হবিগঞ্জ, ২৮ জুলাই: হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ উঠেছে । এ ঘটনায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সোমবার শহরের সাইফুর রহমান টাউন হলের সামনে সমাবেশ শেষে এনসিপির নেতা-কর্মীরা গাড়িবহর নিয়ে ফেরার সময় কোর্ট মসজিদ এলাকায় প্রথম দফা হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। পরে সোনালী ব্যাংক এলাকার সামনে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এনসিপির দাবি, হামলার সময় সারজিস আলম সোনালী ব্যাংক চত্বরে আশ্রয় নেন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তাকে নিরাপদে হবিগঞ্জ সার্কিট হাউসে নিয়ে যান।
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করে ফিরছিলাম। এ সময় ছাত্রদল-যুবদলের নেতা-কর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমাদের অন্তত ১৫ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।"
অন্যদিকে, হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "এনসিপির নেতা-কর্মীরা সভা-সমাবেশে বিএনপির নেতা-কর্মীদের গালাগালি করেন। এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে।"
হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেন, জেলা সার্কিট হাউসের ভেতরে এনসিপির মিডিয়া টিমের মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়েছে। পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ তোলেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, "পুলিশের উপস্থিতিতেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে সংঘটিত এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক সহিংসতার এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত।" ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা বা গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি।
এনসিপির দাবি, হামলার সময় সারজিস আলম সোনালী ব্যাংক চত্বরে আশ্রয় নেন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তাকে নিরাপদে হবিগঞ্জ সার্কিট হাউসে নিয়ে যান।
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করে ফিরছিলাম। এ সময় ছাত্রদল-যুবদলের নেতা-কর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমাদের অন্তত ১৫ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।"
অন্যদিকে, হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "এনসিপির নেতা-কর্মীরা সভা-সমাবেশে বিএনপির নেতা-কর্মীদের গালাগালি করেন। এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে।"
হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেন, জেলা সার্কিট হাউসের ভেতরে এনসিপির মিডিয়া টিমের মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়েছে। পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ তোলেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, "পুলিশের উপস্থিতিতেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে সংঘটিত এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক সহিংসতার এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত।" ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা বা গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি।