সিলেট, ৩০ জুলাই : সিলেটের গোলাপগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলমের বহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তাঁর ব্যবহৃত গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে যায়। বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ৩টার দিকে গোলাপগঞ্জ পৌর এলাকার উপজেলা গেটসংলগ্ন নূর ম্যানশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। হামলার জন্য সারজিস আলম বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, সকালে গোলাপগঞ্জ উপজেলা অডিটরিয়ামে এনসিপির উদ্যোগে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন সারজিস আলম। অনুষ্ঠান শেষে তিনি ও দলের অন্যান্য নেতাকর্মী হেতিমগঞ্জ বাজারে মধ্যাহ্নভোজের উদ্দেশে রওনা দেন। এ সময় অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হওয়ার পর তাঁদের বহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে গেলেও কেউ আহত হননি।
পরে নিরাপত্তার কারণে এনসিপির নেতাকর্মীরা হেতিমগঞ্জ বাজারে না গিয়ে সিলেট সার্কিট হাউসের উদ্দেশে রওনা দেন। এ সময় বাইপাস এলাকায় তাঁদের বহরে আবারও হামলার চেষ্টা করা হয় বলে দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পর গোলাপগঞ্জ উপজেলা চত্বর ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ, এপিবিএনসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।
হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবেদ আলী বলেন, “অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে সারজিস আলমের গাড়িতে পেছন থেকে ঢিল ছোড়া হয়। এতে গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে যায়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।”
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ৪২ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সারজিস আলম দাবি করেন, “সিলেটের গোলাপগঞ্জে আবার আমাদের গাড়িতে বিএনপির সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। গাড়ি ভাঙচুর করেছে।”
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এনসিপি নেতা সারজিস আলমের গাড়িতে হামলার ঘটনার পর এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকার নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান চায় না বলেই বারবার এমন হামলার ঘটনা ঘটছে। তিনি হামলার জন্য বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে যেভাবে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা করেছিল, ঠিক সেভাবে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন এনসিপির ওপর হামলা করেছে।’
এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীও ছাত্রদলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলে বলেন, দেশে ‘সন্ত্রাসের রাজত্ব’ সৃষ্টি করা হচ্ছে। অন্যদিকে সারজিস আলম অভিযোগ করেন, তারেক রহমানের ইন্ধনে ছাত্রদল হামলা চালিয়েছে এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকেও কার্যকর ভূমিকা নেয়নি।
তবে গোলাপগঞ্জ থানার ওসি মো. সবেদ আলী জানান, ফেরার পথে সারজিস আলমের গাড়িতে পেছন থেকে ঢিল ছোড়া হয়, এতে গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে যায়, তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বিএনপির পক্ষ থেকে এ অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, সকালে গোলাপগঞ্জ উপজেলা অডিটরিয়ামে এনসিপির উদ্যোগে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন সারজিস আলম। অনুষ্ঠান শেষে তিনি ও দলের অন্যান্য নেতাকর্মী হেতিমগঞ্জ বাজারে মধ্যাহ্নভোজের উদ্দেশে রওনা দেন। এ সময় অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হওয়ার পর তাঁদের বহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে গেলেও কেউ আহত হননি।
পরে নিরাপত্তার কারণে এনসিপির নেতাকর্মীরা হেতিমগঞ্জ বাজারে না গিয়ে সিলেট সার্কিট হাউসের উদ্দেশে রওনা দেন। এ সময় বাইপাস এলাকায় তাঁদের বহরে আবারও হামলার চেষ্টা করা হয় বলে দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পর গোলাপগঞ্জ উপজেলা চত্বর ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ, এপিবিএনসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।
হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবেদ আলী বলেন, “অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে সারজিস আলমের গাড়িতে পেছন থেকে ঢিল ছোড়া হয়। এতে গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে যায়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।”
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ৪২ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সারজিস আলম দাবি করেন, “সিলেটের গোলাপগঞ্জে আবার আমাদের গাড়িতে বিএনপির সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। গাড়ি ভাঙচুর করেছে।”
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এনসিপি নেতা সারজিস আলমের গাড়িতে হামলার ঘটনার পর এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকার নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান চায় না বলেই বারবার এমন হামলার ঘটনা ঘটছে। তিনি হামলার জন্য বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে যেভাবে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা করেছিল, ঠিক সেভাবে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন এনসিপির ওপর হামলা করেছে।’
এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীও ছাত্রদলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলে বলেন, দেশে ‘সন্ত্রাসের রাজত্ব’ সৃষ্টি করা হচ্ছে। অন্যদিকে সারজিস আলম অভিযোগ করেন, তারেক রহমানের ইন্ধনে ছাত্রদল হামলা চালিয়েছে এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকেও কার্যকর ভূমিকা নেয়নি।
তবে গোলাপগঞ্জ থানার ওসি মো. সবেদ আলী জানান, ফেরার পথে সারজিস আলমের গাড়িতে পেছন থেকে ঢিল ছোড়া হয়, এতে গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে যায়, তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বিএনপির পক্ষ থেকে এ অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।