ক্রওলি, ২৫ জুলাই : যুক্তরাজ্যভিত্তিক জনকল্যাণমূলক দাতব্য সংস্থা ‘দ্য ওয়ান পাউন্ড হসপিটাল’-এর উদ্যোগে ২৪ জুলাই শুক্রবার রাত ১১টায় ক্রওলির একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় ও নেটওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্রাইটনের বিশিষ্ট মুরব্বী আলহাজ এম এ কাইয়ুম। সংস্থার প্রেস ও মিডিয়া ডিরেক্টর শাহ সোহেল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় হাসপাতালের কার্যক্রম, আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং প্রবাসীদের সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত বক্তারা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
বক্তব্য রাখেন সেক্রেটারী জেনারেল হেড অব ফাইন্যান্স কাউন্সিলর মোহাম্মদ আয়াছ মিয়া, ট্রেজারার মাওলানা সিরজুল ইসলাম সাদ, ট্রাষ্টি এম আবুল হাশেম, সমুজ আলী, আসিক আলী, উপদেষ্টা-ডা. আতাউর রহমান. এম এ কাইয়ুম, ফজলুর রহমান, মসলান্দর আলী, আবুল কালাম আজাদ চোটন, আসাব আলী, আবুল হক, সৈয়দ মনুয়ার আহমেদ, ফয়সল আহমেদ, খয়রুল ইসলাম, আশিকুর রহমান, আবদুল হান্নান, ইউসুফ আলী, তাহিদ মিয়া কয়েস, মির্জা শাহিন বেগ, শিপার বেগ, ফারুক আলী, ফারুক হোসেন।ফাউন্ডার মেম্বার খালেদ মাসুদ রনি, কো-অর্ডিনেটর ফারুক মিয়া প্রমুখ।
সভায় উপস্থিত অনেকেই ফাউন্ডার মেম্বার হিসেবে যুক্ত হন এবং আরও অনেকে সদস্য হওয়ার আগ্রহ ও প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন, যুক্তরাজ্যে নিবন্ধিত দাতব্য সংস্থা The £1 Hospital একটি সম্পূর্ণ অলাভজনক মানবিক উদ্যোগ, যার লক্ষ্য সিলেটসহ বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের জন্য মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা। মানবিক এ উদ্যোগকে সফল করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা জানান, দ্য ওয়ান পাউন্ড হসপিটাল এর মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সাশ্রয়ী মূল্যে এবং প্রয়োজনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া।
সংস্থার পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে সিলেটের বিশ্বনাথে ব্রিটিশ মানসম্পন্ন একটি ৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা। এছাড়া সাধারণ ও দুস্থ মানুষের জন্য স্বল্প খরচে কিংবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে ‘ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক’-এর মাধ্যমে প্রতি শুক্রবার বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান শুরু করা হবে। পরবর্তীতে এ কার্যক্রমকে সম্প্রসারণ করে সপ্তাহের সাত দিন পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে পরিচালিত হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্রাইটনের বিশিষ্ট মুরব্বী আলহাজ এম এ কাইয়ুম। সংস্থার প্রেস ও মিডিয়া ডিরেক্টর শাহ সোহেল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় হাসপাতালের কার্যক্রম, আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং প্রবাসীদের সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত বক্তারা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
বক্তব্য রাখেন সেক্রেটারী জেনারেল হেড অব ফাইন্যান্স কাউন্সিলর মোহাম্মদ আয়াছ মিয়া, ট্রেজারার মাওলানা সিরজুল ইসলাম সাদ, ট্রাষ্টি এম আবুল হাশেম, সমুজ আলী, আসিক আলী, উপদেষ্টা-ডা. আতাউর রহমান. এম এ কাইয়ুম, ফজলুর রহমান, মসলান্দর আলী, আবুল কালাম আজাদ চোটন, আসাব আলী, আবুল হক, সৈয়দ মনুয়ার আহমেদ, ফয়সল আহমেদ, খয়রুল ইসলাম, আশিকুর রহমান, আবদুল হান্নান, ইউসুফ আলী, তাহিদ মিয়া কয়েস, মির্জা শাহিন বেগ, শিপার বেগ, ফারুক আলী, ফারুক হোসেন।ফাউন্ডার মেম্বার খালেদ মাসুদ রনি, কো-অর্ডিনেটর ফারুক মিয়া প্রমুখ।
সভায় উপস্থিত অনেকেই ফাউন্ডার মেম্বার হিসেবে যুক্ত হন এবং আরও অনেকে সদস্য হওয়ার আগ্রহ ও প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন, যুক্তরাজ্যে নিবন্ধিত দাতব্য সংস্থা The £1 Hospital একটি সম্পূর্ণ অলাভজনক মানবিক উদ্যোগ, যার লক্ষ্য সিলেটসহ বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের জন্য মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা। মানবিক এ উদ্যোগকে সফল করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা জানান, দ্য ওয়ান পাউন্ড হসপিটাল এর মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সাশ্রয়ী মূল্যে এবং প্রয়োজনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া।
সংস্থার পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে সিলেটের বিশ্বনাথে ব্রিটিশ মানসম্পন্ন একটি ৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা। এছাড়া সাধারণ ও দুস্থ মানুষের জন্য স্বল্প খরচে কিংবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে ‘ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক’-এর মাধ্যমে প্রতি শুক্রবার বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান শুরু করা হবে। পরবর্তীতে এ কার্যক্রমকে সম্প্রসারণ করে সপ্তাহের সাত দিন পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে পরিচালিত হবে।