ঢাকা, ২৩ জুলাই: রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যেই বিদেশ সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
সংসদ সচিবালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার (২৪ জুলাই) থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে বেলা ১২টা ১০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার অবতরণের কথা রয়েছে।
জানা গেছে, চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গত ১৯ জুলাই থাইল্যান্ডের ব্যাংককে গিয়েছিলেন স্পিকার। পূর্বনির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী তার ২৬ জুলাই দেশে ফেরার কথা থাকলেও সরকারের উচ্চপর্যায়ের অনুরোধে তিনি সফর সংক্ষিপ্ত করে আগেই দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ওই কর্মকর্তা জানান, বুধবার (২২ জুলাই) থেকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতিতেই স্পিকারের নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশে ফেরার সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে জমা দিতে হয়। একই সঙ্গে ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে অথবা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া ১২৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বাধ্যতামূলক।
উল্লেখ্য, ২০০২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এ. কিউ. এম. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের পর তৎকালীন স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার ৭৮ দিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যে স্পিকারের আকস্মিক দেশে ফেরা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে ব্যাপক আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনার জন্ম দিয়েছে।
সংসদ সচিবালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার (২৪ জুলাই) থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে বেলা ১২টা ১০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার অবতরণের কথা রয়েছে।
জানা গেছে, চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গত ১৯ জুলাই থাইল্যান্ডের ব্যাংককে গিয়েছিলেন স্পিকার। পূর্বনির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী তার ২৬ জুলাই দেশে ফেরার কথা থাকলেও সরকারের উচ্চপর্যায়ের অনুরোধে তিনি সফর সংক্ষিপ্ত করে আগেই দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ওই কর্মকর্তা জানান, বুধবার (২২ জুলাই) থেকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতিতেই স্পিকারের নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশে ফেরার সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে জমা দিতে হয়। একই সঙ্গে ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে অথবা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া ১২৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বাধ্যতামূলক।
উল্লেখ্য, ২০০২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এ. কিউ. এম. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের পর তৎকালীন স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার ৭৮ দিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যে স্পিকারের আকস্মিক দেশে ফেরা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে ব্যাপক আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনার জন্ম দিয়েছে।