সিলেট, ১১ জুলাই: গণমাধ্যমকর্মী ও সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর পবিত্র মাজারের দানবাক্সে জমা হওয়া অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রীর গণনা সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) সকালে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে দানবাক্স খোলা হয়। পরে সবার সামনে অর্থ ও অন্যান্য সম্পদের হিসাব করা হয়।
গণনা শেষে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, দানবাক্স থেকে বাংলাদেশি মুদ্রায় মোট ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণ ও রৌপ্যও পাওয়া গেছে। তিনি জানান, গণনা করা সব অর্থ জেলা প্রশাসকের নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হবে।
সিলেটবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে সিসিক প্রশাসক বলেন, হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার, দরগাহ মসজিদ ও মাদ্রাসার পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গঠিত কমিটির পরবর্তী সভা আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও বলেন, ওই সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আগামী এক মাসের মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে।
গণনায় পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের ১৩৫ রিয়াল, যুক্তরাষ্ট্রের ২০ ডলার, ভারতের ২ হাজার ৫৩২ রুপি, কাতারের ২২ দিরহাম, মালয়েশিয়ার ৬ রিঙ্গিত, হংকংয়ের ২০ ডলার, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২০ ইউরো, ওমানের ১ দশমিক ৪৫০ দিনার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৫৪ দশমিক ২০ দিরহাম, ইন্দোনেশিয়ার ৪ হাজার রুপিয়া, পাকিস্তানের ৬০ রুপি এবং সিঙ্গাপুরের ১০ ডলার। এছাড়া দানবাক্স থেকে ৯ গ্রাম স্বর্ণ, ১০ গ্রাম স্বর্ণ সদৃশ বস্তু এবং ৩৯ দশমিক ৪ গ্রাম রৌপ্য পাওয়া গেছে।
গণনায় আরও পাওয়া যায় একটি গরু ও ৬৫টি ছাগল। এর মধ্যে একটি গরু ও ৪০টি ছাগল রান্না করে খাওয়ানো হয়েছে। বাকি ২৫টি ছাগল বিক্রি করা হয়েছে। এসব ছাগল বিক্রি করে পাওয়া গেছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৪০৩ টাকা। উল্লেখ্য, সর্বশেষ দানবাক্স খোলার পর থেকে টানা ১৮ দিনে এসব অর্থ ও সামগ্রী জমা হয়।
গণনা কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, মাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
গণনা শেষে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, দানবাক্স থেকে বাংলাদেশি মুদ্রায় মোট ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণ ও রৌপ্যও পাওয়া গেছে। তিনি জানান, গণনা করা সব অর্থ জেলা প্রশাসকের নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হবে।
সিলেটবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে সিসিক প্রশাসক বলেন, হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার, দরগাহ মসজিদ ও মাদ্রাসার পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গঠিত কমিটির পরবর্তী সভা আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও বলেন, ওই সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আগামী এক মাসের মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে।
গণনায় পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের ১৩৫ রিয়াল, যুক্তরাষ্ট্রের ২০ ডলার, ভারতের ২ হাজার ৫৩২ রুপি, কাতারের ২২ দিরহাম, মালয়েশিয়ার ৬ রিঙ্গিত, হংকংয়ের ২০ ডলার, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২০ ইউরো, ওমানের ১ দশমিক ৪৫০ দিনার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৫৪ দশমিক ২০ দিরহাম, ইন্দোনেশিয়ার ৪ হাজার রুপিয়া, পাকিস্তানের ৬০ রুপি এবং সিঙ্গাপুরের ১০ ডলার। এছাড়া দানবাক্স থেকে ৯ গ্রাম স্বর্ণ, ১০ গ্রাম স্বর্ণ সদৃশ বস্তু এবং ৩৯ দশমিক ৪ গ্রাম রৌপ্য পাওয়া গেছে।
গণনায় আরও পাওয়া যায় একটি গরু ও ৬৫টি ছাগল। এর মধ্যে একটি গরু ও ৪০টি ছাগল রান্না করে খাওয়ানো হয়েছে। বাকি ২৫টি ছাগল বিক্রি করা হয়েছে। এসব ছাগল বিক্রি করে পাওয়া গেছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৪০৩ টাকা। উল্লেখ্য, সর্বশেষ দানবাক্স খোলার পর থেকে টানা ১৮ দিনে এসব অর্থ ও সামগ্রী জমা হয়।
গণনা কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, মাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।