস্ত করা হবে না। সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে খুঁজে বের করে তার জঘন্য কাজের জন্য তাকে জবাবদিহিতার আওতায় না আনা পর্যন্ত ডেট্রয়েট পুলিশ বিভাগের (ডিপিডি) কর্মকর্তারা ক্ষান্ত হবেন না।"
কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ব্যক্তি মাঝারি উচ্চতার, ছিপছিপে গড়নের এক কৃষ্ণাঙ্গ যুবক। তার চুল ছোট করে ছাঁটা এবং ঘটনার সময় তিনি সম্পূর্ণ কালো পোশাক পরেছিলেন। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ এ বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।
শুক্রবার গভীর রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে ডেট্রয়েটের মেয়র মেরি শেফিল্ড বলেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে খুঁজে বের করে তাকে আইনের আওতায় না আনা পর্যন্ত ডেট্রয়েট পুলিশ বিভাগ তাদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।
মেয়র শেফিল্ড বলেন, “গাড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনায় ডেট্রয়েটের একটি পরিবার আজ তাদের সাত মাস বয়সী শিশুর কাছ থেকে কয়েক ঘণ্টার জন্য বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। তারা নিশ্চয়ই এখনও সেই মানসিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। তবে পুলিশ শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করায় পরিবারটি আজ রাতে স্বস্তি ও কৃতজ্ঞতা অনুভব করছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের শহরে এ ধরনের কাণ্ডজ্ঞানহীন ও দায়িত্বজ্ঞানহীন অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং তা কখনোই বরদাস্ত করা হবে না।”
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনার বিষয়ে কারও কাছে কোনো তথ্য থাকলে ডেট্রয়েট পুলিশ বিভাগের কমার্শিয়াল অটো থেফট সেকশন-এর (313) 596-2555 নম্বরে অথবা ক্রাইম স্টপার্স অব মিশিগান-এর 1-800-SPEAK-UP নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com
ডেট্রয়েট, ১১ জুলাই : ডেট্রয়েট পুলিশ এমন এক সন্দেহভাজন ব্যক্তির খোঁজ করছে, যিনি শুক্রবার এক বাবার গাড়ি ছিনতাই করে পেছনের সিটে থাকা ৭ মাস বয়সী শিশুসহ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর মিশিগান স্টেট পুলিশ চুরি হওয়া গাড়িটি উদ্ধার করে। গাড়িটির ভেতর থেকেই শিশুটিকে নিরাপদ অবস্থায় পাওয়া যায়। যেদিন ডেট্রয়েটে তাপমাত্রা ৮৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটে পৌঁছেছিল, সেদিন গাড়িটি একটি গ্যারেজের ভেতরে পার্ক করা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। শিশুটিকে তাৎক্ষণিকভাবে একটি শিশু হাসপাতালে নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। পরে তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
ডেট্রয়েট পুলিশ বিভাগের মুখপাত্র জেসমিন বারমোর ডেট্রয়েট পুলিশ সেফটি হেডকোয়ার্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আমি শিশুটির ছবি দেখেছি এবং সে ভালো আছে। সে আসলে হাসছিল।” পুলিশ সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার দুপুরের ঠিক আগে ৯১১-এ একটি জরুরি কল পাওয়ার পর পুলিশ শহরের পূর্বাঞ্চলের চালমার্স ও গ্লেনউড সড়ক এলাকায় পৌঁছে।
ডেট্রয়েট পুলিশ বিভাগের মুখপাত্র জেসমিন বারমোর জানান, ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি ভুক্তভোগীর কালো সেডান গাড়ির কাছে এসে চালককে জোরপূর্বক গাড়ি থেকে টেনে নামায়। এরপর পেছনের সিটে থাকা ৭ মাস বয়সী শিশুটিকে গাড়িতেই রেখে গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরে মিশিগান স্টেট পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে প্রায় আড়াই মাইল দূরে এডমোর ড্রাইভের ১৫৯০০ ব্লকের একটি গ্যারেজে চুরি হওয়া গাড়িটি উদ্ধার করেন। গাড়ির ভেতর থেকেই শিশুটিকে নিরাপদ অবস্থায় পাওয়া যায়।
শুক্রবার গভীর রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে ডেট্রয়েটের মেয়র মেরি শেফিল্ড বলেন, "আমাদের শহরে এ ধরনের বেপরোয়া ও দায়িত্বজ্ঞানহীন অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং তা কখনোই বরদাস্ত করা হবে না। সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে খুঁজে বের করে তার জঘন্য কাজের জন্য তাকে জবাবদিহিতার আওতায় না আনা পর্যন্ত ডেট্রয়েট পুলিশ বিভাগের (ডিপিডি) কর্মকর্তারা ক্ষান্ত হবেন না।"
কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ব্যক্তি মাঝারি উচ্চতার, ছিপছিপে গড়নের এক কৃষ্ণাঙ্গ যুবক। তার চুল ছোট করে ছাঁটা এবং ঘটনার সময় তিনি সম্পূর্ণ কালো পোশাক পরেছিলেন। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ এ বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।
শুক্রবার গভীর রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে ডেট্রয়েটের মেয়র মেরি শেফিল্ড বলেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে খুঁজে বের করে তাকে আইনের আওতায় না আনা পর্যন্ত ডেট্রয়েট পুলিশ বিভাগ তাদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।
মেয়র শেফিল্ড বলেন, “গাড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনায় ডেট্রয়েটের একটি পরিবার আজ তাদের সাত মাস বয়সী শিশুর কাছ থেকে কয়েক ঘণ্টার জন্য বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। তারা নিশ্চয়ই এখনও সেই মানসিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। তবে পুলিশ শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করায় পরিবারটি আজ রাতে স্বস্তি ও কৃতজ্ঞতা অনুভব করছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের শহরে এ ধরনের কাণ্ডজ্ঞানহীন ও দায়িত্বজ্ঞানহীন অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং তা কখনোই বরদাস্ত করা হবে না।”
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনার বিষয়ে কারও কাছে কোনো তথ্য থাকলে ডেট্রয়েট পুলিশ বিভাগের কমার্শিয়াল অটো থেফট সেকশন-এর (313) 596-2555 নম্বরে অথবা ক্রাইম স্টপার্স অব মিশিগান-এর 1-800-SPEAK-UP নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com